শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

মাদক পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমঝোতা স্মারক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
মাদক পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমঝোতা স্মারক

ন্যাশনাল ডেস্ক: মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অপব্যবহার ও পাচার রোধে একজোট হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। শুক্রবার রাজধানী ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ মাদক পাচার এবং মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচার রোধে তথ্য আদান-প্রদান করবে এবং একে অপরকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে। এছাড়া মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী সংস্থা এবং পাচারের নতুন পদ্ধতি ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে দুই দেশ। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাক্ষরের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য এই চুক্তি কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

এর আগে পাকিস্তান পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার, চোরাচালান এবং দলিলপত্র জালিয়াতি রোধে একটি খসড়া চুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই সিদ্ধান্তের আলোকে বর্তমান সরকার খসড়াটি পর্যালোচনা করছে। তার ভিত্তিতে মাদক পাচাররোধে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হল।

সমঝোতা স্মারকে যা আছে: তথ্য আদান-প্রদান: মাদক পাচারকারী ব্যক্তি, অপরাধী সংগঠন এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময়। যৌথ কার্যক্রম: মাদক পাচার রোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়।

প্রযুক্তিগত সহায়তা: লুকানো মাদক শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময়। ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ: নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। গোপনীয়তা রক্ষা: বিনিময় করা সকল তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে তা জানানো হবে না।

আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকও হয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে ‘অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে’ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সেখানে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশে বন্দি তিনজন পাকিস্তানির মুক্তির বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য পাঠানো নথির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে গঠনমূলক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে পাকিস্তান ভূমিকা রাখতে পারে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উভয় দেশের মন্ত্রী আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিন্ন স্বার্থের ওপর গুরুত্ব আরপ করেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং বিচারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত পোষণ করেন তারা। মানবপাচার এবং অভিবাসীদের অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং পাচারকারী চক্র দমনে যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

ফৌজদারি অপরাধের তদন্তে দ্রুত তথ্য ও সাক্ষ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ক্রিমিনাল ম্যাটারস’ চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে বৈঠকে আশা প্রকাশ কর হয়, এর ফলে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে।

এছাড়া অপরাধীরা যাতে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পালিয়ে বিচার এড়াতে না পারে, সেজন্য সন্ত্রাসবাদ ও আর্থিক অপরাধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর প্রত্যর্পণ ব্যবস্থা নিয়ে কথা হয় বৈঠকে। এসব সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় ঘাঁটি ইসরায়েলে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় ঘাঁটি ইসরায়েলে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু সামরিক ঘাঁটি ইসরায়েলে সরিয়ে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরান-মার্কিন চুক্তির ১ সপ্তাহ: সুফল পাচ্ছে কারাইরান-মার্কিন চুক্তির ১ সপ্তাহ: সুফল পাচ্ছে কারা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাহরাইনে অবস্থিত তাদের সামরিক ঘাঁটি পুনর্গঠন এবং কুয়েত ও সৌদি আরবে তাদের উপস্থিতি কমিয়ে আনার কথা ভাবছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত দুজন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসন তাদের কিছু ঘাঁটি ইসরায়েলে স্থানান্তর করতে পারে।

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা আঘাত হানে ইরান। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিক থেকে জুন মাস পর্যন্ত বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিটি বারবার হামলার শিকার হয়েছে। এতে ঘাঁটিটির কমান্ড হেডকোয়ার্টার্স এবং অন্তত এক ডজন অন্যান্য ভবনসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে পেন্টাগন এখনও এই ধ্বংসযজ্ঞের প্রকৃত মাত্রা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

এদিকে, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ইরান যুদ্ধের বিষয়ে মার্কিন জনগণের মনোভাবে তীব্র পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের শর্তাবলি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা করার সময়ে আগামী ৬০ দিনের জন্য সব ধরনের শত্রুতা ও লড়াই বন্ধ থাকবে।

কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির একটি জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, ৬০ শতাংশ মার্কিন ভোটার মনে করেন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযান ‘যৌক্তিক ছিল না’।

তৃণমূল ছাড়া বিধায়করা বিদ্রোহী নয়, গাদ্দার: মহুয়া মৈত্রতৃণমূল ছাড়া বিধায়করা বিদ্রোহী নয়, গাদ্দার: মহুয়া মৈত্র
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে ‘ইরানি শাসকগোষ্ঠীর আসন্ন হুমকি দূর করতে’ ইরানের বিরুদ্ধে এই যৌথ যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করাই ছিল তাদের ঘোষিত প্রাথমিক লক্ষ্যগুলোর অন্যতম।

