বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

চার মাসের মধ্যে খুলনা চেম্বারের নির্বাচন, দুই কর্মকর্তাকে অব্যাহতির নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চার মাসের মধ্যে খুলনা চেম্বারের নির্বাচন, দুই কর্মকর্তাকে অব্যাহতির নির্দেশ

পত্রদূত ডেস্ক: খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজে নতুন প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে চার মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চেম্বারের বিতর্কিত দুই কর্মকর্তাকেও অব্যাহতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার পৃথক দুই অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রথম আদেশে বলা হয়েছে, খুলনা চেম্বারের প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)-এর দায়িত্ব ২৯ এপ্রিল শেষ হয়েছে। তবে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সকল কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য চলমান রাখার লক্ষ্যে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ১৭ ধারা মোতাবেক খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলমকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হলো। তিনি চার মাসের মধ্যে আবশ্যিকভাবে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে এ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।

এছাড়া বাকি অফিস আদেশে বলা হয়েছে, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চুক্তিভিত্তিক সচিব নূর রুখসানা বানু এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি (এস্টেট) বিশ্বরূপ সরকারের বিষয়ে নিয়োগ বিধি ও নিয়োগপত্রের শর্তাবলী অনুসারে নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত চেম্বারের যাবতীয় কার্যক্রম হতে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

Ads small one

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৯ মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৯ মৃত্যু

দেশের হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার ২৫ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত) ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হামে রোগীর সংখ্যা ৮৯৩ জন। আর নিশ্চিত হাম শানাক্ত হয়েছে ৫২ জনের।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৮০ হাজার ৪৯৭ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ৭৬ হাজার ৭৮৮ জন।

১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০৫। এ সময় নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের।

 

দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম।

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশফাক হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কে. এম. রেজাউল করিম, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুস সাত্তার এবং আশার আলোর প্রতিনিধি আব্দুল গনি। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুলের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে সকল শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের সচেতন করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

 

আশাশুনির জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
আশাশুনির জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

আশাশুনি সংবাদদাতা: একসময় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিল, খাল, পুকুর ও জলাশয়গুলোতে শাপলা ফুলের বাহার ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্ষা এলেই ফুটে উঠতো সাদা, লাল ও বেগুনি রঙের শাপলা, যা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, গ্রামীণ জীবনের এক আবেগময় অংশ হিসেবেই পরিগণিত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আশাশুনির সেই অপরূপ দৃশ্য ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।

 

জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত আধুনিকায়ন, জলাশয় ভরাট, রাসায়নিক বর্জ্য এবং অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ফলে আজ বিলুপ্তির পথে প্রাকৃতিক জলজ উদ্ভিদ শাপলা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রামের শিশুরা সকাল সকাল শাপলা তুলতে পুকুরে যেত। মায়েরা রান্নার উপকরণ হিসেবে শাপলার ডাটা সংগ্রহ করতেন। শাপলার শিকড় (ঢ্যাঁড়শের মতো অংশ) ছিল গ্রামীণ পুষ্টিকর খাদ্য, যা পেটের নানা রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।

বিশেষ করে প্রতিটি গ্রামে পুকুরঘাট, বিল বা খালের ধারে বসে শাপলা ফোটা দেখার যে অপার আনন্দ ছিল তা আজ শহুরে যান্ত্রিকতার ভিড়ে চাপা পড়ে যাচ্ছে। আশাশুনির বড়দল, খাজরা, বুধহাটা, কাদাকাটি, আনুলিয়া, শ্রীউলা, প্রতাপনগরসহ অনেক এলাকায় এখন আর আগের মতো শাপলা দেখা যায় না।উপজেলা কৃষি ও পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, শাপলা শুধু একটি ফুল নয় এটি একটি জীববৈচিত্র্যবান এলাকার পরিচায়ক।

 

এটি জলাশয়ের স্বাস্থ্যবিধান রক্ষা করে এবং ছোট মাছের আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। ফলে শাপলা বিলুপ্ত হওয়া মানে শুধু ফুল হারানো নয়, একটি জীববৈচিত্র্যগত ভারসাম্যের বিপর্যয়ও। আশাশুনি সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সজল কুমার আঢ্য মনে করছেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের প্রকৃতি চেনাতে হলে, গ্রামীণ সৌন্দর্য টিকিয়ে রাখতে হলে স্থানীয় জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে বিল ও খাল পুনরুদ্ধার, রাসায়নিক দূষণ রোধ এবং শাপলা সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।পরিবেশবান্ধব আশাশুনি গড়তে হলে প্রকৃতির এই নিঃশব্দ ধ্বংস ঠেকাতে কার্যকর নীতিমালা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।