শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই মাসে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
দুই মাসে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তুলে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারা দেশে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইউনিয়নভিত্তিক খেলার মাঠ স্থাপন ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণসংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। এরই অংশ হিসেবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯০টি মাঠ খেলাধুলার উপযোগী করে সেখানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়।

নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ দেন। নতুন প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মাঠগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বৈঠকে জানানো হয়, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন তিন থেকে সর্বোচ্চ আট বিঘা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খুলনা থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ ক্রীড়া কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

বৈঠকে বিদ্যমান উপজেলা স্টেডিয়ামগুলো সচল ও খেলাধুলার উপযোগী করা, দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠ উদ্ধার এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের সব খেলার মাঠ সংরক্ষণ, সারা বছর খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ, সুন্দর ও ক্রীড়াবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল আলম খান মিল্টন, ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমীন।

 

Ads small one

কবি হতে আসেনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
কবি হতে আসেনি

ফারুক আহম্মেদ জীবন
আমি তো তোমাদের মাঝে
কবি হতে আসেনি
কেনো তোমরা আমাকে কবি বলো?
আমি তো রবি হয়ে তিমির অমানিশা দূর করতে
আলোক শিখা বিলাতে এসেছি,
বৃষ্টি হয়ে ঝরবো বলে মেঘ হয়ে ভেসেছি।
আমি নিরর্থক আসেনি
আমি তো এসেছি একজন স্বার্থক প্রেমিক হতে
কারোর প্রেমে পড়তে,
কারোর ভগ্ন হৃদয় গড়তে।
এসেছি প্রেম দিতে এসেছি প্রেম নিতে
এসেছি মন উজাড় করে সবাইকে ভালোবাসতে
ভালোবাসা পেতে ভালোবাসা দিতে,
এসেছি ঝা-া হাতে প্রতিবাদের মশাল জ্বালাতে
জালেম শোষকের মসনদ টলাতে
অন্যায় জুলুম অবিচার থামাতে
মুক্তির বিপ্লব ঘটাতে।
তবে, কেনো তোমরা আমাকে কবি বলো?
আমি তো তোমাদের মাঝে
কবি হতে আসেনি
তবে হ্যাঁ, আমি নিরর্থক আসেনি
আমি তো এসেছি একজন স্বার্থক প্রেমিক হতে
কিন্তু দ্যাখো কারোর চোখে
তেমন ভালো প্রেমিকটাও সেটাও হতে পারলাম না
অবশেষে চেয়েছিলাম ধর্মের ছায়াতলে থেকে
একজন ভালো ধার্মিক হব
যাতে রবের ভালোবাসা সুদৃষ্টি পাবো
কিন্তু আমি তেমন ধার্মিকও হতে পারলাম না
চাওয়া-পাওয়া অনর্থক হলো।
আমি তো এসেছি আজ আমাতে যা-কিছু আছে
তোমাদের দিয়ে যেতে সবি,
যেদিন রবো না আর এই ভূমত্ত্ব কুল মাঝে
মানব কায়াতে এই ধরাধামে
সেদিন সমাদরে স্মরণটুকু করো আজকের নামে
আমি হব যেদিন ছবি।

প্রকৃতির শৃঙ্খলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির শৃঙ্খলা

 

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
ভোরের আকাশে রবি হাসে, সোনার আলো ভাসে,
শিশিরভেজা ঘাসের বুকে মুক্তো ঝিলিক জ্বালে।
ভোরের পাখি মধুর সুরে জাগায় বন-প্রান্তর,
নিয়ম মেনে নদী ছুটে চলে নিরন্তর।
নদী চলে সাগর পানে, থামে না তার ধারা,
পাহাড় দাঁড়ায় মাথা তুলে, অটল সে চিরসারা।
দিনের শেষে সন্ধ্যা নামে রাঙা মেঘের ভেলায়,
চাঁদের হাসি জোছনা হয়ে নামে রাতের খেলায়।
তারার মেলা নীল আকাশে জ্বলে আপন তালে,
নিশির হাওয়া ফুলের গন্ধ বিলায় বন-ডালে।
ঋতুর পরে ঋতু আসে, বদলায় ধরার রূপ,
শীতের বুকে কুয়াশা নামে, বসন্তে ফুলের ধূপ।

গ্রীষ্ম আনে তপ্ত রোদন, বর্ষা আনে জল,
শরৎ হাসে সাদা মেঘে, হেমন্তে সোনার ফল।
পাতার ফাঁকে বাতাস বাজায় অদৃশ্য এক বাঁশি,
প্রজাপতির রঙিন ডানায় জাগে বনের হাসি।

মৌমাছিরা ফুলের বুকে খোঁজে মধুর দান,

ফুলের গন্ধে ভরে ওঠে প্রকৃতিরই প্রাণ।
নিয়ম মেনে আপন পথে চলে বিশ্বভুবন,
ছন্দে বাঁধা এই পৃথিবী, ছন্দে বাঁধা জীবন।

সূর্য ওঠে নিয়ম মেনে, নিয়ম মেনে নামে,
চাঁদও হাসে আপন তালে নীল আকাশের থামে।
দিনের পরে রাত যে আসে, রাতের পরে দিন,
নিয়ম মেনে ঘুরছে ধরার জীবন-রথ প্রতিদিন।
প্রকৃতিই শেখায় মোদের নিয়ম মানাই ধর্ম,
ছন্দময় এই বিশ্বজুড়ে শৃঙ্খলাই তো মর্ম।
নিয়ম মেনে চললে জীবন সুন্দর হয়ে ওঠে,
শৃঙ্খলারই ছন্দ বাজে সৃষ্টির প্রতিটি পাঠে।

দর্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
দর্পণ

 

মোঃ রহমত আলী
আগুন পারে,
জ্বালিয়ে ছাই করতে,
পানি জানে নিভিয়ে দিতে।

ভাবো, আগুন হবে নাকি পানি?
পাহাড় অটল,
সমুদ্র উদার, তবে
করে না হুকুমের খিলাফ।
ভাবো, কে কতটা দায়িত্বশীল?
সাত জমিন,
সাত আসমান,
হাওয়া উন্মুক্ত সদা বহমান।
ভাবো, কে কৃতজ্ঞ ও চিন্তাশীল?
ছায়া বদলায়,
মায়া জন্মায়, তবে
মাটির ধর্ম ধৈর্য, মানে সবর।
ভেবে দেখো, তবে কেন এত গর্ব?