বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়ায় ৪শ’ মিটার বেহাল সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ৪শ’ মিটার বেহাল সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া পৌরসভার হাসপাতাল সড়কসংলগ্ন কদম আলী মেসের সামনের ভাঙাচোরা সড়কটির অবশেষে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলার পর বেহাল এই সড়কের ৪০০ মিটার অংশের সংস্কারকাজ বুধবার শুরু করেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে “দুই পাশে উন্নত সড়ক, মাঝখানে ৪শ’ মিটারের দুর্ভোগ” শিরোনামে খবর প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

বুধবার সকাল থেকে পৌরসভার উদ্যোগে শ্রমিক ও নির্মাণসামগ্রী নিয়ে সড়কের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। প্রথম পর্যায়ে সড়কের খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা অংশ সমতল করে চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরে পর্যায়ক্রমে সড়কটির পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন ও কার্পেটিং করা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে কদম আলী মেসের সামনের অংশ থেকে পৌরসভার কানিপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরা ছিল। বিশেষ করে বর্ষায় গর্তে পানি জমে পথচারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েও কাজ হচ্ছিল না। তবে সংবাদ প্রকাশের পরপরই কাজ শুরু হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তারা সংস্কারকাজটি দ্রুত ও টেকসই করার দাবি জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম জানান, এটি একটি ব্যস্ত ও জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। রাস্তার বেহাল দশার কথা জানতে পেরে তিনি নিজেই এটি পরিদর্শন করেন। রাস্তাটি সিটিসিআরপি প্রকল্পে তালিকাভুক্ত রয়েছে। তবে মূল প্রকল্পের কাজ শুরু হতে দেরি হওয়ায়, জনদুর্ভোগ কমাতে আপাতত পৌরসভার তহবিল থেকে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকবে।

Ads small one

আশাশুনিতে জলবায়ু অভিযোজন প্রচারাভিযান উপলক্ষে র‌্যালি ও সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জলবায়ু অভিযোজন প্রচারাভিযান উপলক্ষে র‌্যালি ও সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জলবায়ু অভিযোজন প্রচারাভিযান ২০২৬ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিটি উপজেলা মডেল মসজিদে গিয়ে শেষ হয়। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সাহেলা পারভিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম এবং সাংবাদিক কল্যান ব্যানার্জী। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘বারসিক’-এর উপজেলা ম্যানেজার আসাদুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে মাসুম বিল্লাহ, রোকসানা পারভিন, প্রবীর কুমার ও ফাতেমা খাতুন বক্তব্য দেন।

বর্ষা শুরু হতেই জলাবদ্ধতার আতঙ্কে ভোমরা বন্দরবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
বর্ষা শুরু হতেই জলাবদ্ধতার আতঙ্কে ভোমরা বন্দরবাসী

ভোমরা সংবাদদাতা: আষাঢ়-শ্রাবণের বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর এলাকায় জলাবদ্ধতার পুরনো আতঙ্ক নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হলেই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকা পানিতে ডুবে যায়।
বন্দরের প্রধান সড়কের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে বাণিজ্যিক ভবন, হোটেল ও দোকানপাট গড়ে উঠলেও পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই স্থলবন্দরের পার্কিং ইয়ার্ড ও কাস্টমস হাউসের ভেতরে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে আমদানি পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং নোংরা পানিতে দাঁড়িয়ে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বর্তমানে সেচ পাম্পের সাহায্যে সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু হাসান জানান, জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন পথচারী ও শিক্ষার্থীরা। সড়কে পানি জমে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি বর্জ্যমিশ্রিত নোংরা পানির কারণে চর্মরোগ ও মশাবাহিত রোগের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, জলাবদ্ধতায় বন্দরে উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শ্রাবণের প্রবল বর্ষণের আগেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

নৈশপ্রহরীকে ২০ ঘণ্টা ডিউটি করানোর অভিযোগ বানোয়াট: প্রধান শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
নৈশপ্রহরীকে ২০ ঘণ্টা ডিউটি করানোর অভিযোগ বানোয়াট: প্রধান শিক্ষক

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় খড়িয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীকে দিনে ও রাতে মিলিয়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করানোর অভিযোগটি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবদাশ মন্ডল। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি এই দাবি করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী তুহিন ঢালী ঠিকমতো পাহারার দায়িত্ব পালন করেন না। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদ্যালয়ের ভেতরে আছেন দাবি করলেও গোপনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সেখানে থাকেন না। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সহকারী শিক্ষক রথীন্দ্রনাথ সরদারকে বিদ্যালয়ে পাঠানো হলে তিনি তুহিন ঢালীকে সেখানে পাননি। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং অন্য কোনো স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি বিদ্যালয়ে ঢুকে তাকে হয়রানি করেছেন এবং গণমাধ্যমে মিথ্যা খবর ছড়িয়েছেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানান, বিদ্যালয়টির পড়াশোনার মান ভালো এবং এলাকার মেয়েরা এখান থেকে পড়াশোনা করে বিভিন্ন জায়গায় সুযোগ পাচ্ছে। কিছু অসাধু মানুষ ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের নামে এমন মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
তবে নৈশপ্রহরী তুহিন ঢালীর দাবি, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত তাকে বিদ্যালয় পাহারা দিতে হয়। এরপর আবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে শিক্ষকদের নির্দেশনা ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে হয়।