শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক জি এম নুরইসলামের স্মরণসভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক জি এম নুরইসলামের স্মরণসভা

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সংবাদপত্র জগতের প্রবীণ ব্যক্তিত্ব এবং জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক দৃষ্টিপাত-এর সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নুরইসলামের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেবহাটা প্রেসক্লাবের আয়োজনে শুক্রবার বিকেল চারটায় পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন দেবহাটা পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে এই স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী উজ্জ্বলের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন দৈনিক দৃষ্টিপাত-এর নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্ল্যা।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অব. বারী, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক মাওলানা এমদাদুল হক, পারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সানা, সাধারণ সম্পাদক হাসান সরাফী, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আইনজীবী জাহাঙ্গীর কবির বাবু, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিক, অধ্যাপক রাজু আহমেদ, অধ্যাপক আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি চিকিৎসা কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান, ফেয়ার মিশনের পরিচালক কাদের মহিউদ্দিন ও সাংবাদিক উত্তম কুমার।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিটন ঘোষ বাপ্পী, কোষাধ্যক্ষ এস কে অভি, সহসভাপতি সুমন পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন, উপজেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক হিরন কুমার মন্ডল, সদস্যসচিব আবীর হোসেন লিয়ন, বিএনপি নেতা গোলাম রসুল খোকনসহ অনেকে।

গত ২৭ আগস্ট দুপুর ১টার পর ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ সাংবাদিক জি এম নুরইসলাম।

নব্বইয়ের দশকে খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর সাংবাদিকতার হাতেখড়ি হয়। পরে ২০০১ সালে তিনি দৈনিক দৃষ্টিপাত প্রকাশ করেন এবং দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করেন।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, জি এম নুরইসলাম একজন সৎ, আলাপচারী ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন। তিনি কখনো প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তাঁর পত্রিকায় কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেননি। অনুষ্ঠান শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

Ads small one

প্রীতি জিনতা প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
প্রীতি জিনতা প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেন

ভারতীয় চলচ্চিত্র বলিউডে দীর্ঘ শিফটে কাজ করা নিয়ে একের পর এক বিতর্ক চলছে বেশ কিছু দিন ধরেই। এ নিয়ে দীপিকা পাড়ুকোনসহ বেশ কয়েকজন তারকা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন। এই বিতর্কের মধ্যেই বলিউডের ‘ডিম্পল গার্ল’ প্রীতি জিনতা টানা দীর্ঘ সময় শুটিং করে আলোচনায় এসেছেন।

সম্প্রতি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমা দিয়ে প্রায় এক দশকের বিরতি ভাঙেন বলিউডে এক সময়ের পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। এবার তাকে দেখা যাবে কুনাল খেমুর পরিচালনায় ‘ভাইব’ সিনেমায়। সিনেমাটির শুটিং করতে গিয়ে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টার মতো কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই। ২ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে ভাইব’র জমকালো ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।

এ সময় বলিউডে দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রীতি। সেখানে তিনি জানান, শুটিং দ্রুত শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানদের কাছে ফিরতেই প্রতিদিন লম্বা সময় কাজ করেছেন। প্রীতি জিনতার ভাষ্য অনুযায়ী, ভাইব’র শুটিংয়ের সময় প্রতিদিনই দীর্ঘ শিফটে কাজ করতে হয়েছে। তবে এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। অভিনেত্রী জানান, তিনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভারতে এসেছিলেন।

তাই যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানদের কাছে ফিরতে চেয়েছিলেন। বলিউডে অভিনেতাদের কর্মঘণ্টা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। গত বছর দীপিকা পাড়ুকোনের ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে সরে যাওয়ার খবরের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এমনকি তিনি ‘কালকি’র মতো বড় সিনেমায় বাদ দেন। দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার শর্ত নিয়ে নির্মাতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধের খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

ভাইব সিনেমাটিতে প্রীতি জিনতার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ‘লাপাত্তা লেডিজ’ খ্যাত স্পর্শ শ্রীবাস্তব, বংশিকা ধীর, যশপাল শর্মা ও দিনেশ লাল যাদব। ড্রঙ্গো ফিল্মসের ব্যানারে কুনাল খেমু ও চিরাগ নিহালানি প্রযোজিত সিনেমাটি অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওসের।

বিশ্বকাপজয়ী লরেন্তে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপজয়ী লরেন্তে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন

জুলাইয়ে স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন লরেন্তে। টুর্নামেন্টে রাইট-ব্যাক হিসেবে টটেনহ্যামের পেদ্রো পোরোর ব্যাকআপ হিসেবে খেলেছেন তিনি। গ্রুপ পর্বের দুটি ম্যাচে একাদশে ছিলেন লরেন্তে। এরপর অবশ্য নকআউট পর্বে তার খেলার সুযোগ খুবই সীমিত ছিল। ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যাচের শেষ দিকে মাঠে নেমে স্পেনের জয় নিশ্চিত করার সময় দলের সঙ্গে ছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপ হাতে নিজের একটি ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে লরেন্তে লেখেন, ‘আমি জানি, আমি এখনো তরুণ এবং ভালো পারফর্ম করতে থাকলে এই জার্সিতে হয়তো আরও কয়েক বছর খেলার সুযোগ আমার থাকত। কিন্তু এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা আমি খুব ভেবেচিন্তে নিয়েছি।’

