শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস: সচেতন পরিবার পরিকল্পনা, নিরাপদ মাতৃত্ব ও প্রজননস্বাস্থ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস: সচেতন পরিবার পরিকল্পনা, নিরাপদ মাতৃত্ব ও প্রজননস্বাস্থ্য

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতিবছর ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস। পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ও প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ কমানো এবং জ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য। দিবসটির সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি হলো-প্রতিটি গর্ভধারণ যেন পরিকল্পিত ও প্রত্যাশিত হয়। ২০০৭ সালে প্রথম পালিত এ বৈশ্বিক প্রচারণা বর্তমানে আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা সংগঠনের সমন্বয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

২০২৬ সালের দিবসটির প্রতিপাদ্য-‘কোনো বাধা নয়, শুধুই পছন্দ: এখনই গর্ভনিরোধকের সহজলভ্যতা নিশ্চিত হোক’। তথ্যের ঘাটতি, সামাজিক কুসংস্কার, ভুল তথ্য, অর্থনৈতিক বাধা ও সেবার অপ্রতুলতা দূর করে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই এবারে মূল গুরুত্ব পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী, গর্ভনিরোধক ব্যবহার করা এবং পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করা মানুষের একটি মৌলিক মানবাধিকার।

পরিবার পরিকল্পনা বলতে দম্পতির সন্তান নেওয়ার সংখ্যা, সময় ও ব্যবধান সম্পর্কে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তকে বোঝায়, যার সঙ্গে প্রজননস্বাস্থ্য, নিরাপদ মাতৃত্ব ও মা-শিশুর সুস্থতা যুক্ত। আর গর্ভনিরোধ হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ প্রতিরোধের বিভিন্ন পদ্ধতি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও পরিবার পরিকল্পনাকে সন্তান সংখ্যা ও ব্যবধান নির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করেছে। অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ প্রতিরোধ করা গেলে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি পরিবারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও সুদৃঢ় হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ১৫–৪৯ বছর বয়সী প্রজননক্ষম ১.১ বিলিয়ন নারীর পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল। তাদের মধ্যে ৮৭৪ মিলিয়ন আধুনিক গর্ভনিরোধক ব্যবহার করলেও ১৬৪ মিলিয়নের অপূর্ণ চাহিদা ছিল। কেবল পদ্ধতির অভাব নয়; তথ্যের ঘাটতি, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়, সামাজিক বাধা ও মানসম্মত সেবার অভাবই এই অপূর্ণ চাহিদার প্রধান কারণ।

আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে কনডম, মুখে খাওয়ার বড়ি, ইনজেকশন, ইমপ্ল্যান্ট, আইইউডি এবং স্থায়ী পদ্ধতি। বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, গর্ভধারণ প্রতিরোধের পাশাপাশি এইচআইভিসহ যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধে কনডমের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তবে জরুরি গর্ভনিরোধক নিয়মিত পদ্ধতির বিকল্প নয়, তা কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যবহারযোগ্য।

গর্ভনিরোধ সম্পর্কে সামাজিক সংকোচ ও ভুল তথ্য দূর করতে দরকার সঠিক স্বাস্থ্যশিক্ষা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, বৈষম্যহীন ও মানসম্মত সেবা। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল প্রজননস্বাস্থ্যসেবা ও অধিকারভিত্তিক প্রসারে কাজ করে। ১৯৯৪ সালের আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার এসডিজি ৩.৭ মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজননস্বাস্থ্যসেবায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। এখানে মূল নীতি হলো-সিদ্ধান্ত হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, অবহিত ও জবরদস্তিমুক্ত।

বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে মোট প্রজনন হার ২.৭ থেকে কমে ২.১৫-এ নেমেছে এবং গর্ভনিরোধক ব্যবহারের হার ৫৬.১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে অপূর্ণ চাহিদা ১৭ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নেমেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে ২০২২ অনুযায়ী, বিবাহিত নারীদের পরিবার পরিকল্পনার মোট চাহিদা ছিল ৭৪ শতাংশ এবং অপূর্ণ চাহিদা ছিল ১০ শতাংশ (যার ৫ শতাংশ সন্তান জন্মের ব্যবধান এবং ৫ শতাংশ সন্তানসংখ্যা সীমিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত)।

এই অগ্রগতি সত্ত্বেও দুর্গম এলাকা, দরিদ্র পরিবার ও তরুণ জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত সেবা পৌঁছানোর কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। গর্ভনিরোধের আলোচনা শুধু সন্তান নেওয়ার ওপর নির্ভর করে না; এর সঙ্গে ব্যক্তি ও দম্পতির মর্যাদা, সমতা ও মানবাধিকার জড়িত। একই সঙ্গে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ গ্রহণ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন। সঠিক তথ্য, গুণগত সেবা ও স্বাধীনভাবে উপযুক্ত পদ্ধতি বেছে নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করাই বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য।

Ads small one

সাতক্ষীরায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, আহত ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, আহত ১

