কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলসহ বিভিন্ন এলাকা ভারী বর্ষণে জলমগ্ন
কলারোয়া প্রতিনিধি: এক রাতের ভারী বর্ষণে তলিয়ে গেছে কলারোয়া পৌরসদরের বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকা। হাঁটুপানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্কুলের অফিস ও শ্রেণিকক্ষের মূল্যবান আসবাবপত্র ও ফাইলপত্র। জলাবদ্ধতায় প্রায় সাড়ে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর আগামীদিনের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা গ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মাত্র কয়েক মিটার দূরে বেত্রবতী নদীর অবস্থান। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে অত্র এলাকার পানি সহজেই এ নদীতে নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। পৌরসভার অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে পৌরবাসী। বর্ষা আসলেই এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হয় এলাকাবাসী। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করে কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনের সাময়িক ব্যবস্থা করলেও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে দেখা যায়নি আজ পর্যন্ত।
দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য জেলা পরিষদ প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য, পৌর প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দুর্ভোগের কবলে পড়া জনগোষ্ঠী। এছাড়া, এখন স্কুলে স্কুলে চলছে অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা। এ অবস্থায় পৌর সদরের আলিয়া কামিল মাদরাসা, বেত্রবতী হাইস্কুল, মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রি-ক্যাডেট স্কুলসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলারোয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস চত্বর। এছাড়া উপজেলা চত্বরের বিভিন্ন স্থানে পানি ঢুকে গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে পৌরসভার তুলসীডাঙ্গা, গদখালি, মির্জাপুর, মুরারীকাটি ও গোপিনাথপুর ওয়ার্ডসহ প্রায় সকল ওয়ার্ডে রাতভর ভারী বর্ষণে ব্যাপক জলমগ্নতার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম। তিনি এ সময় পানিবন্দী স্কুলসহ জলমগ্ন এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা দ্রুত সংষ্কারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।