চিকিৎসায় যুগান্তকারী আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু রোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেনচিকিৎসায় যুগান্তকারী আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু রোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেন
তবে নতুন জরিপটি দেখাচ্ছে, পরবর্তী সময়ে হওয়া এই চুক্তিটি প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতার প্রতি জনমানুষের ধারণাকে দুর্বল করে দিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সম্ভাবনা এখনও রয়ে গেছে। এ বিষয়ে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান শিবিরের মধ্যেই তেমন কোনও মতভেদ নেই। দুই রাজনৈতিক দলেরই অধিকাংশ সমর্থক বিশ্বাস করেন, ইরানের পক্ষে এখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সম্ভাবনা ‘খুব বেশি’ অথবা ‘কিছুটা’ রয়ে গেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আর্জেন্টিনার জার্সিতে ‘১৮৯৩’ লেখার রহস্য কী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ‘১৮৯৩’ লেখার রহস্য কী

বিশ্বফুটবলের পরাশক্তি আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে লক্ষ্য করলে একটি বিশেষ সংখ্যা চোখে পড়ে ‘১৮৯৩’। ফুটবল বিশ্বকাপের যাত্রা যেখানে শুরু হয়েছিল ১৯৩০ সালে, সেখানে বিশ্বকাপ শুরুরও ৩৭ বছর আগের এই সালটি জার্সিতে থাকার কারণ নিয়ে অনেকের মনেই কৌতুহল রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, বিশ্বকাপেরও বহু বছর আগের এই সালটির গুরুত্ব কী?

আসলে জার্সিতে থাকা ‘১৮৯৩’ কোনো রহস্যময় সংখ্যা নয়; এটি আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার প্রতিষ্ঠাবর্ষ। দেশের ফুটবল ঐতিহ্য, শেকড় এবং দীর্ঘ ইতিহাসকে সম্মান জানাতেই জার্সিতে এই সালটি ব্যবহার করা হয়।

উনিশ শতকের শেষভাগে আর্জেন্টিনায় ফুটবল ছিল একেবারেই নতুন একটি খেলা। ব্রিটিশ অভিবাসী, ব্যবসায়ী ও রেলওয়ে কর্মীদের হাত ধরে দেশটিতে ফুটবলের প্রচলন শুরু হয়।

সেই সময় স্কটল্যান্ডের শিক্ষক আলেকজান্ডার ওয়াটসন হাটন আর্জেন্টিনায় এসে খেলাটির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষা ও খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া এই শিক্ষক স্কুলপর্যায়ে ফুটবল চালু করেন এবং তরুণদের মধ্যে খেলাটির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করেন।

তারই উদ্যোগে ১৮৯৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় আর্জেন্টাইন অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল লীগ। পরবর্তীতে এই সংস্থাই রূপ নেয় বর্তমানের আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)-এ। দক্ষিণ আমেরিকার ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম জাতীয় ফুটবল সংস্থা।

আজকের দিনে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দেশ হিসেবে পরিচিত আর্জেন্টিনার সংগঠিত ফুটবল যাত্রার আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছিল সেই বছরেই। এই কারণেই ‘১৮৯৩’ সালটি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদা পায়।

দেশের ফুটবল ঐতিহ্য, শিকড় ও দীর্ঘ পথচলার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় দলের জার্সিতে এই সংখ্যাটি ব্যবহার করা হয়। জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসও বিভিন্ন সংস্করণের জার্সিতে ‘১৮৯৩’ যুক্ত করে সেই ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে তুলে ধরেছে।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবেও এএফএর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশের ফুটবল ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই আর্জেন্টিনা সংগঠিত ফুটবল কাঠামো গড়ে তুলেছিল। ফলে ‘১৮৯৩’ শুধু একটি সাল নয়, এটি দেশটির দীর্ঘ ফুটবল ঐতিহ্যের প্রতীক।

মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা। কীভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত লায়ন্স ক্লাব।
তিনি আজ (শুক্রবার) খুলনা লায়ন্স আই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো কাজ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হলে দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য। আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা গেলে সেবাগ্রহীতার কখনো অভাব হবে না। তিনি চক্ষু সেবার পাশাপাশি লায়ন্স ক্লাবের মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং অটিজম বিষয়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। মানবতার সেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি সবসময় পাশে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, লায়ন্স এ কে এম গোলাম ফারুক, সাবিনা সিদ্দিকা ও ডা. মো: বোরহান উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র লায়ন্স ড. রনঞ্জিত কুমার নাথ। স্বাগত বক্তৃতা করেন লায়ন্স ডা. মনোজ কুমার দাস। তথ্যবিবরণী