বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবাদুল, আরিফুল, সামাদ, খাইরুলসহ তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল চারটায় বড় শান্তা প্রাইমারি স্কুলের সামনে দুই উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুস সামাদের পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেবহাটা উপজেলা শাখার আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সবুজ, কুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস চন্দ্র ম-ল, জামায়াত কর্মী কোহিনুর ইসলাম, বন্ধু মহল সংগঠনের সভাপতি অজয় কুমার ম-ল, টিকেট পূজা ম-পের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ সরকার এবং বদরতলা বাজার কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম। মানববন্ধনে স্থানীয় শত শত মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী বাহিনী স্থানীয় মৎস্য ঘেরগুলোতে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরিসহ নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে। বক্তারা অবিলম্বে এসব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Ads small one

এসএমসি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শেখ সিদ্দিকুর রহমানকে সংবর্ধনা ও অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
এসএমসি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শেখ সিদ্দিকুর রহমানকে সংবর্ধনা ও অভিনন্দন

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জোড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক, বিশ্ব গণমানুষের সেবা ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি, লেখক ও গবেষক শেখ সিদ্দিকুর রহমানকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

অভিনন্দন জানিয়েছেন দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল পত্রিকা পরিবারের সদস্যবৃন্দ, বিশ্ব গণমানুষের সেবা ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্যবৃন্দ, জোড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ, এলাকাবাসী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এছাড়া শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শেখ মোনায়েম, আলহাজ্ব শেখ আসাফুর রহমান, তৈমুর হাসান, যুবদল নেতা প্রিন্স, শেখ সাইফুর রহমান, কবি গুলশান আরা, তামান্না জাবরিন, কবি আবু কাজী প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বার্তায় তাঁরা বলেন, একজন শিক্ষানুরাগী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সমাজসেবী হিসেবে শেখ সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও আধুনিক শিক্ষা-পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা। তাঁরা তাঁর সার্বিক সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

পাইকগাছায় বিলুপ্তির পথে বর্ষার কদম ফুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিলুপ্তির পথে বর্ষার কদম ফুল

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): কদম ফুল বর্ষার রূপ ও প্রকৃতির এক অনন্য আশীর্বাদ। এর গোল বলের মতো আকার, সাদা ও হলুদ-কমলা রঙের মিশ্রণ এবং মিষ্টি সুবাস বর্ষাকালের স্নিগ্ধতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দেওয়া কদম ফুল যে কারো মন কেড়ে নেয়।

শুরু হয়েছে বর্ষাকাল। প্রকৃৃতিও সাজে কদম ফুলের সৌন্দর্যে। বর্ষার প্রতীক হয়ে যেন পাইকগাছার প্রকৃতিতে আগমন ঘটেছে কদম ফুলের। উপজেলার চারদিকে কদম ফুলের সমারোহ। সড়কের ধারে কদমগাছে পাতার সঙ্গে ফুটে আছে হলদে রঙের কদম ফুল। সেই সঙ্গে শিশু, কিশোর ও কিশোরীরা মেতে ওঠে আনন্দে। বাসাবাড়ির কাছে সহজে মেলে এই কদম ফুল। কদমের ঘ্রাণ আর আষাঢ়ে বর্ষায় শিশুদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। মেতে উঠে কদম ফুলের উৎসবে।

খুলনার উপকূলের পাইকগাছা পৌর সদর, গদাইপুর, কপিলমুনি, হরিঢালী, রাড়ুলীসহ বিভিন্ন এলাকায় কদম ফুল ফুটতে দেখা গেছে। পথে-প্রান্তরে কদম গাছগুলো ভরে উঠতে শুরু করেছে ফুলে ফুলে। কদম ফুলের গন্ধে যেনো গ্রামবাংলার চিরচেনা গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। চকচকে উজ্জ্বল সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফোটে থাকা কদম ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃৃতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

