বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

পাইকগাছায় সড়কের মাঝখানে গর্ত; ঝুকি নিয়ে চলছে যানবাহন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় সড়কের মাঝখানে গর্ত; ঝুকি নিয়ে চলছে যানবাহন

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় সড়কের মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী ভারী যানবাহনসহ সব ধরনের পরিবহন মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। গর্তগুলোতে পানি জমে কাদায় পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

আঠারো মাইল পাইকগাছা সড়কের গদাইপুর বাজারে বাক সরলীকরণ করা রাস্তার মুখে মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাক সরলীকরণ করা হলেও দক্ষিণ পোশের রাস্তায় বাক তৈরি হয়েছে। আর বাকের মুখে বড় গর্ত সৃস্টি হয়েছে। স্থানিয়রা গর্তে ভাঙ্গা ইট ফেলে কিছুটা ভরাট করে বাশেঁ লাল কাপড় বেধে দিয়েছে।

উপকূলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা পাইকগাছা। প্রতিদিন মাছ, কৃষি ও বাণিজ্যপণ্য ভারি যানবাহনের সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া ঢাকা, চট্রগ্রাম, ময়মনসিংহগামী পরিবহন, ট্রাক, বাস, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ হাজার হাজার গাড়ী চলাচল করে। গর্তটি সংস্কার না করলে ভেঙ্গে আরো বড়ো হবে বাড়বে দুর্ঘটনা।

প্রায়ই অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও পথচারীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে গর্ত দেখতে না পেয়ে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা উল্টে প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।

খুলনা সওজ, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল ইসলাম বলেন, সড়কের গর্তটি খুব দ্রুত মেরামত করে দেওয়া হবে।

 

Ads small one

আইএইচআর মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
আইএইচআর মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা আজ (বুধবার) বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

প্রধান অতিথি বলেন, আর্ন্তজাতিক স্বাস্থ্যবিধি ২০০৫ সালের একটি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও আজ ২১ বছর পর ২০২৬ সালে এসে আমরা এখনো অবহিতকরণ পর্যায়ে আছি যা অত্যন্ত দু:খজনক। করোনা মহামারীর সময়ে এ ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। আমরা অনেক পিছিয়ে আছি, যার অন্যতম কারণ জনস্বাস্থ্য সমস্যাকে আমরা মনে করি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। অথচ মহামারীর পর্যায়ে যেতে পারে এ ধরণের রোগগুলোকে প্রতিরোধ করতে সব পক্ষকেই সচেতন হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আছে কিন্তু বাস্তবায়ন পর্যায়ে অগ্রগতি কম। বিভিন্ন অংশীজন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম গ্রহণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না হলে আমরা এই আন্ত:সীমান্ত সংক্রামক রোগগুলো মোকাবেলা করতে পারবো না। আবার বিশ^ায়নের যুগে আমরা আইসোলেটেড হয়েও থাকতে পারবো না। তাই সকল ফোকাল পয়েন্ট গুলোকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করেছে। তিনি বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও তার দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সভায় জানানো হয়, যে কোন ধরণের মহামারী প্রতিরোধ করা আর্ন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধির একমাত্র উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর) এর অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ। আইএইচআর, ২০০৫ একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ১৯৬টি সদস্য রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং বজায় রাখার অঙ্গীকার করছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের নৌ, স্থল ও বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, ডাক্তার ও সুনির্দিষ্ট হাসপাতাল থাকা বাধ্যতামূলক। যেকোন কেস সনাক্ত হওয়ার দুই ঘন্টার মধ্যে ফোকাল পয়েন্টে অবহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য, সীমান্তরক্ষা, নিরাপত্তা ও খাদ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের তৎপরতা এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

 

অ্যাডভোকেসি সভায় বিজিবি খুলনা সেক্টরের পরিচালক লে. কর্নেল অনুপ কুমার বিশ^াস, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. আশনাফুন্নাহার, খুলনা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মো: মোজাম্মেল হক, আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক এএসএম আজিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ^াস। সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি কর্মকর্তা ডা. ইনিন ইসিবোর।

