শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদীর শাখা খাল থেকে মুক্তিপণের দাবিতে ৮ জেলে অপহরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদীর শাখা খাল থেকে মুক্তিপণের দাবিতে ৮ জেলে অপহরণ

অনলাইন ডেস্ক: সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের এলাকা থেকে ৮ জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পশ্চিম সুন্দরবনের আওতাধীন সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকা থেকে তাদেরকে অপহরণ করা হয়। আরও ৮ বনজীবীকে অপহরণের খবর পাওয়া গেছে।

অপহৃত বনজীবীরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জের মীরগাঙ এলাকার বারি তরফদারের ছেলে নজরুল তরফদার (৪৫), আমির আলী গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান (৩৫), ছোট ভেটখালী এলাকার ছবেদ আলী মোড়লের ছেলে আব্দুল হামিদ মোড়ল (৫০), আটুলিয়া ইউনিয়নের ভড়ভড়িয়া এলাকার আব্দুর রহিম গাজীর ছেলে আব্দুল আলিম গাজী (৪০), একই এলাকার ইব্রাহিম গাজীর ছেলে হাবিবুর রহমান (৪৮), শামসুর রহমান গাজীর ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম (৪২), খুলনার কয়রা এলাকার আব্দুস সাত্তার ও শাহিনুর রহমান।

অপহরণকারীদের কবল হতে কৌশলে ফিরে আসা অপহৃত বনজীবীদের কয়েকজন সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি নদীর সুবদেব খাল, গুবদেব খাল ও ধান্যখালীর চর এলাকা থেকে উক্ত ৮ জনকে অপহরণ করা হয়েছে।

তাদের দাবি অপহৃত প্রত্যেক বনজীবীদের মুক্ত করতে ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। বনদস্যুরা একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে যোগাযোগ করেছে এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।

বনজীবীদের মহাজনদের অভিযোগ, এর আগেও সুন্দরবনের অপহৃত জেলে ও মৌয়ালদের মুক্ত করতে একই নাম্বারে যোগাযোগ করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয়েছে। এমনকি মধু আহরণ মৌসুম শুরুর আগেও মৌয়ালদের কাছ থেকে অগ্রিম চাঁদা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে দস্যুদের বিরুদ্ধে। টাকা পরিশোধের পরে অনেককে বনে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতো বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এর আগে গত ৪ ও ৫ মে আলিফ ওরফে আলিম বাহিনী, নানা ভাই ও ডান বাহিনীর পরিচয়ে অস্ত্রধারী বনদস্যুরা সুন্দরবনের গোয়ালবুনিয়া দুনেয়ার মুখ, ধান্যখালি খাল, মামুন্দ নদীর মাথাভাঙ্গা খাল এবং মালঞ্চ নদীর চালতে বেড়ের খাল এলাকা থেকে ২০ জন জেলেও মৌয়ালকে অপহরণ করে। পরে তাদের পরিবার ও মহাজনদের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে প্রায় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেয়ার পর তারা মুক্তি পান।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সুন্দরবনের বনজীবী অপহরণের বিষয় এখনো কোনো ভুক্তভোগীর পরিবার বা স্বজনরা তাদের কাছে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Ads small one

মাস্টার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
মাস্টার

গৌতম ম-ল
মাস্টার মানে জ্ঞানের আলো,
দূর করেন অজ্ঞতার কালো।
চকের আঁচড়ে স্বপ্ন আঁকেন,
নতুন দিনের পথটা দেখেন।
অক্ষর শেখান ধীরে ধীরে,
সাহস জাগান অন্তরে নীরে।
শাসন করেন মমতা ভরে,
রাখেন সবার মঙ্গল করে।
তাঁর কথাতে জাগে আশা,
দূর হয় মনের সব নিরাশা।
নিজে থাকেন নীরব হয়ে,
ছাত্র-ছাত্রী গড়েন যতœ লয়ে।
তাঁর ত্যাগের নেই যে তুলনা,
তাঁর অবদান ভোলার নয় না।
শ্রদ্ধা জানাই সেই মানুষকে,
আলোকিত করেন যিনি দেশকে।
মাস্টার শুধু একটি নাম নয়,
মানুষ গড়ার শ্রেষ্ঠ পরিচয়।

