শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক: আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন।

পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় সমান। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ও ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডের অধীনে, যার সংখ্যা তিন লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন।

এছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০৯ জন, কুমিল্লায় এক লাখ ৪৬ হাজার ৮১৭ জন, যশোরে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন, চট্টগ্রামে এক লাখ ৩০ হাজার ৬৬৮ জন, বরিশালে ৮১ হাজার ৮৩১ জন, সিলেটে ৮৯ হাজার ৪২১ জন, দিনাজপুরে এক লাখ ৮১ হাজার ৮৫৪ জন ও ময়মনসিংহে এক লাখ ৮ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র সাত লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন ও ছাত্রী ছয় লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিন লাখ চার হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে এক লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন ছাত্রী ও এক লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন ছাত্র। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে। যার মধ্যে ছাত্র এক লাখ এক হাজার ৫০৯ জন ও ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।

২০২৬ সালের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সারাদেশে মোট তিন হাজার ৮৮৫টি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেবে। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্র ঢাকা বোর্ডে, ৫১০টি এবং সবচেয়ে কম কেন্দ্র ময়মনসিংহে, ১৮৮টি। অন্যদিকে, মাদরাসা বোর্ডের আওতায় ৭৪২টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ৬৫৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

Ads small one

এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: জাপা নেতা আশু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: জাপা নেতা আশু

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল। ওই সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের কাটিয়া মাস্টারপাড়ায় জেলা জাতীয় পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আশরাফুজ্জামান আশু বলেন, উপজেলা ব্যবস্থা চালু থাকলেও বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানদের হাতে আগের মতো ক্ষমতা নেই। আগে উপজেলা চেয়ারম্যানরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার বেশি সুযোগ পেতেন। কিন্তু বর্তমানে উপজেলা প্রশাসনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কর্তৃত্ব বেড়েছে।

এরশাদের শাসনামলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, এরশাদ উপজেলা পর্যায়ে উন্নয়ন করেছেন। রেডিও ও টেলিভিশনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান প্রচারের ব্যবস্থা করেছিলেন। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা করেছিলেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও হিন্দুদের উপাসনালয়ের পানির বিল ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করেছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অধিকাংশ দল ও প্রার্থী প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করেছেন। একমাত্র জাতীয় পার্টি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। অতীতে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনগুলোর মধ্যে তাঁর দেখা নির্বাচনটি অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ছিল বলে দাবি করেন তিনি। কোথাও কারচুপির অভিযোগও ওঠেনি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, “অথচ সেই চেয়ারে আমরা থাকতে পারলাম না। এটাই কি বৈষম্য? তাহলে আমরা কী ধরনের পরিবর্তন চেয়েছিলাম?”

সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরে মশিউর রহমান বাবু বলেন, বর্তমানে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, আয় কমেছে এবং অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
দেশের সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের উচিত সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে আলোচনায় বসা। আলোচনার মাধ্যমে দেশের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। কোনো একটি দল বা গোষ্ঠীর পক্ষে দেশের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।

সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টি সাতক্ষীরা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস ছাদেক, জেলা জাতীয় পার্টির সহসাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম পিটুল, কোষাধ্যক্ষ মো. আশরাফ কন্টাক্টর, পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রসমাজের সভাপতি মো. কায়সারুজ্জামান হিমেল, জেলা জাতীয় তরুণ পার্টির আহ্বায়ক আবু ইয়াছিন, সদর উপজেলা জাতীয় ছাত্রসমাজের সাধারণ সম্পাদক মো. কাইমুজ্জামান পাভেল এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি সাকিব জামান দীপ্তসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সভায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কাটিয়া শাহী মসজিদের ইমাম মুফতি হাফিজুর রহমান।

সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা

সংবাদদাতা: জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শহরের পলাশপোলের শহীদ কাজল সরণিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

নিসচা সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এস এম মহিদার রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মীর আবু বকরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ফারুক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সাবেক সমন্বয়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, উপদেষ্টা এবং সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আবুল কালাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আলমগীর আশরাফ, সংগঠনের সহসভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মাদ পাড়, মো. ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, প্রভাষক এস এম রজব আলী ও কার্যকরী সদস্য প্রভাষক নাজমুল হক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ আলী ও শাহজাহান আলী মিটন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল উদ্দীন সরদার, প্রচার সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আতিকুজ্জামান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, যুববিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন জনি, কার্যকরী সদস্য মো. আবু সাঈদ, মো. আব্দুল মান্নান, অধ্যক্ষ মোরশেদুল হক, হাফেজ মো. আবুল হোসেন, এম এম রবিউল ইসলাম, মো. মাসুদ হাসান মনি, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ বাহার, মোহাম্মাদ হাফিজ, শেখ জোবায়ের আল জামান, মো. কামাল হোসেন, ডা. অহিদুজ্জামান, মেম্বর রবিউল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, মো. লাল্টু, আবীর হোসেন লিযন ও মো. আতিয়ার রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালক দিয়ে যানবাহন পরিচালনা এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

তাঁরা আরও বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ জন্য চালক, মালিক, যাত্রী, পথচারী ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিকল্প নেই।

তালায় ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলার আসর, চ্যাম্পিয়নদের জন্য গরু ও ফ্রিজ পুরস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
তালায় ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলার আসর, চ্যাম্পিয়নদের জন্য গরু ও ফ্রিজ পুরস্কার

oplus_0

তালা প্রতিনিধি: গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সাতক্ষীরার তালায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে আট দলীয় নকআউট টুর্নামেন্ট। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় তালার ভায়ড়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ খেলার আয়োজন করা হয়। ভায়ড়া শাহাপুর বাজার বণিক সমিতি ও এলাকাবাসী এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় তালার মহান্দী দল ও খুলনার ডুমুরিয়া বন্ধু মহল। খেলায় জয়লাভ করে তালার মহান্দী দল।

খেলা দেখতে মাঠে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ঐতিহ্যবাহী এ খেলাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু। বিশেষ অতিথি ছিলেন তালা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান সাইদ, তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ কবির হোসেন। খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সামছুর সরদার ও আবুল কাশেম শেখ।

আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে রয়েছে একটি গরু এবং রানার্সআপ দলের জন্য একটি ফ্রিজ।

‘মাদককে না বলি, খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলি’ স্লোগানকে সামনে রেখে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। এলাকার তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখা, সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি এবং গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী খেলাকে নতুন করে জনপ্রিয় করে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য বলে জানান আয়োজকরা।