অ্যাডভোকেসি সভায় বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় ডিজিএইচএস অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে। তথ্যবিবরণী

সাতক্ষীরায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন

পত্রদূত ডেস্ক: ০৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালনের লক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অধীন সাতক্ষীরা জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে চিত্রাঙ্কন, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং জুলাই স্মৃতিচারণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আগ্রহী সকলকে যোগ্যতা অনুযায়ী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস প্রেরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী ২৫ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) সকাল ১০ টায় জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে চিত্রাঙ্কন ও বেলা ১১ টায় রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিষয় শিশু হতে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ক বিভাগ উন্মুক্ত, তৃতীয় হতে ষষ্ঠ শ্রেণি খ বিভাগ আমার চোখে জুলাই এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন গ বিভাগের শিশুদের বিষয় উন্মুক্ত থাকবে।

রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় পঞ্চম হতে অষ্টম শ্রেণি ক বিভাগ আমার দেখা জুলাই, নবম হতে দ্বাদশ শ্রেণি খ বিভাগ জুলাই গণঅভ্যুত্থান: পটভূমি, তাৎপর্য ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এবং স্নাতক-স্নাতকোত্তরসহ সর্বসাধারণ গ বিভাগ জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জাতীয় ঐক্য।

০১ আগস্ট ২০২৬ (শনিবার) সকাল ১০ টায় জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় পঞ্চম হতে অষ্টম শ্রেণি ক বিভাগ, নবম হতে দ্বাদশ শ্রেণি খ বিভাগ এবং স্নাতক-স্নাতকোত্তরসহ সর্বসাধারণ গ বিভাগ। সকল বিভাগের বিষয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক কবিতা। একই দিন বেলা ১১ টায় জুলাই স্মৃতিচারণ বিষয়ক আলোচনা।

রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজ গ্রন্থাগার থেকে সরবরাহ করা হবে।

ছাত্রছাত্রীদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন পত্র, আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং অন্যান্য প্রতিযোগির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।

সাতক্ষীরায় নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিল ল’ইয়ার্স কাউন্সিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিল ল’ইয়ার্স কাউন্সিল

সংবাদদাতা: “আইন হোক মানবতার, ন্যায় হোক সবার অধিকার”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টায় শহরের সিটি কিচেন (চায়না বাংলা) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল, সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোল্লা আব্দুস সোবহান মুকুলের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি, অ্যাডভোকেট শাহ আলম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, জেলা সেক্রটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, পৌর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি এড.সম সালাউদ্দীন, অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম পান্না, অ্যাডভোকেট শেখ জাকিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শেখ সেলিম আল আজাদ, অ্যাডভোকেট আবুবকর সিদ্দীক, অ্যাডভোকেট বাসারাতুল্লাহ আওরঙ্গী বাবলা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট শাহ আলম বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নবীন আইনজীবীদের দক্ষতা, সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁরা নবীন আইনজীবীদের পেশাগত জীবনে সাফল্য কামনা করেন এবং মানবিক মূল্যবোধ ও পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পরে ২০২৬ সালের তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবীদের সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নবীন আইনজীবী এড বিপ্লব হোসেন বলেন, আইনজীবী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশাজীবন শুরু করতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল, সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজিত এই সংবর্ধনা তাদের নতুন পথচলায় অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছে।

নবীন আইনজীবিরা বলেন, আইন পেশা শুধু একটি জীবিকা নয়, এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার রক্ষার একটি মহৎ দায়িত্ব। সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

নবীন আইনজীবীরা আরও বলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা নিয়ে তারা দক্ষ, মানবিক ও আদর্শ আইনজীবী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে চান। ভবিষ্যতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন অ্যাডভোকেট হাফেজ আল আমিন এবং হামদ পরিবেশন করেন শিল্পী মোহররম হোসাইন।