সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টিপ্রিনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এপিসিইউ-ডিএএম অংগ’ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা আজ (সোমবার) খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম. এম. আরিফ পাশা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেন, কৃষি দেশের প্রধান চালিকা শক্তি। দেশের ৪৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু আমাদের কৃষি ব্যবস্থা সেই পুরনো রয়ে গেছে। বর্তমানে বাজারমুখি বিশ^ব্যবস্থার সাথে তাল মেলাতে গেলে আমাদের সনাতন কৃষি ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের আমদানি কমাতে হবে এবং কোয়ালিটি ফুড উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে হবে।

খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপপরিচালক মোছা: শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ সিফাত মেহনাজ ও পার্টনারের এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুলাহ আল ফারুক। কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনারের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার তৌহিদ মো: রাশেদ খান ও খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুমন হোসাইন। কৃষি বিপণন কার্যালয় এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের কার্যক্রম বিষয়ক মতামত তুলে ধরেন।
পার্টনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষি ব্যবসায় যুবক ও নারীদের উৎসাহিত করার জন্য সারাদেশে ২০ হাজার জনকে অন-দ্যা-জব প্রশিক্ষণ প্রদান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার নারী ও আট হাজার যুবক।

 

২০ হাজারের মধ্যে ছয় হাজার পাঁচশত ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে তিন হাজার আটশত ১৫ জন নারী উদ্যোক্তা এবং দুই হাজার সাতশত ৬০ জন পুরুষ উদ্যোক্তা। এই প্রকল্পটি দেশের আটটি বিভাগে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ ৬৪টি জেলা ও ২০৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ম্যাবস সদস্য, আড়তদাররা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

Ads small one

কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ও পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ও পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সদরে অবস্থিত রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে অবসরপ্রাপ্ত ৭ শিক্ষক-কর্মচারী এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় কলেজের হলরুমে এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রীবাস চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচএম রহমাতুল্লাহ। তিনি বলেন, বর্তমানে নারীরা পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালনের পাশাপাাশি কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন ও দেশের উন্নয়নে সর্বাত্মক ভূমিকা রেখে চলেছে। এজন্য নারীদের উচ্চশিক্ষা অর্জন করার বিকল্প নেই। নারীদের শিক্ষা লাভের পথ সুগম করতে আমার পিতা অ্যাডভোকেট এম মনসুর আলী ১৯৮৯ সালে রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি মহিলা কলেজ গড়ে তুলেছিলেন সেটি যথাযথভাবে পূরণ হয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, এই কলেজটি আমার আবেগের সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। আগমী দুই বছরের মধ্যে কলেজের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে। কলেজটি সরকারিকরণের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

কলেজের পরিচালনা পর্ষদের শিক্ষক প্রতিনিধি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম অ্যাডভোকেট এম মনসুর আলীর পুত্রবধূ বাংলাদেশ বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সেতারা নাসরিন নিশি।

আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য শেখ নাজমুল হোসেন, শেখ সাইফুল বারী, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, ইন্দ্রজিত কুমার মন্ডল, শ.ম মমতাজুর রহমান, সহকারী গ্রন্থাগারিক মো. সাইফুজ্জামান, কলেজের সহকারী অধ্যাপক দেবব্রত কুমার মিস্ত্রী, সুমা বিশ^াস, প্রভাষক আওছাফুর রহমান প্রমুখ।

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখে সাদিয়া তাবাসসুম ইশা, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জাহানারা রিপা ও জান্নাতুল মাওয়া রাহী।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপারিনটেন্ডেন্ট শেখ শফিউল্লাহ। অনুষ্ঠান থেকে ৬ সহকারী অধ্যাপক এবং ১ অফিস সহায়ককে বিদায় সংবর্ধনার ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এ সময় কলেজের পরিচালনা পষৃদের সভাপতি এইচএম রহমাতুল্লাহ ও তার সহধর্মিনী সেতারা নাসরিন নিশি এবং কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রীবাস চন্দ্র রায়কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য রেজাউল ইসলাম রেজা, উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের সদস্য খাইরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক রেজাউল হক, তারক চন্দ্র সরকার, আব্দুল ওহাব, মিজানুর রহমান, নাসিম সুলতানা, সুকুমার ঘোষ, মোশাররফ হোসাইন চৌধুরী, তৌহিদুর রহমান, নাজিমুদ্দীন আহম্মেদ, বিকাশ চন্দ্র মিস্ত্রী, মাসুদুর রহমান, বিলকিস আক্তার, ইকবাল খলিল খান, আরেফা ফারজানা, রতন কুমার ঘোষ, ডিএম নাসির উদ্দীন, প্রভাষক আমিনুর রহমান, অলিউর রহমান, সাইয়েদাতুন্নেছা মুক্তা, শম্পা রানী মৃধা, নন্দলাল মন্ডল, শাহিনুর রহমান, হাফিজুর রহমান, তপন কুমার ঘোষ. নবতরণ গায়েন, তৃপ্তি মূখার্জী, অনিমা রপ্তান, হালিমা পারভীন, গোলাম রহমান, প্রদর্শক মাজেদা খাতুন, সনজিত কুমার ঘোষসহ কলেজের কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ঘুঘু পাখি ফেন্সিডিলসহ পনেরো লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ঘুঘু পাখি ফেন্সিডিলসহ পনেরো লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: সোমবার (২২ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, ঘোনা, তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও চান্দুরিয়া বিওপি টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ ও পাখি এবং ফেন্সিডিল আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সদর থানার কুলিয়া রোড চৌরাস্তার মোড় হতে ৪ লাখ টাকার চিংড়ি মাছের রেনু পোনা আটক করে।

ঘোনা বিওপির আভিযানে দাঁতভাঙ্গা কলেজ এলাকা হতে ১২ হাজার টাকার ঘুঘু পাখি আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সদর থানার শালবাগান হতে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার গেড়াখালি ও ভাদিয়ালি হতে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে ভাদিয়ালি হতে ৩ লাখ ০৮ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে গোয়ালপাড়া হতে ৩ হাজার ২০০ টাকার ফেন্সিডিল আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা সোমবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে প্রথমেই আমাদের নিজেদের আওতাধীন সকল দপ্তর ধূমপানমুক্ত করতে হবে। প্রতিটি দপ্তরের প্রবেশমুখে দৃশ্যমান স্থানে নো স্মোকিং পোস্টার স্থাপন করতে হবে। যা আমরা সময়ে সময়ে মনিটরিং করবো। তিনি বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহকে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এবং জনসমাগম হয় এমন স্থানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবহিতকরণ কর্মসূচি গ্রহণের নিদের্শনা দেন।

তিনি আরও বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিরোধী প্রচারে মসজিদের ইমামগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমনার একশত মিটারের মধ্যে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় দন্ডনীয় আপরাধ উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির কথা বলেন এবং প্রতি তিন মাস অন্তর ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে বড় উদ্দেশ্য হাসিলে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

সভায় অতিথিরা ই-সিগারেট আমদানি বন্ধ করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধূমপান বিরোধী প্রচার চলমান রাখা, নিউমার্কেট, বিএল কলেজসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসকে ধূমপানমুক্ত রাখা এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিরোধী মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো: কামরুল ইসলাম, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ তামাক বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী