বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শিশু অপ্রতীমসহ সব শিশু হত্যার বিচারে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
শিশু অপ্রতীমসহ সব শিশু হত্যার বিচারে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে শিশু অপহরণ, হত্যা ও নির্যাতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং শিশু অপ্রতীমসহ নিহত সব নিরপরাধ শিশুর খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে সাতক্ষীরার শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কের শহীদ মিনার চত্বরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

​ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস নেটওয়ার্ক (সাতক্ষীরা), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ (সাতক্ষীরা জেলা শাখা), হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ), এইচআরডি কোয়ালিশন, হিউম্যান রাইটস ল’ ইয়ারস ফোরাম, স্বদেশের আয়োজনে এবং উত্তরণ, এনইডি, সিডো, হেড, ক্রীসেন্ট ইয়ুথ স্কুল গার্লস গ্রুপ ও সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের সহায়তায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা স্ব-স্ব সংগঠনের প্রতিবাদী ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে অংশ নিয়ে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

​স্বদেশ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ও মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এমএসএফ-এর প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, ঢাকা এমএসএফ সমন্বয়কারী সেলিনা হাসিন, এমএসএফ-এর সিনিয়র স্টাফ ল’ইয়ার অ্যাডভোকেট নাহিদ সামস, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত ও সভাপতি আঞ্জুয়ারা মিলি।

​এছাড়াও বক্তব্য দেন নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, আবদুস সামাদ, আবু জাফর সিদ্দিকী, সিডো সংস্থার পরিচালক শ্যামল বিশ্বাস, এমএসএফ সাতক্ষীরা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনিরউদ্দীন, হেড সংস্থার পরিচালক লুইস রানা গাইন, মোহাম্মদ বায়জিদ হোসেন, নুসরত জাহান, শেহনাজ পারভীন, জারিন তাসনিম, দৈনিক ‘দক্ষিণের মশাল’ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, চ্যানেল আইয়ের প্রতিনিধি এম কামরুজ্জামান এবং ডেইলি স্টার-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী।

​সমাবেশে বক্তারা শিশু হত্যা ও নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ (আসক) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেন। আসকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে নিখোঁজের পর অন্তত ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে; যার মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯ এবং ধর্ষণের পর ২৬ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে।

​অন্যদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য উল্লেখ করে জানানো হয়, জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সারাদেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজের খবর পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও ২ হাজার ৩৮ শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

​বক্তারা বলেন, শিশু নিখোঁজ, অপহরণ ও হত্যার বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপত্তায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দৃঢ় ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। একইসঙ্গে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সকল হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ ও নির্যাতনের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তারা।#

Ads small one

কয়রা উপকূলেও বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, ২০ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৮

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
কয়রা উপকূলেও বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, ২০ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৮

জি এম রিয়াজুল আকবর, কয়রা (খুলনা): খুলনার সুন্দরবনবেষ্টিত কয়রা উপজেলায় বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করা হয়। অন্যরা চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২০ দিনে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৩৮ জন। তাদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ ও আটজন নারী। আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু রয়েছে দু’জন। গেল আগস্ট মাসে ১৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। মোট ৫৭ জন রোগীর মধ্যে ১০ জনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। আর ৪৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়। এছাড়া অনেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগ থেকে জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

২০ সেপ্টেম্বর সরেজমিন হাসপাতালে যেয়ে দেখা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে হাত-পা ব্যবহার করছে রোগীর স্বজনরা। বারান্দায় ও কেবিনের সামনে কয়েকজন রোগীর দেখা মেলে।
রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শহরে কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কয়রায় ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পাশাপাশি কয়রায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারীরাও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালে যেয়ে পাঁচজন রোগীর দেখা মেলে। ওইদিন একজনকে খুলনায় রেফার্ড করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি মদিনাবাদ গ্রামের শাহিন বলেন, ‘বাড়িতে থেকেই কাজকর্ম করি। পাঁচ দিন ধরে জ্বরে ভুগছি। প্রথমে গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছি। পরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। এখানে শয্যা সংকট থাকায় ফ্লোরে থাকতে হচ্ছে। প্রায় সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গরমে খুব কষ্ট হচ্ছে। এর মধ্যে প্লাটিলেটও কমে যাচ্ছে।’

সোহেল নামে এক রোগীর পিতা বলেন, হাসপাতালে প্রায় সময় বিদ্যুৎ থাকে না। খাওয়ার পানিরও ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে পানি কিনে খেতে হচ্ছে। ডেঙ্গু পরীক্ষা ছাড়া অন্যান্য পরীক্ষা করাতে বাইরে যেতে হচ্ছে। তাঁর প্লাটিলেট ৪৯ হাজারে নেমে গেছে বলেও জানান তিনি। দিনমজুরের কাজ করা ওই রোগী আক্ষেপ করে জানান, বাইরে থেকে বিভিন্ন পরীক্ষা ও পানি কেনার খরচ জোগাড় করতে তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কালনা গ্রামের মাসুরার ভাষ্য, সাড়ে চার বছরের শিশুকে নিয়ে দুইদিন আগে ভর্তি হয়েছি। শরীরে ১০৫ জ্বর; বাথরুম হচ্ছে। শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় ঠিকমতো চিকিৎসা পাচ্ছি না। পরীক্ষা বাইরে থেকে করতে হচ্ছে।

