শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

আইএইচআর মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
আইএইচআর মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা আজ (বুধবার) বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

প্রধান অতিথি বলেন, আর্ন্তজাতিক স্বাস্থ্যবিধি ২০০৫ সালের একটি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও আজ ২১ বছর পর ২০২৬ সালে এসে আমরা এখনো অবহিতকরণ পর্যায়ে আছি যা অত্যন্ত দু:খজনক। করোনা মহামারীর সময়ে এ ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। আমরা অনেক পিছিয়ে আছি, যার অন্যতম কারণ জনস্বাস্থ্য সমস্যাকে আমরা মনে করি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। অথচ মহামারীর পর্যায়ে যেতে পারে এ ধরণের রোগগুলোকে প্রতিরোধ করতে সব পক্ষকেই সচেতন হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আছে কিন্তু বাস্তবায়ন পর্যায়ে অগ্রগতি কম। বিভিন্ন অংশীজন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম গ্রহণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না হলে আমরা এই আন্ত:সীমান্ত সংক্রামক রোগগুলো মোকাবেলা করতে পারবো না। আবার বিশ^ায়নের যুগে আমরা আইসোলেটেড হয়েও থাকতে পারবো না। তাই সকল ফোকাল পয়েন্ট গুলোকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করেছে। তিনি বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও তার দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সভায় জানানো হয়, যে কোন ধরণের মহামারী প্রতিরোধ করা আর্ন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধির একমাত্র উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর) এর অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ। আইএইচআর, ২০০৫ একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ১৯৬টি সদস্য রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং বজায় রাখার অঙ্গীকার করছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের নৌ, স্থল ও বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, ডাক্তার ও সুনির্দিষ্ট হাসপাতাল থাকা বাধ্যতামূলক। যেকোন কেস সনাক্ত হওয়ার দুই ঘন্টার মধ্যে ফোকাল পয়েন্টে অবহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য, সীমান্তরক্ষা, নিরাপত্তা ও খাদ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের তৎপরতা এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

 

অ্যাডভোকেসি সভায় বিজিবি খুলনা সেক্টরের পরিচালক লে. কর্নেল অনুপ কুমার বিশ^াস, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. আশনাফুন্নাহার, খুলনা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মো: মোজাম্মেল হক, আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক এএসএম আজিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ^াস। সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি কর্মকর্তা ডা. ইনিন ইসিবোর।

অ্যাডভোকেসি সভায় বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় ডিজিএইচএস অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে। তথ্যবিবরণী

Ads small one

এক মঞ্চে মেসি-রোনালদো, স্বপ্নের আয়োজন করছেন তেভেজ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
এক মঞ্চে মেসি-রোনালদো, স্বপ্নের আয়োজন করছেন তেভেজ!

পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন ২০২২ সালেই। কিন্তু কার্লোস তেভেজের আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচটা এখনো হয়নি। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে পারে। যদি সব পরিকল্পনা ঠিকঠাক এগোয়, ডিসেম্বরে বোকা জুনিয়র্সের ঘরের মাঠ বোম্বোনেরায় দেখা যেতে পারে ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

প্রায় দুই দশক ধরে বিশ্ব ফুটবলের আলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন মেসি ও রোনালদো। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে দুজনকে একই দলে কিংবা একই মাঠে খেলতে দেখা তাই নিঃসন্দেহে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অবিস্মরণীয় এক দৃশ্য হয়ে উঠতে পারে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সম্প্রতি অবসরের ঘোষণা দেওয়া মেসি এবং পর্তুগালের অধিনায়ক রোনালদো সর্বশেষ একই মাঠে ছিলেন ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে। সেবার একটি প্রদর্শনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুজন। মেসি খেলেছিলেন পিএসজির হয়ে, আর রোনালদো ছিলেন রিয়াদ অল-স্টার একাদশে।

সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৫-৪ গোলে জিতেছিল পিএসজি। মেসি করেছিলেন একটি গোল, আর রিয়াদ অল-স্টার একাদশের হয়ে জোড়া গোল করেছিলেন রোনালদো।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস শনিবার জানিয়েছে, বোকা জুনিয়র্সের সভাপতি ও তেভেজের সাবেক সতীর্থ হুয়ান রোমান রিকেলমের সঙ্গে নিজের বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন নিয়ে কথা বলেছেন তেভেজ। বোম্বোনেরায় ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়ে রিকেলমের কাছ থেকে সবুজ সংকেতও পেয়েছেন তিনি।

তবে ম্যাচের চূড়ান্ত তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সপ্তাহের শুক্র বা শনিবার আয়োজন করা হতে পারে ম্যাচটি।

বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ক্যারিয়ারে তিন দফা খেলেছেন তেভেজ। তিন অধ্যায়ে ক্লাবটির হয়ে ২৭৯ ম্যাচে মাঠে নেমে করেছেন ৯৪ গোল, জিতেছেন ১১টি ট্রফি। তাই তার আনুষ্ঠানিক বিদায়ের জন্য বোম্বোনেরার চেয়ে উপযুক্ত মঞ্চ আর কী-ই বা হতে পারে!

টিওয়াইসি স্পোর্টসের খবর অনুযায়ী, ৪২ বছর বয়সী তেভেজের পাশে বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন তার শৈশবের বন্ধু ও ফুটবল ক্যারিয়ারের ঘনিষ্ঠজনেরা। প্রতিপক্ষ দলেও থাকবেন ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করা তারকারা।

ইউরোপের ফুটবলে ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি ও জুভেন্টাসের মতো বড় ক্লাবে খেলেছেন তেভেজ। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়েও তার পথচলা ছিল এক দশকের বেশি সময়ের। ২০০৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আলবিসেলেস্তেদের হয়ে ৭৬ ম্যাচে মাঠে নেমে করেছেন ১৩ গোল।

সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ জন সাবেক ও বর্তমান তারকা এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে টিওয়াইসি স্পোর্টস। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে বড় দুই নাম মেসি ও রোনালদো। ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং ৪১ বছর বয়সী রোনালদো দুজনকেই আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তেভেজের সঙ্গে রোনালদোর সম্পর্ক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে, আর মেসির সঙ্গে তার সম্পর্ক আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে।

ফলে বোম্বোনেরায় তেভেজের বিদায়ী ম্যাচ সত্যিই যদি মেসি ও রোনালদোকে এক মাঠে হাজির করতে পারে, তাহলে সেটি শুধু একটি বিদায়ী ম্যাচ থাকবে না। পরিণত হতে পারে ফুটবল নস্টালজিয়ার এক মহাউৎসবে।

সিডনিতে শাবনূরের বাসায় অতিথি তাসকিন, জমলো বারবিকিউ আড্ডা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
সিডনিতে শাবনূরের বাসায় অতিথি তাসকিন, জমলো বারবিকিউ আড্ডা

ক্রিকেট মাঠে নয়, সিনেমার পর্দাতেও নয়; সুদূর অস্ট্রেলিয়ার সিডনির এক ঘরোয়া আয়োজনে দেখা মিললো তাসকিন আহমেদ ও শাবনূরের। হাসিমুখে ক্যামেরাবন্দি দুই তারকার সেই মুহূর্ত প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তদের কৌতূহল, কীভাবে একসঙ্গে হলেন ক্রিকেট ও চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় মুখ?

ঘটনার সূত্রপাত সিডনিতে শাবনূরের ভাইয়ের বাসায়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানে বারবিকিউ পার্টিতে যোগ দেন জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। বর্তমানে ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন শাবনূর।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শাবনূরের সঙ্গে তোলা একটি ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন তাসকিন। ছবিতে দুজনকেই দেখা যায় বেশ হাস্যোজ্জ্বল ও স্বতঃস্ফূর্ত ভঙ্গিতে।

পোস্টে তাসকিন জানান, অস্ট্রেলিয়ার সিডনির নিউ সাউথ ওয়েলসে শাবনূরের পরিবারের সঙ্গে বারবিকিউ পার্টিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। পরিবারের আতিথেয়তায় দারুণ একটি সন্ধ্যা কেটেছে বলেও জানান এই ক্রিকেটার।

