সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক: আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন।

পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় সমান। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ও ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডের অধীনে, যার সংখ্যা তিন লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন।

এছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০৯ জন, কুমিল্লায় এক লাখ ৪৬ হাজার ৮১৭ জন, যশোরে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন, চট্টগ্রামে এক লাখ ৩০ হাজার ৬৬৮ জন, বরিশালে ৮১ হাজার ৮৩১ জন, সিলেটে ৮৯ হাজার ৪২১ জন, দিনাজপুরে এক লাখ ৮১ হাজার ৮৫৪ জন ও ময়মনসিংহে এক লাখ ৮ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র সাত লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন ও ছাত্রী ছয় লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিন লাখ চার হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে এক লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন ছাত্রী ও এক লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন ছাত্র। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে। যার মধ্যে ছাত্র এক লাখ এক হাজার ৫০৯ জন ও ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।

২০২৬ সালের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সারাদেশে মোট তিন হাজার ৮৮৫টি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেবে। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্র ঢাকা বোর্ডে, ৫১০টি এবং সবচেয়ে কম কেন্দ্র ময়মনসিংহে, ১৮৮টি। অন্যদিকে, মাদরাসা বোর্ডের আওতায় ৭৪২টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ৬৫৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

Ads small one

খুলনায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এঁর জন্মশতবর্ষ পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
খুলনায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এঁর জন্মশতবর্ষ পালন

‘চলে যাব তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল’- দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, কবিতায় উল্কা- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে খুলনা রাইটার্স ক্লাবের উদ্যোগে রবিবার বিকেল পাঁচটায় ক্লাব কক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
কবি নজরুল খন্দকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ড. সন্দীপক মল্লিক। প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী এড. মিনা মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন কবি শেখ অলিয়ার রহমান, কবি বেনজির আহমেদ জুয়েল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি লেখক ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ডি কে মন্ডল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ছিলেন কবি সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক লেখক-গবেষক অরবিন্দ মৃধা।
শুরুতে অতিথিবৃন্দ কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে ‘অভিবাদন’ শিরোনামে প্রকাশিত ভাঁজপত্র’র মোড়ক উন্মোচন শেষে বাংলা কবিতায় কবি সুকান্ত উল্কা শীর্ষক আলোচনায় বক্তাগণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এঁর একুশ বছরের কাব্য সাহিত্য জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন।
তৎপর স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি মিনু পাল, কবি দীপু মন্ডল, কবি গৌরদাস বিশ্বাস, কবি নিরঞ্জন রায়, কবি নীলরতন মন্ডল, কবি অসিত মন্ডল, বাচিক শিল্পী-মুকুট মেহেদী।
পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গণসংগীত পরিবেশন করেন- শিল্পী সন্দীপক মল্লিক, মিনা মিজানুর রহমান, অরবিন্দ মৃধা, এমদাদ আলী, মিনু পাল প্রমুখ। ক্লাবের সদস্যবৃন্দ সহ আমন্ত্রিত অতিথিবন্দ মুগ্ধতার সহিত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সাম্যের কবি দ্রোহের-তারণ্যের কবি, কবিতায় উল্কা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এর জন্ম ১৫ আগষ্ট-১৯২৬, মৃত্যু ১৩ মে ১৯৪৭। মাত্র পঁচিশ বছর জীবৎকালের ক্ষণজন্মা এই কবির জন্মশতবর্ষকে খুলনা রাইটার্স ক্লাব যথাযথ মর্যদায় পালন করে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

সাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহরের সঙ্গীতা মোড় কামালনগর এলাকায় এ ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কলকাতা পিয়ারলেস হসপিটালের গ্রুপ মার্কেটিং হেড অফিসার মি. ইন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি, পিয়ারলেস হসপিটালের আন্তর্জাতিক মার্কেটিং ম্যানেজার নির্ঝর ঘোষ, ফ্রেন্ডশিপ কম্পিউটার-২ পরিচালক রাজু ঘোষ, আর এমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদরের সেক্রেটার আব্দুল মোমেনসহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে পিয়ারলেস হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে উপস্থিতদের অবহিত করা হয়।
আয়োজকরা জানান, সাতক্ষীরার রোগীদের কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যেই এ ইনফরমেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

সংবাদদাতা: এ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) এর উদ্যোগে শিশু সুরক্ষার লক্ষ্যে ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ অঅগস্ট) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদরের ১৩নং লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

ফ্রি অ্যা গার্ল নেদারল্যান্ডস এবং জিম্যান’র সহযোগিতায় প্রোটেকশন এন্ড সাইকোসোসাল ডেভেলপমেন্ট অব গার্লস ফ্রম এবুসিভ এন্ড এক্সপ্লয়টেটিভ সিচুয়েশন প্রকল্পের আওতায় লাবসা ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে ও এরিয়া ম্যানেজার কৃষ্ণা রানী বিশ্বাসের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এস, এম আহসান উল্লাহ সরকার সভায় অংশগ্রহণকারীদের সামনে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কাঙ্খিত প্রত্যাশা তুলে ধরেন।

বক্তব্য রাখেন লাবসা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিশ্বনাথ মন্ডল, ইউপি সদস্য মো. মনিরুজ্জামান, ইউপি কাজী মনিরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মো. আলী হোসেন, ইউপি সদস্য নজিবুর রহমান টুটুল, মহিলা ইউপি সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম মিষ্টি, মহিলা ইউপি সদস্য ফাহমিদা জামান মিতু, সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবু তাহের, লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মেহেদী হাসান ও ইমাম আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন শোষন, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা, বাল্যবিবাহ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাস প্রতিরোধে শিক্ষকরাই পারে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে। হঠাৎ করে কোন কিছিু পরিবর্তন করা যায় না। শিক্ষকরা যদি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদান করেন তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম এই কূ-অভ্যাস হতে রেহাই পাবে। শিশু সুরক্ষায় আমাদের পরিবার থেকেই শিক্ষা দিতে হবে। বিশেষ করে শিশূদের তাদের শরীর সম্পর্কে তাদের ভাল স্পর্শ এবং মন্দ স্পর্শ সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিতে হবে। কারণ নির্যাতনকারী আমাদের দুরের কেউ নয় নির্যাতনকারী আমাদের কাছের মানুষ।

 

কাছের মানুষ দ্বারা এই ঘটনা গুলো বেশী ঘটে থাকে। বক্তারা আরো বলেন. আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। আমরা যদি এই ঘটনা গুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি তাহলে সহিংস ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে। আমাদের পরিবার থেকেই সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের যাত্রা শুরু করতে হবে। এসময় ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় ইউপি সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সাংবাদিকসহ সামাজিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।