শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় প্রাণসায়র খাল রক্ষায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাণসায়র খাল রক্ষায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন

সংবাদদাতা: পরিবেশ সংরক্ষণ, ঐতিহ্যবাহী জলাশয় রক্ষা এবং নাগরিকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণসায়র খালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সাতক্ষীরা পৌরসভা, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এবং সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

সাইনবোর্ডগুলোতে খাল, জলাশয় ও উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ও প্লাস্টিক না ফেলা, পরিবেশ দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্ন নগর গঠন এবং পরিবেশবান্ধব নাগরিক আচরণ গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা ও নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রাণসায়র খাল সাতক্ষীরা শহরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সম্পদ এবং এই শহরের ফুসফুস। এর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে জনসচেতনতা এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সাতক্ষীরা শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

সাইনবোর্ড স্থাপন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর মাহাফুজুর রহমান মুকুল, পরিবেশকর্মী অনিমেষ পাল এবং রুহিতোষ কুমার দাশ, প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল ও প্রচার সম্পাদক মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন প্রমুখ।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার সাধারণ জনগণের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়ে বলা হয় খাল, নদী, নালা বা কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের পচনশীল বা অপচনশীল বর্জ্য ফেলবেন না। একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল-ইউজ) প্লাস্টিকের ব্যবহার বর্জন করুন। পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তুলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করুন।

 

 

 

 

Ads small one

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে যা জানালো আইভ্যাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে যা জানালো আইভ্যাক

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক)। ভিসা আবেদনের জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছে তারা।

আইভ্যাক বলছে, সব আবেদনকারীকে অবহিত করা হচ্ছে যে, ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় সহকারী হাই কমিশনের মাধ্যমে ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে রবিবার (২৮ জুন) থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু হবে।

সোমবারের (২৯ জুন) ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটগুলি রবিবার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলির (আইভিএসি) অফিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

ভিসার জন্য সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোডের সুযোগ দেওয়া হবে দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুধু বিকাল ৫টায় খোলা হবে। শুধু যারা তাদের ওয়েবফাইলগুলো সফলভাবে আপলোড করেছেন তাদের জন্য স্লট খোলা থাকবে।

‘সামথিং বিগ’ নিয়ে আসছেন জাজের ‘ডানাকাটা’ পরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
‘সামথিং বিগ’ নিয়ে আসছেন জাজের ‘ডানাকাটা’ পরী

ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি আবারও নতুন প্রজেক্টের ইঙ্গিত দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে তার সম্ভাব্য নতুন কাজ ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। দীর্ঘ বিরতির পর এই খবর ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

পরীমণি ২০১৫ সালে বড়পর্দায় অভিষেক করেন। এরপর ২০১৬ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় নির্মিত ‘রক্ত’ চলচ্চিত্রে তার উপস্থিতি তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে। অ্যাকশন-রোম্যান্টিক ঘরানার এই ছবিতে তার গ্ল্যামার ও পর্দার উপস্থাপনা তাকে ‘ডানাকাটা পরী’ ইমেজ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

এই ছবিরই সেই সাড়া জাগানো আইটেম গান— “স্ট্যাটাস আমার সিঙ্গেল দেখে, লাগায় হুড়োহুড়ি, হায়রে কি যে করি, আমি ডানা কাটা পরী”— দুই বাংলায় দেখিয়েছিল গ্ল্যামারের ঝলক। জাজ মাল্টিমিডিয়ার সাথে পরীমনির সে একটি চলচ্চিত্রের পর এবার ফের নতুন সম্ভাবনার ডাক এসেছে।

এরপর ধীরে ধীরে পরীমনির ক্যারিয়ারে আসে একাধিক উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র। ২০১৮ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ তার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর তিনি অভিনয় করেন ‘বিশ্বসুন্দরী’ (২০২০), ‘গুণিন’ (২০২১), ‘স্ফুলিঙ্গ’ (২০২১) এবং ‘মুখোশ’ (২০২২) চলচ্চিত্রে।

সবশেষে বড়পর্দায় তাকে দেখা যায় ‘অপারেশন সুন্দরবন’-এ, যার পর থেকে তিনি কিছুটা বিরতিতে থাকেন। ব্যক্তিগত জীবন, মাতৃত্ব এবং নানা চ্যালেঞ্জের কারণে চলচ্চিত্রে তার উপস্থিতি কমে যায়।

সম্প্রতি ‘বিশ্ব পরী দিবস’ উপলক্ষে জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজক আব্দুল আজিজ পরীমনির বাসায় যান। সেখানে পরীমনির সন্তান রাজ্যের সঙ্গে কেক কাটার মুহূর্তও দেখা যায়। পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন— “সেলিব্রেটিং সামথিং বিগ! কামিং সুন!! জাজ মাল্টিমিডিয়া এক্স পরীমনি এগেইন”।

তবে নতুন এই প্রজেক্ট নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি নন জাজের প্রযোজক আব্দুল আজিজ। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “এ বিষয়ে এখনই আমরা কিছু বলতে চাই না। অফিসিয়ালি ঘটা করে জানাবো।”

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও জাজের সঙ্গে নতুন কাজের ইঙ্গিত পাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে— দর্শক যে ‘ডানাকাটা পরী’কে একসময় বড়পর্দায় দেখেছিল, তিনি কি আবারও স্বরূপে ফিরতে পারবেন?

পরীমণিও মুখে কুলুপ এঁটেছেন। এ বিষয়ে এখনই মুখ খুলছেন না তিনিও। তবে, ‘সামথিং বিগ’ কিছু যে আসছে, তার ইঙ্গিত তো তিনি দিয়েছেনই।

ভক্তদের প্রত্যাশা, নতুন এই প্রজেক্টের মাধ্যমে পরীমনি আবারও শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে বড়পর্দায় ফিরবেন।

৩ বছর পর খুললো গাজার চোখের ক্লিনিক, তবু কাটছে না সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
৩ বছর পর খুললো গাজার চোখের ক্লিনিক, তবু কাটছে না সংকট

প্রায় তিন বছর পর আবার চালু হয়েছে গাজার একমাত্র কৃত্রিম চোখের ক্লিনিক। ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য নিবন্ধন করেছেন শত শত মানুষ। তবে প্রয়োজনীয় কৃত্রিম চোখের সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদক ইব্রাহিম আল-খালিলি জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মাত্র ১৪০টি কৃত্রিম চোখ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অথচ ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ার প্রথম দুই সপ্তাহেই চিকিৎসার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৮৫০ জনের বেশি রোগী।

কৃত্রিম চোখ বিশেষজ্ঞ সাবরি হাজাজ বলেন, যেসব কৃত্রিম চোখ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর কিছু রোগীদের প্রয়োজনীয় আকারের সঙ্গে মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে রঙও উপযুক্ত নয়।

ইবোলা শঙ্কায় বদলে গেল ভারতে প্রবেশের নিয়মইবোলা শঙ্কায় বদলে গেল ভারতে প্রবেশের নিয়ম
তিনি আরও জানান, কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চোখের গহ্বরের অবস্থান সামান্য ভিন্ন হওয়ায় কৃত্রিম চোখ ঠিকভাবে বসানো সম্ভব হচ্ছে না। আবার অস্ত্রোপচারের পর জটিলতার কারণে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কৃত্রিম চোখ লাগানোই সম্ভব হচ্ছে না।