আয়োজনের জন্য শাবনূর ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাসকিন লেখেন, ‘সেটা একটা সুন্দর সন্ধ্যা এবং বারবিকিউ রাত ছিল। আমাদের আতিথেয়তা করার জন্য শাবনূর আপু ও তার পরিবারকে ধন্যবাদ।’

 

তাসকিনের পোস্টের আগেই অবশ্য এই সাক্ষাতের কথা জানান শাবনূরও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাসকিনের সঙ্গে কাটানো সময়ের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করে তিনি লেখেন, ভাইয়ের বাসায় পরিবারের সঙ্গে প্রিয় ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে বারবিকিউ পার্টিতে দারুণ সময় কেটেছে তাদের।

তাসকিন ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শাবনূর লেখেন, ‘ধন্যবাদ তাসকিন ও তোমার পরিবারকে, তোমাদের সঙ্গে সময়টা সত্যিই সুন্দর ছিলো।’

বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাসকিনের অবদানের প্রশংসা করে তাকে দেশের গর্ব ও এই সময়ের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে উল্লেখ করেছেন শাবনূর। তাসকিনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আরও অনেক সাফল্যও কামনা করেছেন তিনি।

 

অন্যদিকে তাসকিনও শাবনূরকে ‘আপু’ সম্বোধন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আনন্দের কথা জানিয়েছেন।

দুই তারকার পোস্ট প্রকাশের পরই তা নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। মন্তব্যের ঘরে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনেকে। কেউ ছবিটির প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার এমন সুন্দর একটি মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার জন্য দুজনকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ক্রিকেট মাঠে গতিময় পেসার হিসেবে তাসকিনের পরিচিতি, আর রুপালি পর্দায় শাবনূর দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের ভালোবাসার নাম। দুই ভিন্ন জগতের এই দুই তারকাকে এক ফ্রেমে দেখে তাই স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে।

তবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা ছবিটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক তারকাখ্যাতির বাইরের সেই সহজ মুহূর্ত। ক্রিকেট মাঠ কিংবা আলো-ঝলমলে পর্দার বাইরে পরিবারের সঙ্গে হাসি-আড্ডায় সময় কাটাতে দেখা গেল তাসকিন ও শাবনূরকে—সিডনির সেই সন্ধ্যায় যেন প্রবাসের মাটিতে মিলল এক টুকরো বাংলাদেশ।

‘বাড়ি দখল’ এর ঘটনায় যা বললেন দিলারা জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
‘বাড়ি দখল’ এর ঘটনায় যা বললেন দিলারা জামান

দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজধানীর উত্তরায় নিজের কেনা ফ্ল্যাটে বাস করছেন দেশের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দিলারা জামান। কিন্তু শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তার বাড়ি দখল হয়েছে। এ বিষয়টি শুনে বিস্মিত ও বিরক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী।

দিলারা জামান জানান, প্রচারিত বক্তব্যের সঙ্গে তার বর্তমান জীবনের কোনও মিল নেই। ফলে বিভ্রান্তি দূর করতে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘মানুষের মাথা কি নষ্ট হয়ে গেছে! একটু ভেবেচিন্তে, কথা বলে লিখলে তো ভালো হয়। ভালো কাজে যদি মস্তিষ্ক কাজে না লাগে, তাহলে কেমন লাগে! কী আর বলব।’

তাহলে দিলারা জামানের বাড়ি দখলের ঘটনা কি একেবারেই ঘটেনি? ঘটেছিল, তবে সেটি আজকের ঘটনা নয়—প্রায় ২২–২৩ বছর আগের।

তার মতে, ২০০৩–২০০৪ সালের দিকে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় থাকতেন। সেখানে ছিল তার পৈতৃক বাড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সেই বাড়িতেই পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। একপর্যায়ে বাড়িটি দখলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই দখলের পরিস্থিতি আর এগোয়নি।

দিলারা জামানের ভাষ্য, ‘ঢাকার শ্যামলীর সেই ঘটনা তো ২২–২৩ বছর আগের। সেই বাড়ি পরে বিক্রি করে দিই। ২০০৮ সালে আমি পরিবার নিয়ে উত্তরায় চলে আসি। এখানে ১৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনি। তার পর থেকে এখানেই থাকছি।’