শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু বাড়ছে, বাড়ি বাড়ি সচেতনতায় ভিবিডির স্বেচ্ছাসেবকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু বাড়ছে, বাড়ি বাড়ি সচেতনতায় ভিবিডির স্বেচ্ছাসেবকেরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাড়ির আঙিনা থেকে ছাদ, কোথাও জমে থাকা পানি আছে কি না, তা দেখছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। সাতক্ষীরায় ডেঙ্গর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংসে বাড়ি বাড়ি সচেতনতা কার্যক্রম চালাচ্ছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) সাতক্ষীরা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর, কামালনগর, মুনজিতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি যান তারা। বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে বাড়ির আশপাশে পানি জমে আছে কি না, ফুলের টব, বালতি, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টায়ার কিংবা অন্য কোনো জায়গায় এডিস মশার প্রজননের সুযোগ আছে কি না, তা দেখার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

স্বেচ্ছাসেবকেরা বাসিন্দাদের বলেন, ডেঙ্গণ প্রতিরোধের বড় একটি কাজ শুরু করতে হবে নিজের বাড়ি থেকেই। বৃষ্টির পর কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত ফেলে দিতে হবে। যেসব পাত্রে পানি রাখা হয়, সেগুলো ঢেকে রাখতে হবে। ছাদ, বারান্দা, বাড়ির আঙিনা ও আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

শুধু নিজের বাড়ি পরিষ্কার রাখলেই হবে না, আশপাশের জায়গাগুলোর দিকেও নজর দিতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জানানো, নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং পরিত্যক্ত পাত্র বা আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলার বিষয়েও সচেতন করা হচ্ছে।

ভিবিডি সাতক্ষীরার সভাপতি এস এম সাজেদুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গণ প্রতিরোধে মানুষের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক পরিবার যদি নিজেদের বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেয় এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে, তাহলে সংক্রমণ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতেই তাঁরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।

ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন বলেন, ডেঙ্গণ প্রতিরোধ শুধু কোনো একটি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের দায়িত্ব নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। বৃষ্টির পর বাড়ির আশপাশে পানি জমেছে কি না, নিয়মিত দেখতে হবে এবং জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য ভিবিডির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কারও জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা বা ডেঙ্গণর অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে রোগী হওয়ার পর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে আগে থেকেই এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ খুলনা ডিভিশন বোর্ডের কমিউনিকেশন সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল, সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক্টের হিউম্যান রিসোর্স অফিসার তানজিল আলম, ট্রেজারার নাজমুল হাসান, সদর উপজেলা কমিটির করিমুন্নেসা শান্তা, কমিটি মেম্বার গোলাম হোসেন, তানভীর আঞ্জুম খান, সামির চৌধুরী, শিশু সদস্য ফালাকসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকেরা।

সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগই পারে ডেঙ্গণর বিস্তার রোধ করতে এমন বার্তা নিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে ভিবিডি সাতক্ষীরা।

 

Ads small one

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

সারা দেশে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯০ জন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৮ জন। তবে এই সময়ে সিলেট বিভাগে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।

আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এদের মধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৪১ জন।

কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

কানাডায় ছেলে অনীকের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। এর মধ্যে নায়ক রাজ্জাকের ছেলে বাপ্পী ও তার পরিবারের সঙ্গেও বেশ কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে তার।

ঘরোয়া আড্ডার পাশাপাশি বাপ্পীর সঙ্গে ৩৬ ঘণ্টার দীর্ঘ সড়ক ভ্রমণও করেছেন এই অভিনেত্রী।

ববিতা জানান, বাপ্পী ১৮ ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে কুইবেকে যান। সেখানে ঘোরাঘুরির পর তারা যান গেসপারে। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়—প্রকৃতির এমন বৈচিত্র্য মুগ্ধ করেছে তাকে। পরে আরও ১৮ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে তারা ফিরে আসেন।

এই দীর্ঘ যাত্রায় গল্প, স্মৃতি আর আনন্দে কেটেছে সময়। ববিতা বলেন, ‘সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ এখনও কানে বাজে। সমুদ্রের কাছে প্রচণ্ড ঠান্ডা ছিল। তারপরও সবাই মিলে খুব উপভোগ করেছি। যেতে যেতে কত গল্প করেছি, ফেরার সময়ও গল্প করতে করতে ফিরেছি।’

 

বাপ্পীর সঙ্গে ববিতার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের পারিবারিক। প্রতিবছর কানাডায় যাওয়ার আগে বাপ্পী তাকে ফোন করে জানতে চান কবে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বাপ্পীর দুই সন্তান দাদাভাই রাজ্জাককে নিয়ে নানা গল্প শুনতে আগ্রহী। তাদের সঙ্গে আড্ডায় পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন ববিতা। রাজ্জাকের বিপরীতে অভিনয় এবং তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সিনেমায় কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন তিনি।

বাপ্পীর বাসায় কয়েক দিন কাটিয়ে আবার ছেলে অনীকের কাছে ফিরবেন ববিতা। নভেম্বরে দেশে ফেরার আশা করছেন এই অভিনেত্রী।

চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় তিনি সেখানে পৌঁছান। এসময় তিনি আহতের খোঁজখবর নেন ও কিছুক্ষণ অবস্থান করে তার সুস্থতা কামনা করেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন। এ ঘটনায় নিহত হন আরও দুই সৈনিক। আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে উদ্ধার করে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্যরা হলেন, রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের তাসনিম রিফাত ও নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস।

এদিকে, ট্যাংকের ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে কী কারণে এই আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটলো, তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।