শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে জিম্বাবুয়ের স্মরণীয় সিরিজ জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে জিম্বাবুয়ের স্মরণীয় সিরিজ জয়

অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ের ঘটনাই ঘটেছে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে। সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে এক পর্যায়ে ম্যাচটা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৩ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের বিপক্ষে স্মরণীয় এক সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

২৪৮ রানের লক্ষ্যে এক পর্যায়ে বাংলাদেশের ৪৯ বলে প্রয়োজন ছিল ৪১ রান। হাতে ৫ উইকেট। তারপরই ঘটে নাটকীয় ধস। মেহেদী হাসান মিরাজ শেষ ব্যাটার হিসেবে ১৪ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেননি। ৪৮.১ ওভারে এনগারাভার বলে ক্যাচ তুলে ফিরেছেন। তাতে ২৩৪ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারীরা।

অথচ এক পর্যায়ে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ২০৭। তখন বাংলাদেশকে দিশা দেখাচ্ছিলেন নুরুল হাসান (৩৮)। সঙ্গে ছিলেন মিরাজ। নুরুল হাসান আউট হতেই ছন্দ হারায় ইনিংস। ভাঙে মিরাজ-নুরুলের ৩১ রানের জুটি। তার পর একে একে ফেরেন রিশাদ হোসেন (৮), তাসকিন আহমেদ (০), শরিফুল ইসলাম (৬) ও সর্বশেষ মিরাজ (২৭)। ২৭ রানে পড়েছে শেষ ৫ উইকেট!

তার আগে ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ সুবিধাজনক জায়গাতেই ছিল। তানজিদ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়ের ফিফটিতে ২ উইকেটে স্কোর ছিল ১২২ রান। তানজিদ ৫৭ রানে ফিরলে ভাঙে ৮৪ রানের জুটি। তার পর কিছুদূর এগিয়ে তাওহীদ হৃদয় ৬০ রানে ফিরলে তখন হাল ধরেন নুরুল হাসান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ধস হারের কারণ হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন রিচার্ড এনগারাভা। দুটি করে নেন ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স। একটি করে নেন সিকান্দার রাজা, ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েসলি মাধেভেরে।

এরআগে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে শুরুতে ফিল্ডিং নিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখানে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দেয় স্বাগতিকরা।

বল হাতে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এদিনও জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ে ধস নামিয়েছিল ৬৬ রানে তুলে নেয় ৪ উইকেট। তার পর অবশ্য জিম্বাবুয়ের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর দায়িত্ব নেন বেন কারান। অপরাজিত সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।

বাংলাদেশ ১৪৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট তুলে নিলেও তার পর আর জিম্বাবুয়েকে বিপদে ফেলতে পারেনি। সিকান্দার রাজা ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করেছিলেন। পঞ্চম উইকেটে কারানের সঙ্গে যোগ করেন ৬৮ রান। রাজার বিদায়ের পর মাদান্দে-কারানের জুটিটা বড় হয়নি। তার পরই সপ্তম উইকেটে মূল প্রতিরোধটা গড়েন বেন কারান ও ব্র্যাড ইভান্স।

ইনিংসের শেষভাগে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তারা। মাত্র ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়েকে শক্ত ভিত এনে দেন ইভান্স। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৫টি ছক্কা! আর ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলকে দিশা পেতে মূল অবদান রাখেন কারান। ১৩৫ বলে ৯ চারে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাদের ব্যাটিংয়েই শেষ দিকে বড় সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। সপ্তম উইকেটে তাদের ৯৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতেই ৬ উইকেটে ২৪৭ রান পায় জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে ৫৭ রানে দুটি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। ৩২ রানে দুটি নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি করে নিয়েছেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন।

Ads small one

হাঁক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
হাঁক

মোঃ রহমত আলী
কথায় কথায় লাফালাফি,
তালে তালে নাচানাচি!
গোয়াল ঘরে ছাগল বেঁধে,
পাগল হয়ে মাতামাতি।

ঘোড়ার ডিম, ঘোড়ার ডিম,
হাতির হলো কবে শিং!
জেগে জেগে স্বপ্ন হাজার,
ঘুমের ঘোরে সোনার ডিম।

সোনার হরিণ, সোনার হরিণ,
আবোল-তাবোল বাড়াবাড়ি!
বড্ড বেশি কাড়াকাড়ি,
তা ধিন- ধিনা ধিন- তা ধিন।

বাহ্ অকারণে হাসাহাসি,
কারণ পেলেই দাপাদাপি!
ঘরের ঘোড়া ভুখা রেখে,
পরের মহিষ হাঁকাহাঁকি।

‘পুষ্প্য শয্যা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
‘পুষ্প্য শয্যা’

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
জীবনের নাম যদি
রাখা হয় ফুল,
তা রয়ে যাবে আজীবন ভুল।
ফুল পবিত্র নেই তার কুল,
মানুষ সবজান্তা
তথাপি নেই তার মিল।
পুষ্প্য ফুটে দেখায়
ত্রুটিহীন আতœপ্রকাশ,
মানুষ প্রাণী কলংক এঁকে
রাখে তার ভ্রান্তি অবকাশ।

পুষ্প্য তার সৌরভ দিয়ে
ডেকে রাখে বসুন্ধরাকে,
দূর্গন্ধরূপী জ্বাল বিস্তার
করে মানুষ ধরাকে।

ফুল সারাজাহানের
সংকীর্ণ প্রণালী ঘর,
তাকে করা যাবেনা
ক্ষনিকের ধরণী পর।

পুষ্প্য ছাড়া ভুলে যেত
মানুষ আপন ধন,
মানুষই পারে পুষ্প্যের ন্যায়
গড়তে তাজা প্রাণ।

অন্তরের অন্তরালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
অন্তরের অন্তরালে

বাপী নাগ
এই জীবনের পথে চলতে গিয়ে
পথ যে ফেলি হারিয়ে।
ঠিক-ভুলের নেই কোনো হিসাব
রাখি নিজেকে সরিয়ে।
অজান্তেই ভুল করে পাই সাজা
নিঃশব্দে রয়েছি নিরবে।
দিনের পর দিন সময় যায় বয়ে
এ মন অজান্তে হারাবে।

স্বপ্ন গুলো হঠাৎই ধুলোয় মিশে
নীরবতার’ই আড়ালে।
হাসির মুখোশ পরেই অভিমানে
লুকাই যে অন্তরালে।

হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝেও
নিজেকেই খুঁজি একা।
চেনা-অচেনা এই জীবন পথেই
স্মৃতি’র হয় শুধু দেখা।

ভাঙা বিশ্বাস এই বুকের ভেতর
রক্ত ক্ষরণ হয়েই রয়।
যাদের কে আপন ভেবে ছিলাম
তাদের মাঝে হবে জয়।

তবুও এই জীবন থেমে থাকে না
এ পথ নিয়তির ডাকে।
অশ্রু ভেজা প্রতি’টি প্রহর নতুন
সাহস রেখে যায় ফাঁকে।