জাতীয় দল থেকে তার বিদায়ের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছে বিস্ময়কর মনে হতে পারে সেটিও স্বীকার করেছেন লরেন্তে। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আপনাদের অনেকেই এই সিদ্ধান্ত বুঝতে পারবেন না। সত্যি বলতে, বাইরে থেকে দেখলে আমিও হয়তো বিষয়টি বুঝতে পারতাম না।’

ছয় বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে স্পেনের হয়ে ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন লরেন্তে। তবে বিশ্বকাপে যাওয়া বা শিরোপা জয়ের সঙ্গে তার সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও পরিষ্কার করেছেন তিনি।

লরেন্তের ভাষায়, ‘আমি বিশ্বকাপে যেতাম কি না, আমরা বিশ্বকাপ জিততাম কি না সেটি যা-ই হোক, আমি এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম।’

জাতীয় দলের হয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতাগুলো আজীবন মনে রাখবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যা কিছু পেয়েছি, সবকিছুই সযত্নে মনে রাখব। তবে সবচেয়ে বেশি মনে থাকবে এই শেষ ৫২ দিন। এমন একটি অসাধারণ দলের সঙ্গে ছিলাম, যারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে স্পেনকে সবার ওপরে তুলে ধরতে। আর তারা সেটিই করেছে।’

রিয়াল মাদ্রিদে ক্যারিয়ার শুরু করা লরেন্তে ২০১৯ সালে শহরের আরেক ক্লাব অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদে যোগ দেন। ক্লাব ক্যারিয়ারে তার রয়েছে দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা ও একটি লা লিগা ট্রফি।

ওজন কমাতে পারে যে তিন স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া নাশতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমাতে পারে যে তিন স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া নাশতা

এমনিতেও স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া নাশতা খুবই জরুরি। তার ওপর যদি তা হয় ওজন নিয়ন্ত্রণে কম ক্যালরির খাবার তাহলে তো কোনো কথাই নাই। কারণ কম ক্যালরির নাশতা ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘরে তৈরি পুষ্টিকর নাশতা শরীরকে প্রয়োজনীয় ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

তাই প্রক্রিয়াজাত উচ্চ–ক্যালোরির খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া নাশতা বেছে নেওয়া ওজন কমানো ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখার একটি সহজ ও কার্যকর উপায়।

হিন্দুস্থান টাইমসে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জেনে নেয়া যাক ১০০ ক্যালোরির কম ৩টি স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া নাস্তা রেসিপি।

১. শসা ও গ্রিক ইয়োগার্ট কাপ

 

শসা ও গ্রিক ইয়োগার্ট দিয়ে তৈরি এই নাস্তাটি সতেজ, প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত। শসা শরীরকে আর্দ্র রাখে, আর গ্রিক ইয়োগার্ট প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস।
পরিবেশন : ২ জন

ক্যালোরি : প্রতি পরিবেশনে প্রায় ৭০ কিলোক্যালোরি।

উপকরণ—
১টি মাঝারি শসা
হাফ কাপ গ্রিক ইয়োগার্ট
হাফ চা চামচ ভাজা জিরার গুঁড়া
হাফ চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া
স্বাদমতো লবণ
কুচি করা ধনেপাতা

প্রস্তুত প্রণালি—

শসা মোটা গোল করে কেটে নিন।

গ্রিক ইয়োগার্টের সঙ্গে জিরার গুঁড়া, গোলমরিচ ও লবণ মিশিয়ে নিন।

প্রতিটি শসার টুকরোর ওপর দইয়ের মিশ্রণ দিন।

 

ধনেপাতা ছিটিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন।

২. মুচমুচে ভাজা ছোলা

 

ভাজা ছোলা উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিন, ফাইবার ও আয়রনের ভালো উৎস। এটি সহজে সংরক্ষণ করা যায় এবং স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে উপযোগী।

 

পরিবেশন: ২ জন

ক্যালোরি : প্রতি পরিবেশনে প্রায় ৯৫ কিলোক্যালোরি

 

উপকরণ—

১ কাপ সেদ্ধ ছোলা

১ চা চামচ অলিভ অয়েল

হাফ চা চামচ পাপরিকা

হাফ চা চামচ জিরার গুঁড়া

স্বাদমতো লবণ

প্রস্তুত প্রণালি—

সেদ্ধ ছোলা ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।

তেল ও মশলা দিয়ে মাখিয়ে নিন।

বেকিং ট্রেতে ছড়িয়ে দিন।

২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২৫–৩০ মিনিট বেক করুন।

সামান্য ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

৩. আপেল ও দারুচিনির স্লাইস

এই সহজ নাস্তায় আপেলের প্রাকৃতিক মিষ্টতার সঙ্গে দারুচিনির সুগন্ধ মিলে দারুণ স্বাদ তৈরি করে।

পরিবেশন : ২ জন

ক্যালোরি : প্রতি পরিবেশনে প্রায় ৮৫ কিলোক্যালোরি।

উপকরণ—

১টি মাঝারি আপেল

হাফ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া

১ চা চামচ লেবুর রস

প্রস্তুত প্রণালি—

আপেল ধুয়ে পাতলা স্লাইস করে নিন।

দারুচিনির গুঁড়া ছিটিয়ে দিন।

লেবুর রস ছড়িয়ে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন।