শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচও

বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হার তুলে ধরা হয়। বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি দেশের আগের অর্জনকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দেশে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১৯ হাজার ১৬১ সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯৭৩ জনের। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১২ হাজার ৩১৮ জন চিকিৎসাধীন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৯১ শতাংশ জেলা এখন হামের কবলে। দেশের আট বিভাগে সংক্রমণ শনাক্ত হলেও ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত। ১৫ মার্চ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে ৮ হাজার ২৬৩ জন সন্দেহভাজন রোগী।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি দেখা গেছে ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বস্তি এলাকায়। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে রাজশাহী (৩,৭৪৭ জন), চট্টগ্রাম (২,৫১৪ জন) এবং খুলনা বিভাগে (১,৫৬৮ জন) সংক্রমণ তীব্র হচ্ছে।

হামের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা। আক্রান্ত শিশুদের ৭৯ শতাংশের বয়স ৫ বছরের নিচে। এর মধ্যে ৬৬ শতাংশের বয়স ২ বছরের কম এবং ৩৩ শতাংশের বয়স ৯ মাসের নিচে।

সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মৃত শিশুদের প্রায় সবাই টিকা না পাওয়া অথবা আংশিক টিকা পাওয়া (এক ডোজ)। ৯১ শতাংশ রোগী ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী, যা এই বয়সী শিশুদের মধ্যে বড় ধরনের রোগ প্রতিরোধ ঘাটতির প্রমাণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ২০২৪-২৫ সালে দেশে এমআর (হাম-রুবেলা) টিকার জাতীয় পর্যায়ের ঘাটতি এ পরিস্থিতির প্রধান কারণ। ২০০০ সালে যেখানে টিকার কভারেজ ছিল ৮৯ শতাংশ, সেখানে ২০২৪-২৫ সালে তা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। ২০২০ সালের পর থেকে দেশব্যাপী কোনো নিয়মিত সম্পূরক হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি (এসআইএ) পালিত না হওয়া এ ঝুঁকির পথ তৈরি করেছে।

এ ছাড়া অপুষ্টিতে ভোগা এবং ভিটামিন এ-এর ঘাটতি থাকা শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অন্ধত্ব ও মস্তিষ্কে প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো জটিলতা মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

Ads small one

কয়রার হোগলা বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
কয়রার হোগলা বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হোগলা বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মুসুল্লীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ইমদাদুল হক পাড় এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন মোঃ জিল্লুর রহমান।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মুসুল্লীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সুষ্ঠু, সুন্দর, উৎসবমুখর পরিবেশে এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যনরা হলেন, সহসভাপতি মোঃ মুজাহিদুর রহমান বাপ্পা ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান, এবং কোষাধ্যক্ষ মোঃ মিনারুল ইসলাম।

বোরো ধানের বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে শঙ্কায় দেবহাটা উপজেলার কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
বোরো ধানের বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে শঙ্কায় দেবহাটা উপজেলার কৃষক

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ দেখা গেছে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরেছে, অন্যদিকে ধানের বাজারদর নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন দুশ্চিন্তা।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে ধানের সরবরাহ অনেক বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় দাম সন্তোষজনক নয়। ফলে অধিক উৎপাদন সত্ত্বেও আশানুরূপ লাভ পাচ্ছেন না কৃষকরা। সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এতে কম দামে ধান বিক্রি করলে অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

কাজীমহল্লা গ্রামের আব্দুল মাজেদ, শফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন বাপ্পি জানান, বর্তমান বাজারদরে ধান বিক্রি করলে খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হবে। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন, কারণ পর্যাপ্ত গুদামজাত সুবিধা না থাকায় দীর্ঘদিন ধান সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কিছুটা কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তবে কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলার কৃষকদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি আধুনিক গুদামজাত সুবিধা বৃদ্ধি করা হলে কৃষকরা তাৎক্ষণিকভাবে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হবেন না।

সব মিলিয়ে, দেবহাটা উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আশাব্যঞ্জক হলেও, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে কৃষকের কষ্ট লাঘব হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

 

প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ এপ্রিল জুলাই শনিবার সকালে প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আজিজুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কার্য নির্বাহী সদস্য মোঃ আহমেদ আলী (বাঁচা), মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ নুরুল আমিন পলাশ, মোঃ আওছাফুর রহমান, মোঃ জিনারুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় সংগঠনের সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান প্রেসক্লাবের সকল সদস্যকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি দেশ ও জনকল্যানে কাজ করার জন্য গুরুত্ব আরোপ করেন।