বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয়

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ সেশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মোহাম্মদ আলী।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন সাব-কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।

এবারের নির্বাচনে ১১ হাজার ৯৭ জন আইনজীবী ভোটারের মধ্যে প্রথম দিনে ১ হাজার ৭৭১ জন এবং দ্বিতীয় দিন ২ হাজার ২৭৭ জন মিলে মোট ৪ হাজার ৪৮ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী হয়েছে ১৩টিতে। অপরদিকে জামায়াত সমর্থিত প্যানেল পেয়েছে একটি পদ।

বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে বিজয়ীরা হলেন– সভাপতি পদে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দুটি সহসভাপতি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান, দুটি সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল।

সদস্য পদে ব‍্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এম আজাদ হোসেন, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। সাতটি সদস্য পদের একটিতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

প্রতি বছর ভোট হওয়ার কথা থাকলেও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবার প্রায় দুই বছরের মাথায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনে মাঠে ছিল তিনটি প্যানেল।

সেগুলো হলো– সরকার (বিএনপি) সমর্থক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল, বিরোধী দল (জামায়াত) সমর্থক আইনজীবী ঐক্য প্যানেল এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল।

যদিও আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু বাছাইয়ে তাদের মনোনয়ন টেকেনি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের লিখিত আবেদন ও সাধারণ আইনজীবীদের আপত্তির কারণে আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

বিএনপি সমর্থিত প্যানেল

বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের সভাপতি পদে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দুটি সহসভাপতি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান, দুটি সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাতটি সদস্য পদে এ কে এম আজাদ হোসেন, এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া, রিপন কুমার বড়ুয়া ও ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী প্রার্থী হন।

জামায়াত সমর্থিত প্যানেল

জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি পদে আবদুল বাতেন, দুটি সহসভাপতি পদে আব্দুল হক ও মইনুদ্দিন ফারুকী, সম্পাদক পদে এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার, কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম জাহাঙ্গীর আলম, দুটি সহসম্পাদক পদে মো. তারিকুল ইসলাম ও যোবায়ের আহমদ ভুইয়া প্রার্থী হয়েছেন।

সাতটি সদস্য পদে আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ফারজানা খানম, ইসরাত জাহান অনি, মো. ফয়েজউল্লাহ, মো. জুবায়ের টিটু, মাহমুদুল হাসান ও মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন লিংকন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করন।

এনসিপি সমর্থিত প্যানেল

এনসিপি সমর্থিতরা আংশিক প্যানেল দেন। এর মধ্যে সম্পাদক পদে আজমল হোসেন বাচ্চু, সহসম্পাদক পদে মোস্তফা আসগর শরীফী এবং সদস্য পদে আমিনা আক্তার লাভলী, কাজী আকবর আলী, মো. বনি আমিন ও মাজহারুল ইসলাম প্রার্থী হন।

প্যানেলের বাইরে সভাপতি পদে ইউনুছ আলী আকন্দ, সম্পাদক পদে ফরহাদ উদ্দিন ভূইয়া, মো. আবু ইয়াহিয়া দুলাল, মো. ওমর ফারুক, মোহাম্মদ আশরাফ উজ-জামান খান, সদস্য পদে মো. জোবায়ের তায়েব ও তপন কুমার দাস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচনে আওয়ামী সমর্থকরা না থাকায় মূলত লড়াই হয় সরকার সমর্থক ও বিরোধী দলের সমর্থকদের মধ্যে।

নির্বাচন পরিচালনার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন উপকমিটি গঠন করা হয়।

এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগে ২০২৪ সালের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি হন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী শাহ মঞ্জুরুল হক। এছাড়া আরও পাঁচটি পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও সাতটি পদে আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হন।

Ads small one

মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ ও বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ ও বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদ শেষ হলে অব্যবহৃত ডাটা কেটে নেওয়া এবং সপ্তাহের শেষ দিকে বিমানের টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ পর্যায়ে সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

পয়েন্ট অব অর্ডারে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘গতকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যে আমরা জেনেছি, চারটি টেলিফোন কোম্পানির কাছে সরকারের ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। একটি উন্নয়নশীল দেশে এটি বিশাল অঙ্কের রাজস্ব। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটকের কাছে এই টাকা পাওনা।’

জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আরও একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ এক মাসের জন্য হয়তো ১০০০ টাকার ইন্টারনেট কিনলাম। কিন্তু মাস শেষে দেখা গেল ৪০০ বা ৫০০ টাকার ইন্টারনেট অব্যবহৃত রয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হলে সেই টাকা বা ডাটা অটোমেটিক্যালি কোম্পানিগুলোর পকেটে চলে যায়। এটা জনগণের সঙ্গে এক ধরনের অন্যায়। এই টাকা কেন তারা নিয়ে যাবে?’

বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারুক বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যারা যাতায়াত করেন, তাদের পকেট কাটা হচ্ছে। অন্য দিন যে টিকিটের দাম ২৮০০ বা ৩০০০ টাকা, বৃহস্পতিবার সেটি হয়ে যায় ১০ হাজার টাকা। এই বিষয়গুলো দেখা দরকার।’

জয়নুল আবদিন ফারুকের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিমানের টিকিটের ওপর যে জুলুম চলছে, সে বিষয়ে আমি আগেও নোটিশ দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও সমাধান হয়নি। এটি আলোচনার যোগ্য একটি বিষয়। মানুষের ওপর এই জুলুম বন্ধ হওয়া উচিত।’

মুজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘শুধু টেলিফোন কোম্পানি নয়, সাবেক অনেক সংসদ সদস্যের কাছেও টেলিফোন বিল ও বাড়ি ভাড়া বাবদ অনেক টাকা পাওনা রয়েছে। এই জাতীয় সম্পদগুলো উদ্ধারে সংসদকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। কেউ মারা যাওয়ার আগে যেন এই ঋণের বোঝা নিয়ে না যান, সে ব্যবস্থা করা উচিত।’

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আপনারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে বিষয়গুলো তুললেন, সেগুলোর জন্য যথাযথ বিধি মেনে নোটিশ দিন। নোটিশ দিলে আমরা অবশ্যই সংসদে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ দেবো।’

 

কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দীন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এটিএম শরিফুল আজাদ, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা, সাংবাদিক সুকুমার দাশ বাচ্চু, শেখ সাইফুল বারী প্রমুখ।

 

এ সময় উপজেলা বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিজিবি প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি, অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণ, বাস টার্মিনাল এলাকায় জানযট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

 

কালিগঞ্জে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা উপজেলা প নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা।

এ সময় থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দীন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুস সোবহান, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এটিএম শরিফুল আজাদ, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

সভায় জনাকীর্ণ স্থানে ধুমপান বন্ধ, ধুমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানো, সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে তামাকজাত পণ্য বিক্রি ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আকর্ষণ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।