এদিকে, হাসপাতালের ৩১ শয্যার মূল ভবন নির্মাণের কাজ কয়েক বছর বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ার পরে পুনরায় টেন্ডার হয়েছে। তবে এখনো কাজ শুরু হয়নি।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পুরুষ ও নারী রোগীদের আলাদা শয্যা নির্ধারিত রয়েছে। জ্বরের রোগীদের পরীক্ষার জন্য ঘঝ১ টেস্টের কিট রয়েছে এবং বিনামূল্যে পরীক্ষা করা হচ্ছে। আইভি স্যালাইনও পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।”

তিনি আরো জানান, ৩১ শয্যার মূল ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। ১৯ শয্যার ভবনে কার্যক্রম চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন। আর প্যাথলজিস্ট না থাকায় বাইরে থেকে রোগীদের অন্যান্য পরীক্ষা করা লাগছে।

 

 

সাতক্ষীরায় দেশি-বিদেশি ইলিশের পর্যাপ্ত সরবরাহ হলেও কমেনি দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দেশি-বিদেশি ইলিশের পর্যাপ্ত সরবরাহ হলেও কমেনি দাম

এম শফিকুল ইসলাম: সাতক্ষীরা শহর ও শহরতলীর হাট-বাজারগুলো এখন ইলিশে ভরপুর। পর্যাপ্ত ইলিশ সরবরাহের রমরমা খবর ছড়াতে শহর থেকে শুরু করে গ্রামীণ জনপদে চালানো হচ্ছে মাইক প্রচার। ইলিশের স্বাদ নিতে প্রচারাভিযানে আকর্ষণ বাড়ানো হচ্ছে ভোক্তাদের। বছরে একবার ইলিশের স্বাদ পেতে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ভোগতারা ছুটে আসছে শহরের মাছ বাজারে।

 

বিপুল পরিমাণ ইলিশের সরবরাহ থাকলেও দাম আকাশ ছোঁয়া। মাছ কেনার অদম্য ইচ্ছা থাকলেও অর্থাভাবে কিনতে পারছে না সাধারণ ক্রেতারা। সামর্থবানরা পছন্দের মাছ কিনলেও বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষ। ওজন ও আকারভেদে ইলিশের দাম ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। দেশে ভরা মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় চাহিদার যোগান দিতে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে পর্যাপ্ত ইলিশ। গত দুই মাসে ভারতের গুজরাট থেকে প্রায় ৫০০ মেট্রিকটন ইলিশ আমদানি হয়েছে। আরো ১৫০ থেকে ২০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি করা এসব ইলিশের বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছ বাজার হয়ে গুজরাটের ভরুচ থেকে দেশে এসেছে। ভারত থেকে আসা এসব ইলিশ দেশীয় বরিশাল ও পদ্মার ইলিশ দেখিয়ে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেশি বিদেশি ইলিশের পর্যাপ্ত সরবরাহের দাম কম হওয়ার কথা থাকলেও কারসাজি আর অতি মুনাফা লাভের কারণে দামের স্থিতিশীল প্রভাব পড়েনি বাজারে। সুতরাং ইলিশের চড়া দামে নাকাল সাধারণ ক্রেতা। মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা বলছেন, বাংলাদেশের ইলিশ ভারতের বাজারে বিশেষ আকর্ষণের পণ্য ছিল, সেই বাংলাদেশের বাজারে এখন ভারতীয় ইলিশ ডুকছে।

 

বাণিজ্যের এই বিপরীতমুখী প্রবাহ বিস্ময়কর হলেও গত দুই বছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র বলছেন, ১৯৮৭ সাল থেকে ২০২২-২৩, অর্থবছর পর্যন্ত দেশে ইলিশ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ছিল। কিন্তু ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো উৎপাদন প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হয়ে যায়। ওই দুই অর্থ বছরে ইলিশের উৎপাদন কমেছে যথাক্রমে ৭ দশামিক ৩৩ শতাংশ এবং ৫ দশামিক ৫১ শতাংশ।

 

তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উৎপাদনের তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি মৎস্য অধিদপ্তর। এদিকে ইলিশের উৎপাদন কমার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে জাটকা রক্ষায় দুর্বল আইন প্রয়োগ, নদী দূষণ ও পলি জমার বিষয় রয়েছে। জাটকা আহরণ বন্ধে আইন প্রয়োগ যথাযথ না হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন এর প্রভাব পড়েছে।

 

 

 

সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু

সংবাদদাতা: নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠু, দক্ষ ও পেশাদারীত্বের সাথে সম্পাদনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার সার্বিক দিকনির্দেশনায় ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সাতক্ষীরার আয়োজনে দ্বিতীয় ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও আইনানুগ আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এ.এস.এম হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সাতক্ষীরা। এছাড়াও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুলিশের করণীয়, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।