শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলসহ বিভিন্ন এলাকা ভারী বর্ষণে জলমগ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলসহ বিভিন্ন এলাকা ভারী বর্ষণে জলমগ্ন

কলারোয়া প্রতিনিধি: এক রাতের ভারী বর্ষণে তলিয়ে গেছে কলারোয়া পৌরসদরের বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকা। হাঁটুপানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্কুলের অফিস ও শ্রেণিকক্ষের মূল্যবান আসবাবপত্র ও ফাইলপত্র। জলাবদ্ধতায় প্রায় সাড়ে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর আগামীদিনের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা গ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মাত্র কয়েক মিটার দূরে বেত্রবতী নদীর অবস্থান। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে অত্র এলাকার পানি সহজেই এ নদীতে নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। পৌরসভার অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে পৌরবাসী। বর্ষা আসলেই এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হয় এলাকাবাসী। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করে কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনের সাময়িক ব্যবস্থা করলেও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে দেখা যায়নি আজ পর্যন্ত।

দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য জেলা পরিষদ প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য, পৌর প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দুর্ভোগের কবলে পড়া জনগোষ্ঠী। এছাড়া, এখন স্কুলে স্কুলে চলছে অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা। এ অবস্থায় পৌর সদরের আলিয়া কামিল মাদরাসা, বেত্রবতী হাইস্কুল, মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রি-ক্যাডেট স্কুলসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলারোয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস চত্বর। এছাড়া উপজেলা চত্বরের বিভিন্ন স্থানে পানি ঢুকে গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে পৌরসভার তুলসীডাঙ্গা, গদখালি, মির্জাপুর, মুরারীকাটি ও গোপিনাথপুর ওয়ার্ডসহ প্রায় সকল ওয়ার্ডে রাতভর ভারী বর্ষণে ব্যাপক জলমগ্নতার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম। তিনি এ সময় পানিবন্দী স্কুলসহ জলমগ্ন এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা দ্রুত সংষ্কারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।

 

 

 

Ads small one

হাঁক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
হাঁক

মোঃ রহমত আলী
কথায় কথায় লাফালাফি,
তালে তালে নাচানাচি!
গোয়াল ঘরে ছাগল বেঁধে,
পাগল হয়ে মাতামাতি।

ঘোড়ার ডিম, ঘোড়ার ডিম,
হাতির হলো কবে শিং!
জেগে জেগে স্বপ্ন হাজার,
ঘুমের ঘোরে সোনার ডিম।

সোনার হরিণ, সোনার হরিণ,
আবোল-তাবোল বাড়াবাড়ি!
বড্ড বেশি কাড়াকাড়ি,
তা ধিন- ধিনা ধিন- তা ধিন।

বাহ্ অকারণে হাসাহাসি,
কারণ পেলেই দাপাদাপি!
ঘরের ঘোড়া ভুখা রেখে,
পরের মহিষ হাঁকাহাঁকি।

‘পুষ্প্য শয্যা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
‘পুষ্প্য শয্যা’

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
জীবনের নাম যদি
রাখা হয় ফুল,
তা রয়ে যাবে আজীবন ভুল।
ফুল পবিত্র নেই তার কুল,
মানুষ সবজান্তা
তথাপি নেই তার মিল।
পুষ্প্য ফুটে দেখায়
ত্রুটিহীন আতœপ্রকাশ,
মানুষ প্রাণী কলংক এঁকে
রাখে তার ভ্রান্তি অবকাশ।

পুষ্প্য তার সৌরভ দিয়ে
ডেকে রাখে বসুন্ধরাকে,
দূর্গন্ধরূপী জ্বাল বিস্তার
করে মানুষ ধরাকে।

ফুল সারাজাহানের
সংকীর্ণ প্রণালী ঘর,
তাকে করা যাবেনা
ক্ষনিকের ধরণী পর।

পুষ্প্য ছাড়া ভুলে যেত
মানুষ আপন ধন,
মানুষই পারে পুষ্প্যের ন্যায়
গড়তে তাজা প্রাণ।

অন্তরের অন্তরালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
অন্তরের অন্তরালে

বাপী নাগ
এই জীবনের পথে চলতে গিয়ে
পথ যে ফেলি হারিয়ে।
ঠিক-ভুলের নেই কোনো হিসাব
রাখি নিজেকে সরিয়ে।
অজান্তেই ভুল করে পাই সাজা
নিঃশব্দে রয়েছি নিরবে।
দিনের পর দিন সময় যায় বয়ে
এ মন অজান্তে হারাবে।

স্বপ্ন গুলো হঠাৎই ধুলোয় মিশে
নীরবতার’ই আড়ালে।
হাসির মুখোশ পরেই অভিমানে
লুকাই যে অন্তরালে।

হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝেও
নিজেকেই খুঁজি একা।
চেনা-অচেনা এই জীবন পথেই
স্মৃতি’র হয় শুধু দেখা।

ভাঙা বিশ্বাস এই বুকের ভেতর
রক্ত ক্ষরণ হয়েই রয়।
যাদের কে আপন ভেবে ছিলাম
তাদের মাঝে হবে জয়।

তবুও এই জীবন থেমে থাকে না
এ পথ নিয়তির ডাকে।
অশ্রু ভেজা প্রতি’টি প্রহর নতুন
সাহস রেখে যায় ফাঁকে।