কফিন থেকে বলছি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
কফিন থেকে বলছি

ফিনিক্স সুজন
কফিন থেকে বলছি, কফিন থেকে বলছি আমি,
আমাকে বের করে নাও, অথবা পুড়িয়ে দাও পুনরায;
পৃথিবীর গাছ গুলো ধীরে যাচ্ছে জ্বলে কামনার বশে।
কফিনে পুষ্পস্তবক তবে ফুলের সংকট প্রেমিকার হাতে,
কফিনে থেকে উপরের পাপ দেখতে বড্ড খারাপ লাগে।
সবাই যদি ধর্ষকের বিচার না করে, ধর্ষিত হোক সকলে,
কেউ যদি কথা না কয় ধর্ষনের বিপক্ষে, ধর্ষিত হোক মুখ।

এইখানে একসময় একটা বাগান ছিল, পাখি গাইতো খুব
এখন সেখানেই রয়েছে তিনটে কফিন, একটা আমার
আরেকটাও আমারই, বাকি আরেকটা সেটাও আমারই।
পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য কফিন আর মোর অসংখ্য লাশ।

যেখানে কিছুকাল আগে ছিল ক্যামেলিয়া ফুল বাগান,
এখন আর নেই, সেখানেই তৈরি হয়েছে লাশকাটা ঘর।
কক্ষনো সেখানেই আমি বিশ্রাম করতাম বিষন্ন হলে,
এখন আর বিশ্রামের দরকার হয়না, শুয়ে থাকি কফিনে;

কফিনে শুয়ে শুয়ে দেখি সুখতারা জলে মিটিমিটি করে,
পরক্ষণে দেখি শিশুকে ধর্ষণ করে সংঘবদ্ধ হয়ে হয়ে।
যার থাকার কথা ছিল মায়ের কোমল কোলে আরামে,
সে রয়েছে কফিনে মুড়িয়ে আমার ডান দিকে চোখ খুলে।
দেখছিলাম আমি উপরের পাপ,দোষ দিচ্ছিলাম প্রভুকে,
এখন সেই দোষ দিচ্ছে আমারে,আমি কিছুই করিনি বলে,
আমারে আরো বলল সে, পৃথিবীতে কেনো ফেলিনি বোমা,
ধ্বংস না করে মানব সভ্যতা, কেনো আমি কফিনে একা?

তার কথা শুনে বড্ড কষ্ট হলো, যদিও কষ্ট পাইনি আগে,
তাইতো বলছি কফিন থেকে তুলে জ্বালিয়ে দাও মোরে!
পৃথিবীর পাপ দেখা যাচ্ছে না আর মোর এদুই চোখে,
কফিন থেকে বলছি, হয় জ্বালিয়ে দাও আমার শরীর
নয়তো উপড়ে ফেলো আমার চোখ দুটো একেবারেই।

 

বেনাপোলে বৃক্ষ রোপনের কর্সসুচি উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
বেনাপোলে বৃক্ষ রোপনের কর্সসুচি উদ্বোধন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: সামাজিক বানায়নের আওতায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি বাস্তবায়নের আওতায় বেনাপোলে বৃক্ষ রোপনের কর্সসুচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

শনিবার দুপুরে বেনাপোল ওযেব্রীজের পাশে গাছ রোপন করে কর্মসুচির উদ্বােধন করের উপজেলা নির্বাহী অফিকার ও পৌর প্রশাসক ফজলে ওয়াহিদ। এসময় পৌর প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি বরাদ্ধ পাওয়া বিশেষ তহবিল থেকে ১৮০ দিনে সড়ক ও খালের পাড়সহ বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার গাছের চারা রোপন করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

তবে ৬ মাসে ১ হাজার গাছের চারা রোপন অনেকটা কম বলে জানান পরিবেষ কর্মীরা। সমাজিক বনায়নে পৌর ও উপজেলা জুড়ে কমপক্ষে বছরে বিশহাজার ফলজ বনজ ও ওষুধী গাছের চারা রোপনের দাবী জানান সাধারণ নাগিরিকেরা।