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মেহেদী হাসান সবুজ (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে মহাসড়কের পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজের ওপর মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক জেলার আশাশুনি উপজেলা সদরের আব্দুল জলিলের ছেলে। তিনি একমি কোম্পানিতে সেলস অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী শাহিন বিশ্বাস ও আল আমিনসহ স্থানীয় লোকজনের সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে কাজ শেষে কুমিরা থেকে মোটরসাইকেলে সাতক্ষীরা শহরের দিকে যাচ্ছিলেন মেহেদী হাসান। পথে পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজের ওপর পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের সামনের চাকার নিচে পিষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে ঘাতক ট্রাকটি পালিয়ে গেছে।

এদিকে সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের মাধবকাটি বাজার সংলগ্ন এলাকায় শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১জন নিহত ও ১ জন আহত হয়েছেন। নিহতের নাম সোহান (১৯)। সে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের বলাডাঙ্গা মিস্ত্রিপাড়ার মৃত সবুরের ছেলে।

 

আহত জিম একই গ্রামের রওশন আলীর ছোট ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল যোগে মাধবকাটি বাজার এলাকায় মেইন রোডে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। এ সময় তাদেরকে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসা অবস্থায় সোহান হোসেন মারা যান। আর আহত জিমকে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সদরের ধুলিহর ও আশাশুনির বড়দলে আকস্মিক টর্নেডোয় ব্যাপক ব্ষয়ক্ষতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সদরের ধুলিহর ও আশাশুনির বড়দলে আকস্মিক টর্নেডোয় ব্যাপক ব্ষয়ক্ষতি

জিএম আমিনুল ইসলাম/বিএম আলাউদ্দীন: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে আকস্মিক টর্নেডো ঝড়ে চারটি কাঁচা বসতঘর লন্ডভন্ড হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে উত্তর বাইনতলা গ্রামে প্রবল বাতাসের সঙ্গে আকস্মিক এ ঝড়ের ঘটনা ঘটে। এতে চারটি বসতঘর, ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে হঠাৎ প্রচন্ড বেগে বাতাস শুরু হয়। একপর্যায়ে টর্নেডোর মতো ঝড়ে উত্তর বাইনতলা গ্রামের মৃত রহিম মোল্যার ছেলে দাউদ মোল্যা, আইয়ুব আলী মোল্যা, সাহেব আলী মোল্যা ও তার ছেলে নয়ন মোল্যার মোট চারটি কাঁচা বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের তান্ডবে ঘরের এলবেস্টারের ছাউনি ও বেড়া উড়ে যায়। একই সঙ্গে ঘরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে এবং ভেতরে থাকা আসবাবপত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে বড়দল ইউনিয়নের জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গফুর সানা ও চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম শরীফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরে আব্দুল গফুর সানা ও শরিফুল ইসলাম শরীফ নিজস্ব তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তারা।

এদিকে, টর্নেডো ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি জানতে লোক পাঠিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের যুগীপোতা ও শুকদেবপুর গ্রামে গভীর রাতে আকস্মিক টর্নেডোর হানায় একটি মন্দিরসহ একাধিক কাঁচা বসতঘর লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক দুইটার দিকে আঘাত হানা এই ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
টর্নেডোর তা-বে যুগীপোতা গ্রামের উৎপল সরকার, জ্ঞানেশ সরকার, আকলিমা খাতুন এবং শুকদেবপুর গ্রামের একটি মন্দির ও মন্টু বিশ্বাসসহ একাধিক ব্যক্তির বসতবাড়ি, গোয়ালঘর ও বিচলির গাদা তছনছ হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এ ঘটনায় আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার পর ২৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত দুর্ঘটনাকবলিত গ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির ও ঘরবাড়ি পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার বিষয়টি শোনেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি সহায়তার জন্য দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের একটি তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে ধুলিহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল, জিএম আমিনুল হক, ইউপি সদস্য তপন কুমার শীলসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতাপনগরে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করলেন জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রতাপনগরে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করলেন জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মীরা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের তালতলা বাজার থেকে প্রতাপনগর মাদ্রাসা পর্যন্ত বেহাল সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি অংশ সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে সড়কের খানাখন্দ ভরাট করে যাতায়াত উপযোগী করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অংশে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। প্রতাপনগরসহ আশপাশের এলাকার মানুষের প্রতিদিন বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে সাময়িক সংস্কারকাজ সম্পন্ন হওয়ায় চলাচলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

সংস্কারকাজে অংশ নেন আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক শাহজাহান হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা রিয়াসাত আলী, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা অহিদুজ্জামান, শ্রমিক নেতা আলহাজ মাওলানা মোয়াজ্জেম হোসাইন, ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা বেলাল হোসেন ও তালতলা বাজার কমিটির সভাপতি ডা. খাইরুল ইসলাম। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য সড়কটি দ্রুত সরকারি উদ্যোগে সংস্কার করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।