সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করবে না। পুলিশকে হতে হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু ও নিরাপত্তার প্রতীক। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত, আধুনিক, দক্ষ ও মানবিক সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।’

রোববার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে চরম দলীয়করণের কারণে পুলিশ বাহিনীর যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে মনোবল পুনর্গঠনে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। পুলিশ বাহিনীতে পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে সততা ও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করা হয়েছে। সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের জন্য যেমন পুরস্কৃত করা হচ্ছে, তেমনি অপরাধ ও শৃঙ্খলাভঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও নেওয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

নবীন এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের একটি ঐতিহাসিক রূপান্তরের সময়ে আপনারা পেশাগত জীবনে প্রবেশ করছেন। আইনের চোখে রাজপথের কর্মী থেকে প্রান্তিক কৃষক—সবাই সমান। সেবা নিতে এসে কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চেইন অব কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বই পুলিশ বাহিনীর মূল শক্তি। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ তদন্তে নবীন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। তাই সব পুলিশ সদস্যকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের সদস্যরা তাঁদের দীর্ঘ ১৮ বছরের বিভিন্ন পেশাগত জীবনে অর্জিত জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ পুলিশকে আরও সমৃদ্ধ করবেন। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল জি এম আজিজুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে তিনি প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এবারের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাকটিভিটিজ পুরস্কার পেয়েছেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া। বেস্ট শ্যুটার হয়েছেন এবিএম মামুন এবং বেস্ট অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন আবু নুমান মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম। সর্ববিষয়ে সেরা তথা বেস্ট প্রবেশনার নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া।

২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের ৫৭ জন এবং ২৮তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের একজনসহ মোট ৫৮ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।

পরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং আশুলিয়া ও মতিঝিলে বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু উদ্ধারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল বস্তুগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তুলনামূলক বিচারে দেশে বর্তমানে অপরাধ প্রবণতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের হার অত্যন্ত কম। তবে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Ads small one

দেবহাটায় পৈতৃক জমি দখলের অভিযোগ প্রবাসীর, সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় পৈতৃক জমি দখলের অভিযোগ প্রবাসীর, সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: দেবহাটায় কোটি টাকা মূল্যের পৈতৃক জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শরিফুল ইসলাম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দেবহাটার বালিথা মৌজার ‘ধাপার ঘের’ এলাকায় তাঁদের ৮.১৫ একর পৈতৃক জমি রয়েছে। ২০১৮ সালে স্থানীয় রওশন আরা রুবি ও তাঁর ছেলে জায়েদ বিন কাদেরসহ কয়েকজন উক্ত জমি জবরদখল করে মৎস্য চাষ শুরু করেন। জমিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ও প্রশাসনের মাধ্যমে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত পক্ষ তা এড়িয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রওশন আরা রুবি জানিয়েছেন, শরিফুল ইসলাম তাঁর দেবর। ২০০২ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে দীর্ঘ সময় প্রতিপক্ষ পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে রেখেছিল। পরবর্তীতে সন্তানরা বড় হলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জমি উদ্ধার করেন। বালিথা মৌজার ওই জমি নিয়ে নি¤œ আদালত থেকে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত মামলায় শরিফুল ইসলামের পরিবার হেরে গিয়ে এখন ভিত্তিহীন ও মনগড়া অভিযোগ তুলছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগপ্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি জেলা নাগরিক কমিটির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগপ্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি জেলা নাগরিক কমিটির

খাল দখল ও নেটপাটায় পানিপ্রবাহ বন্ধ
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি খাল অবৈধ দখল, নেটপাটা ও বাঁশের বেড়ি দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে মাছ চাষের কারণে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে শত শত পরিবার ও কৃষিজমি দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দখলদাররা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
গত ১ আগস্ট জেলা নাগরিক কমিটির জলাবদ্ধতা নিরসনবিষয়ক পরামর্শ সভার সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলি নুর খান বাবলু ও কমিটির অন্যতম সদস্য শেখ সিদ্দিকুর রহমান সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, গাভা স্বাস্থ্যকল্যাণ কেন্দ্রের সামনে কালভার্টের মুখ বাঁশের নেটপাটা দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ঘের মালিক সুকুমার রায় মাছ চাষের স্বার্থে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে রেখেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দম্ভভরে বলেন, “যারা জলাবদ্ধতার শিকার তারা তো কিছু বলে না, আপনি বলছেন কেন? আমি যা করেছি ঠিকই করেছি।”
এরপর প্রতিনিধি দল জোড়দিয়া কোচের বিল এলাকার সরকারি কোচের খাল পরিদর্শন করে। সেখানে অভিযোগ ওঠে, প্রাক্তন আওয়ামী লীগ নেতার অবৈধ দখলে থাকা সরকারি খালে জোড়দিয়া গ্রামের সদরউদ্দীনের ছেলে রেজাউল ইসলাম কেনা নেটপাটা ও বাঁশের বেড়ি দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে মাছ চাষ করছেন। স্থানীয়রা জানান, খালে সাদা মাছ ছাড়া থাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে উপস্থিত শত শত গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, সরকারি খাল অবৈধভাবে দখল করে বছরের পর বছর মাছ চাষ করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিবাদ করলেও দখলদারদের প্রভাবের কারণে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। এ সময় প্রাক্তন ইউপি সদস্য শেখ জাকিরুল হক, প্রাক্তন সদস্য নজরুল ইসলাম, মিন্টুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা খাল দখল ও জলাবদ্ধতার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালে একই এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিলে জোড়দিয়ার কোচের খাল ও বোড়ামারা খালের নেটপাটা এবং অবৈধ বাঁধ জনসাধারণ অপসারণ করেন। পরে গাভা গ্রামের মনজুরুল আহমেদ (পিতা: মৃত আলাউদ্দিন মোড়ল) সাতক্ষীরা সদর আদালতে নিরীহ ১০ জন গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে সি আর-১২৫৭/২৪, তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২৪, একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই দখলদার চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে বিভিন্ন স্থানে নেটপাটা ও বাঁধ দিয়ে সরকারি খালে মাছ চাষ অব্যাহত রেখেছে।
বর্তমানে জোড়দিয়া, কোচের বিল ও আশপাশের এলাকায় শত শত বসতবাড়ি এবং বিস্তীর্ণ কৃষিজমি দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সরকারি খাল অবৈধ দখলমুক্ত, নেটপাটা ও বাঁধ অপসারণ এবং খাল খননের মাধ্যমে পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
এ বিষয়ে সন্ধ্যায় ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বলেন, “গাভায় কালভার্টের মুখ বন্ধ করার ঘটনায় সুকুমারকে একাধিকবার তিরস্কার করা হলেও তিনি তা শোনেননি। জোড়দিয়ার কোচের বিল ও বোড়ামারা খালের নাব্যতা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে খাল খনন প্রয়োজন। খাল বন্ধ করে মাছ চাষ করায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কৈখালী-২ স্লুইস গেটের পাট স্থাপনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বহীনতা এবং প্রভাবশালী দখলদারদের প্রতি পরোক্ষ প্রশ্রয়ের কারণেই জলাবদ্ধতা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
এলাকাবাসী অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর অভিযান পরিচালনা করে সরকারি খাল দখলমুক্ত, নেটপাটা ও অবৈধ বাঁধ অপসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

 

দৈনিক পত্রদূতে খবর প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী আবুবকরের পাশে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
দৈনিক পত্রদূতে খবর প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী আবুবকরের পাশে জেলা প্রশাসন

জিএম আমিনুল হক: সাতক্ষীরা সদরের ধূলিহর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী গ্রামের শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী আবুবকর সিদ্দিক (২৫) ও তাঁর বৃদ্ধা নানি সোনাভান বিবির মানবেতর জীবন নিয়ে পত্রদূতে সংবাদ প্রকাশের পর তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের নির্দেশে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন এবং সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম ৩ আগস্ট সোমবার দুপুরে ওই বাড়িতে গিয়ে পরিবারটির হাতে নগদ অর্থ ও দুই বান টিন তুলে দেন।
এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ ২৩ বছর লালন-পালন করার পর দুই বছর আগে ক্যানসারে মা মারা গেলে আবুবকর তাঁর নানিকে নিয়ে চরম সংকটে পড়েছিলেন। সহায়তার হস্ত বাড়িয়ে দেওয়ায় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।