বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগে তদন্ত চলছে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
‘বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগে তদন্ত চলছে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

অনলাইন ডেস্ক: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পর আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬ বছরে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে, ৩৯ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ৫৬৪ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ads small one

কুলিয়া ইউনিয়নকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সফলতা উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
কুলিয়া ইউনিয়নকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সফলতা উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: “শিশুশ্রম নয়, শিশুর জীবন হোক স্বপ্নময়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদকে শিশুশ্রম ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত মুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সফলতা উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় কুলিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস চন্দ্র এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রাম, সুশীলনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মামুন হোসেন এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর স্পন্সর অফিসার পল্টন বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সচিব ফারুক হোসেন, ইউপি সদস্যা ফাতেমা খাতুন এবং ইউপি সদস্য প্রেম কুমার, এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিশু উপদেষ্টা কমিটির সহ-সভাপতি অনামিকা পাড়।

সংস্থার কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুশীলনের মনিটরিং অফিসার শরিফুজ্জামান, সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার জ্যোৎস্না বালা, নিলাদ্রী বিশ্বাস ও রিপন হোসেন এবং জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার আকরম ফারুক ও জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মমতাজ বেগম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অহিদুল হক, শিক্ষক রবিউল ইসলাম, ধর্মীয় নেতা শিক্ষক ইদ্রিস আলী এবং ধর্মীয় নেতা ইন্দ্রজিত সরকারসহ ভিডিএস এর সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্কুলগামী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা।

শিশু ফোরাম, যুব ফোরাম ও স্থানীয় সংগঠনের সহযোগিতায় এবং ১নং কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমোদনে এই গৌরবময় ঘোষণাটি বাস্তবায়িত হয়। সমগ্র কার্যক্রমে সার্বিক কৃতজ্ঞতায় ছিল ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রাম, সুশীলন।

বক্তারা বলেন, কুলিয়া ইউনিয়নকে শিশুশ্রম ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত মুক্ত ঘোষণা করা এলাকার শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এখন থেকে এই ইউনিয়নে কোনো শিশু শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে না এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কঠোর নজরদারি বজায় রাখবেন। এলাকার প্রতিটি শিশুকে একটি সুন্দর ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ উপহার দিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সমগ্র অনষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমান।

 

দেবহাটায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫০ প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫০ প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বিতরণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার দেবহাটায় দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ডিজএ্যাবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন (ডিআরআরএ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সনদ বিতরণ করা হয়। প্রশিক্ষণার্থীরা মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ও ফ্যাশন গার্মেন্টস ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরআরএর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী আনজির হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআরআরএর ম্যানেজার (ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিন) তরুণ কুমার সরদার, জব প্লেসমেন্ট অফিসার নজিফা খাতুন, লিড ট্রেইনার নুর আমিন হোসেন ও আসিফ রেজা তিতাস এবং অ্যাসোসিয়েট ট্রেইনার সোহেল রানা ও মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আত্মকর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন। এ সময় দুইজন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি নাসরিন জাহান বলেন, অর্জিত দক্ষতাকে নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধরে রাখতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে কাজ চালিয়ে না গেলে শেখা বিষয়গুলো ধীরে ধীরে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে সমাজে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

পরে প্রধান অতিথি ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেন। সনদ গ্রহণ করে প্রশিক্ষণার্থীরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অর্জিত দক্ষতাকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সার্বিক সাফল্য কামনা করা হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেন্টার ইনচার্জ জি এম নূরুন্নবী হাসান। সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

 

 

শ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা, কৃষকের মাথায় হাত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা, কৃষকের মাথায় হাত

0-4480x2016-0-0-{}-0-12#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী বিল পানিতে তলিয়ে আছে। ধান রোপন করতে না পারায় কৃষকের মাথায় হাত। বিলের পানি নিষ্কাষনের জন্য হিমখালী খাল ও বিকল্প ব্যবস্থা থাকলেও বহু বছর ধরে জবর দখল আছে। যার ফলে প্রতি বছর দুই শতাধিক ধান্য ফসল ও সবজির জমি পানিতে তলিয়ে যায়। সরজমিনে দেখা যায়, রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী বাজার, ভেটখালী বিল, তারানীপুরের পানি নিষ্কাষনের জন্য হিমখালী খালসহ বিকল্প ব্যবস্থা থাকলেও জবর দখলের কারনে পানি নিষ্কাষন হয়না। যার ফলে ধান্য ফসলের মাঠ, বসত ভিটা, পুুকুর, গাছগাছালি, রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

 

হিমখালী খালটি বহু বছর ধরে জবর দখল করে রেখেছে শতাধিক ব্যক্তি। অপর দিকে বিকল্প ভাবে ভেটখালী বিলের পানি নিষ্কাষনের পথ জবর দখল করে রেখেছে ভেটখালী গ্রামের সনদ যোদ্দার, মন্টু যোদ্দার, মিন্টু যোদ্দার, নিরাপদ যোদ্দার, কিশোরী যোদ্দার, জয়ন্ত বাছারসহ অনেকে। ভেটখালী কোলুনীপাড়ায় বিলের পাশ দিয়ে বহু গরীব, অসহায় মানুষ বসবাস করে। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় তাদের কাচা ঘরবাড়ী ধ্বস নেমেছে এবং খুবি কষ্টে জীবন ধারণ করে চলেছে।

স্থানীয় মৃত আনছার আলী গাজীর পুত্র মোঃ মুত্তালিব হোসেন বলেন, হিমখালী খাল ও বিকল্প ব্যবস্থায় পানি নিষ্কাষনের জায়গা জবর দখলে থাকায় পানি নিষ্কাষন না হওয়া প্রতি বছর আমরা বর্ষা মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে আসছি। এ বছর ধানের বীজ বপন করতে পারছি না। উপর দিকে বসত ভিটারও ক্ষতি হচ্ছে। এ ভাবে চললে আমরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হব এবং এলাকার মানুষের মধ্যে দারিদ্রতার হার বৃদ্ধি পাবে।

মোঃ আব্দুর রাশেদ গাজীর স্ত্রী মোছাঃ নুর জাহান খাতুন বলেন, আমাদের প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দূর্ভোগের শেষ থাকে না। ধানের মাঠ , বাড়ীর উঠান, কাঁচা ঘরবাড়ী, সবজি চাষের জমি পানিতে তলিয়ে যায়। বিলের পানি নিষ্কাষনের জায়গা ও খাল দখল মুক্ত করে পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করছি।

এ বিষয়ে শ্যামনগর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য মুঠেফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়না।

এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।