মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ডোরাকাটা মাল্টা ছাদ বাগান বা টবে চাষ করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
ডোরাকাটা মাল্টা ছাদ বাগান বা টবে চাষ করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): ডোরাকাটা মাল্টা হলো থাইল্যান্ডের একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং চমৎকার লেবুজাতীয় ফল। যা মূলত ভেরিগেটেড মাল্টা বা রঙিন মাল্টা নামে পরিচিত। এর বাহ্যিক রূপ এবং চমৎকার স্বাদের কারণে এটি বর্তমানে সৌখিন বাগানীদের ছাদবাগান এবং বাণিজ্যিক চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

ডোরাকাটা মালটা হলো মালটার একটি আকর্ষণীয় ও নতুন জাত। এর কাঁচা অবস্থায় গায়ে সবুজ ও সাদার ডোরাকাটা দাগ থাকে এবং পাকা অবস্থায় হলুদ ও হালকা হলুদ ডোরা দেখা যায়। এর পাতা ও ফল উভয়ই দেখতে খুব সুন্দর হওয়ায় এটি শৌখিন ও ছাদবাগানে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

ডোরাকাটা মাল্টা ফলের ত্বকে সবুজ এবং হলুদের চমৎকার ডোরাকাটা বা জেব্রা প্রিন্টের মতো দাগ থাকে। শুধু ফলই নয়, এই গাছের পাতাও সাধারণ মাল্টা গাছের মতো পুরো সবুজ হয় না, পাতাতেও সাদা-সবুজ বা হলুদ-সবুজের মিশ্রণ (ভেরিগেটেড) থাকে। এটি অত্যন্ত রসালো এবং মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। গাছটিতে ঝোপালো অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে ফল ধরে।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হিতামপুর গ্রামে অবস্থিত রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল জানান, তার নার্সারীতে ডোরাকাটা মাল্টা, বারোমাসি আম, আমড়া, থাই পেয়ারা, জাম্বুরা, দার্জিলিং কমলা, মিষ্টি জলপাই, মিয়াজাকি আম, ব্যানানা ম্যাংগো, আপেল কুল, ছবেদা, কাঁঠাল, থাই ডালিম, ত্বিন, লাল পেয়ারা, কামরাঙা, মালবেরিসহ কয়েক ডজন দেশ-বিদেশি ফলের চাষ হচ্ছে।

ডোরাকাটা মাল্টা ড্রাম বা টবে ঘরের ছাদবাগানে যেমন সহজে চাষ করা যায়, তেমনি জমিতেও এর বাণিজ্যিক ফলন সম্ভব। চাষাবাদের সুবিধাএই জাতটি ছাদের সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দারুণ ভূমিকা রাখে। সাধারণ মাল্টা গাছের মতোই এর পরিচর্যা করতে হয় এবং অল্প দিনের মধ্যেই গাছ থেকে ফল পাওয়া শুরু হয়।

থাইল্যান্ডের জাতটি দেখতে খুবই আকর্ষণীয় এবং ফলনও অনেক বেশি। বাজারে আমদানি করা সাধারণ মাল্টার চেয়ে ডোরাকাটা মাল্টা পাঁচ থেকে ছয় গুণ বড় হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাল্টাটির ওজন এক কেজি ছাড়িয়ে যায়। সুস্বাদু ফলটি এ দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা শুরু হয়েছে।
ছাদবাগানের জন্য হাফ ড্রাম বা বড় টবে এই গাছ খুব সহজে চাষ করা যায়। কলমের চারা হওয়ায় রোপণের প্রথম বছরের মধ্যেই গাছে ফুল ও ফল চলে আসে। গাছে ফল না থাকলেও এর সুন্দর পাতার ভ্যারিয়েশনের কারণে এটি ছাদবাগান বা বাড়ির আঙিনার সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

Ads small one

পাইকগাছায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কম দেওয়ায় দুই ডিলারকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কম দেওয়ায় দুই ডিলারকে জরিমানা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল ওজনে কম দেওয়ার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই ডিলারকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

জানা যায়, উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণের সময় ওজনে কারচুপি ও নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম চাল বিক্রয় করা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

 

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ডিলার মোঃ মাজাহারুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা এবং মির আজিজুর রহমানকে ১০ হাজার টাকা মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ হাসিবুর রহমান, চাঁদখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল্লাহ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগণ, পুলিশ ও আনসার সদস্য সহ এলাকার গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, সরকারি সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান রয়েছে। সাধারণ মানুষের হক রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কেশবপুর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তিন নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য সুভাষ দেবনাথ (৬৪), ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সবুর শেখ (৬০) এবং ৯নং গৌরিঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা মোসলেম উদ্দিন ফকির (৫৫)। এছাড়াও মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন (২৬) এবং একই উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের মাদক সেবনকারী দিপু (২৮)।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাগরদাঁড়ি গ্রামের মৃত শিবপদ দেবনাথ এর ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ইউপি সদস্য সুভাষ দেবনাথ (৬৪) এবং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের শেখপুরা গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সবুর শেখ (৬০) এবং ৯নং গৌরিঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোসলেম উদ্দিন ফকির (৫৩) কে গ্রেপ্তার করে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ আগস্ট উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের ভাদুড়িয়া মোড় এলাকায় নাশকতা মামলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মামলা নং-১৪।

অপরদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন এর দিক-নির্দেশনায় ভাল্লুকঘর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক দেব কুমার দাস, সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক নারোদ বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌর শহরের গাজীর মোড় এলাকা থেকে ৭০ পিচ ইয়াবা-সহ ইব্রাহিম হোসেন (২৮) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে। সে পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের আবু কাসেম গাজীর ছেলে।

 

মাদকসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। যার মামলা নং-১৪। এছাড়াও আরেক অভিযানে উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে মনিরামপুর উপজেলার হাজরাকাঠি গ্রামের মফিজ দফাদারের ছেলে দিপু (২৮) কে গ্রেপ্তার করে সামারি ট্রায়াল আইনে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিদের মঙ্গলবার দুপুরে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চুরি, ছিনতাই, মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত উপজেলা গড়তে থানা পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে পুলিশের পৃথক অভিযানে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিবাগত গভীর রাতে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে এসআই কে এম নাসির উদ্দিন, দীপ্তিস ঢালী, এএসআই ইমদাদুল হক, আনজির, অমিত হাসানসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের একপর্যায়ে বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামের মো. রফিকুল বিশ্বাস (আঙ্গুর)-এর ছেলে মো. রমজান বিশ্বাস (৩০) কে তার নিজ বাড়ি থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া শ্যামনগর থানার সিআর-১৬১/২৬ মামলার আসামি আশাশুনি উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে মো. ইমদাদুল হক (৩০), সিআর-১১৯০/২৫ মামলার আসামি পাইথালী গ্রামের গফফার গাইনের ছেলে কামরুল ইসলাম এবং সিআর-১২৫/২৪ মামলার আসামি বালিয়াপুর গ্রামের সামছের সরদারের ছেলে ছালেক সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।