শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

নবম পে স্কেলের গেজেট চূড়ান্ত পর্যায়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
নবম পে স্কেলের গেজেট চূড়ান্ত পর্যায়ে

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সব জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নতুন পে স্কেলের গেজেট জারি করতে চায় সরকার।

এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে।

ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে। পরবর্তী সময়ে ওই মাসগুলোর বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো আগামী সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হতে পারে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে পরবর্তী বৃহস্পতিবারের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত করা চূড়ান্ত খসড়ায় বেতন ও ভাতা কত শতাংশ বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় এটি ঘোষণা করা হতে পারে।

গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানান, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তা দ্রুত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতোমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।

জানা গেছে, সচিব কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকরের পরিকল্পনা রয়েছে।

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে একই বেতন কাঠামোয় থাকা সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের ১৮০ দিন উপলক্ষে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।

ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

সেলিম হোসেন: সাতক্ষীরায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষ। বাজারে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, চিনি, আটা, সবজি ও মসলাজাতীয় পণ্যের বাড়তি দামে সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বিশেষ করে কাঁচা সবজি ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গত জুলাইয়ে টানা বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরার বাজারে কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
এদিকে পেঁয়াজ ও রসুনের দামও কয়েক দিনের ব্যবধানে বেড়েছে। জুলাইয়ে সাতক্ষীরার বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা এবং রসুন ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।
সুলতানপুর বড়বাজারের ক্রেতারা জানান, আয় বাড়ছে না, অথচ প্রতিদিনই বাড়ছে বাজার খরচ। আগে যে পরিমাণ পণ্য কিনতে নির্দিষ্ট বাজেট যথেষ্ট ছিল, এখন একই পণ্য কিনতে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। ফলে অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় কেনাকাটায় কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় সবজি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।
অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে নিয়মিত তদারকি না থাকায় কোনো কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করছেন। তারা নিত্যপণ্যের বাজারে কঠোর নজরদারি ও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।

 

লাবণ্যবর্তী-কাটাখালী সংযোগস্থলে জলকপাটের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
লাবণ্যবর্তী-কাটাখালী সংযোগস্থলে জলকপাটের দাবিতে মানববন্ধন

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটার কুলিয়া-শ্রীরামপুর এলাকার লাবণ্যবর্তী নদী ও কাটাখালী খালের সংযোগস্থলে দ্রুত একটি স্লুইস গেট নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ আগস্ট বিকেলে কুলিয়া বাজার চাররাস্তা মোড়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেয়ার মিশন’ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

 

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে কুলিয়া-শ্রীরামপুর খালের ওই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্লুইস গেট নির্মাণের দাবিটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ফেয়ার মিশনের পরিচালক কাদের মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মেহেদী হাসান সবুজ, উপজেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী, অধ্যাপক রাজু আহমেদ, জামায়াত নেতা মাছুম খান চৌধুরী ও বিএনপি নেতা গোলাম রসুল খোকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

 

শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা প্রধান: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা প্রধান: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

যশোর প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাব্যবস্থাকে আনন্দময় করে তুলতে হবে। শিক্ষকেরা যথাসময়ে ক্লাসে উপস্থিত হলে শিক্ষার্থীরাও উৎসাহিত হবে।

২৭ আগস্ট যশোর পিটিআই মিলনায়তনে মানসম্মত ও নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি মানসিক বিকাশে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ সংস্কার করা হবে। সরকার শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যেখানে শিক্ষকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, বিএএফ শাহীন কলেজের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. মেজবাহ উদ্দিনসহ শিক্ষা কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। পরে প্রতিমন্ত্রী পিটিআই প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন এবং অপরাহ্ণে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল, শিক্ষাবৃত্তি ও খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করেন।