বর্ষার আগমনী বার্তা নিয়ে আসে কদম ফুল। তাই, কদম ফুলকে বলা হয় বর্ষার দূত। বাংলা কবিতা ও গানেও সমভাবে সমাদৃত হয়েছে বর্ষাকাল ও কদম। বর্ষার সঙ্গে কদম ফুলের যেন এক নিবিড় সম্পর্ক প্রাকৃতিকভাবেই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় কদম ফুল ফুটেছে। সড়কে যাতায়াতের সময় হঠাৎ এ ফুলের গন্ধ ভেসে আসে। যা খুবই ভালো লাগে এবং বিমোহিত করে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কের পাশে, মেঠোপথের ধারে, বসতবাড়ির আশেপাশে, পুকুর ও দীঘির পাড়ের কদম গাছ ছেয়ে আছে মিষ্টি গন্ধেভরা তুলতুলে কদম ফুলে। এসব ফুলের মন ভোলানো সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হচ্ছেন শিশুরাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। শিশুরা এসব ফুল তাদের খেলার অনুষঙ্গ হিসেবেও ব্যবহার করছে। কিশোরীদের চুলের খোপা ও বেনিতেও শোভা পাচ্ছে বর্ষাদূত কদম ফুল। উঠতি বয়েসী কিশোর কিশোরীদের হাতেও শোভা পাচ্ছে এই ফুল। প্রতিটি সড়ক দিয়ে যেতে যেতে কদম ফুলের গন্ধ ও সৌন্দর্য উপভোগ করছেন সবাই।

শিক্ষার্থী মায়া আক্তার বলেন, রূপ, রঙ ও গন্ধে দৃষ্টিনন্দন ফুল কদম। এই ফুল অন্যান্য ফুলের মতো নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি ভিন্নধর্মী ফুল। এই ফুলের হলুদ ও সাদা পাপড়ি আর ভেতরের গোলাকার বলের মতো অংশটি নিয়েই ফুলটির সৌন্দর্য ফুটে উঠে। এ ফুলের সৌন্দর্য অন্য ফুলের তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা। প্রতি বছরই বর্ষা এলে কদম ফুলের প্রেমে পড়তে একরকম বাধ্যই হতে হয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এখন অসময়েও কদম ফুল ফুটতে দেখা যায়। কয়েক বছর আগেও আষাঢ়ের কদম গাছ ফুলে ফুলে ভরে থাকত। কদম ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য ফুল পিপাসুদের তৃপ্তি মিটাতো। বাঙালির ভালোবাসার কদম ফুল এখন প্রকৃতিতে দেখা মেলে খুব কম। ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে এই অপরূপ সৌন্দর্যের প্রতীক কদমগাছ। লাভের অঙ্কের হিসাব মেলাতে মানুষ আর বাড়ির আঙিনায় কদম ফুলের গাছ লাগাতে চায় না। মেহগনি, রেইন্ট্রিসহসহ বিভিন্ন দামি কাঠের গাছ রোপণে ঝুঁকছে।

প্রকৃতির ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে অন্য গাছের পাশাপাশি কদম গাছ রোপণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। কদম গাছ কমে যাওয়ায় এখন মানুষ তার ঐতিহ্য ভুলতে বসেছে। এমনকি কালের বিবর্তনে কদম ফুল গাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

সাতক্ষীরা আদালত চত্বর থেকে হ্যান্ডক্যাপ পরা আসামীর পালানোর ব্যর্থ চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা আদালত চত্বর থেকে হ্যান্ডক্যাপ পরা আসামীর পালানোর ব্যর্থ চেষ্টা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা আদালত চত্বরে পুলিশের হেফাজত থেকে মো: আজমাইন নামের এক আসামীর পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে আশাশুনি থানা থেকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে আসার সময় পালানোর চেষ্টাকালে পুলিশ ও জনতার হাতে আটক হয়।

আজমাইন (২৫) আশাশুনি উপজেলার উত্তর গোদাড়া গ্রামের মনিরুল গাজীর ছেলে।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মঈনুদ্দিন জানান, গত ৩ আগষ্ট গোদাড়া গ্রামে একটি মারপিটের ঘটনায় আশাশুনি থানায় জিআর- ১৫৭/২৬ নং মামলা হয়। ধারা-৩২৩/ ৩০৭/ ৩৭৯/ ৩৫৪/ ৫০৬/ ১১৪ পিসি। ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী হিসেবে আজমাইনকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

বুধবার দুপুর একটার দিকে মহেন্দ্রযোগে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। দেড়টার দিকে আজমাইনকে গারদে নিয়ে যাওয়ার পথে বারান্দায় তোলার সময় হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যায়। দুপুর দুইটার দিকে পলাশপোল বউবাজার এলাকা থেকে পুলিশ ও স্থানীয় জনগন তাকে আটক করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।