শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

অন্যের প্রতি জুলুমকারীর পরিণতি ভয়াবহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
অন্যের প্রতি জুলুমকারীর পরিণতি ভয়াবহ

আজহারুল ইসলাম সাদী

আল্লাহতালার যত সৃষ্টি রয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো মানুষ, যাদের জন্য আল্লাহ তাআলা সুনির্দিষ্ট নীতিমালা সম্বলিত গ্রন্থ ‘কুরআনুল কারিম’ নাজিল করেছেন। তাদের প্রতিটি কাজের জন্য জবাবদিহিতার বিষয়টিও সুনিশ্চিত করেছেন। পরকালীন জীবনে কোনো আদম সন্তানই জবাবদিহিতা ছাড়া এক কদমও নাড়াতে পারবে না বলে বিশ্বনবি (সা.) ঘোষণা করেছেন।
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, তিন ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর কাছ থেকে ফেরত আসে না।

১. ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া।
২. ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া ও.
৩.মজলুমের দোয়া।

আল্লাহ তাআলা তাদের দোয়া মেঘমালার ওপরে তুলে নেন এবং তার জন্য আসমানের দরজাগুলো খুলে দেন।

আমাদেরকে সার্বক্ষণিক স্মরণ রাখতে হবে যে, কোনো মানুষের সঙ্গে, কারণে হোক আর অকারণে, কোনোভাবেই অন্যায় আচরণ, জুলুম-অত্যাচার করা যাবে না। মানুষের প্রতি জুলুম-অত্যাচার সবচেয়ে মারাত্মক অপরাধ। এ কারণেই অত্যাচারের স্বীকার ব্যক্তির আবেদন-নিবেদন আল্লাহ তাআলার দরবারে সরাসরি পৌঁছে যায়। মহান আল্লাহ তাআলা মাজলুমের চাওয়া-পাওয়া খুবই দ্রুততার সঙ্গে কবুল করে থাকেন। সুতরাং প্রত্যেক মানুষের উচিত, দুনিয়ার কোনো সৃষ্টির প্রতিই জুলুম অত্যাচার না করা।

জুলুম কাকে বলে:
যার যা প্রাপ্য তাকে সেই প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নাম জুলুম। সে হিসেবে কারো অধিকার হরণ, বিনা অপরাধে নির্যাতন, আর্থিক, দৈহিক ও মর্যাদার ক্ষতিসাধন, মানহানিকর অপবাদ দেওয়া, দুর্বলের ওপর নৃশংসতা চালানো, অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ হরণ, অশ্লীল ভাষায় গালাগাল, উৎপীড়ন বা যন্ত্রণা ইত্যাদি কাজ জুলুমের পর্যায়ভুক্ত।

জুলুমের ভয়াবহতা : শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলামে সব ধরনের জুলুম বা অত্যাচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও হারাম। শুধু জুলুম নয়, জুলুমের সহযোগিতা করা এবং জালেমদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা রক্ষা করাও হারাম। আর এ বিধান শুধু মুসলমান নয়, কোনো অমুসলিমের ওপর জুলুম করলেও তার জন্য এ হুকুম।

ইসলাম মতে, মানুষের ওপর জুলুম এক ভয়াবহ গোনাহ। এ কারণে পরকালে দোজখে প্রবেশ করতে হবে।

জুলুম থেকে বাঁচার উপায় :
জুলুম থেকে বাঁচার উৎকৃষ্ট উপায় হচ্ছে লালসা, ক্ষমতার লোভ, হিংসা, ধর্মীয় বিদ্বেষ, ক্রোধ থেকে আত্মসংবরণ করা এবং জনসেবা, ধর্মীয় সেবা ও পরোপকারমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করা আর হালাল ও বৈধ পন্থায় উপার্জিত অর্থে, হালাল টাকা-পয়সার মাধ্যমে পানাহারে, পোশাক-আশাকে সন্তুষ্ট থাকা।

সমাজের অনেকেই ধর্মপ্রাণ হিসেবে ধর্মকর্মে অগ্রগামী হলেও অন্যের ওপর জুলুম-অত্যাচারে পিছিয়ে নেই।

বিশেষ করে সমাজের সহজ-সরল ও নিম্ন শ্রেণির মানুষের ওপর।

অবাক করার বিষয় হলো, এই দুর্বল শ্রেণির লোকদের ওপর জুলুমবাজরা জুলুম করলে
সেই জুলুম কে অনেকেই অপরাধ মনে করেন না বা অন্যায়কে আমলে নেননা এক কথায় শক্তের ভক্ত প্রায় সকলেই।

উল্টো কোনো কোনো ক্ষেত্রে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায় এবং শক্তিশালী জুলুমবাজের পক্ষ অবলম্বন করতে দেখা যায়।

জুলুমের শাস্তি : আমাদের মনে রাখা দরকার, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন এমন এক অপরাধ যা সাধারণত আল্লাহ মাফ করেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত ওই মজলুম ব্যক্তি (যার প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে) জালেমকে (অত্যাচারী ব্যক্তিকে) মাফ না করেন। সূরা আশ শোয়ারার শেষ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘জুলুমবাজরা তাদের জুলুমের পরিণতি অচিরেই জানতে পারবে, তাদের গন্তব্যস্থল কেমন?’

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা জালেমকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে থাকেন। অবশেষে যখন পাকড়াও করেন তখন তাকে আর রেহাই দেন না। অতঃপর তিনি এই আয়াত পাঠ করেন, তোমার প্রভুর পাকড়াও এ রকমই হয়ে থাকে, যখন তিনি জুলুমরত জনপদগুলোকে পাকড়াও করেন। তার পাকড়াও অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক, অপতিরোধ্য। (বোখারি ও মুসলিম)
জুলুম সম্পর্কে কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা জালেমদের প্রতি ঝুঁকে পড়বে না, জালেমদের সহযোগী হবে না, তাহলে আগুন (জাহান্নামের) তোমাদেরও স্পর্শ করবে।’ (সূরা হূদ : ১১৩)

আল্লাহ তাআলা সবাইকে ন্যায়পন্থার নির্দেশ দিয়েছেন। কল্যাণ ও ন্যায়পন্থা হলো মানবজীবনের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ তাআলা তোমাদের ন্যায়পন্থা, অনুগ্রহ ও নিকটাত্মীয়দের হক প্রদানের নির্দেশ দেন এবং অশ্লীল ও নিষিদ্ধ কার্যাবলি থেকে নিষেধ করেন।’ (সুরা আন নাহল : ৯০)

পবিত্র কোরআনে কারিমে এ বিষয়ে ইরশাদ হয়েছে, ‘জালেমদের কর্মকান্ড সম্পর্কে আল্লাহকে কখনো উদাসীন মনে কর না। তবে তিনি তাদের শুধু একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত অবকাশ দেন, যেদিন চক্ষুগুলো বিস্ফোরিত হবে, তারা মাথা ঊর্ধ্বমুখী করে উঠিপড়ি করে দৌড়াতে থাকবে, তাদের চোখ তাদের নিজেদের দিকে ফিরবে না এবং তাদের হৃদয়গুলো দিশেহারা হয়ে যাবে।

মানুষকে আজাব সমাগত হওয়ার দিন সম্পর্কে সাবধান করে দাও, যেদিন তাদের কাছে আজাব আসবে। সেদিন জুলুমবাজরা বলবে, হে আমাদের প্রভু! অল্প সময়ের জন্য আমাদের অবকাশ দিন, তাহলে আমরা আপনার ডাকে সাড়া দেব (অন্যের ওপর জুলুম করব না) এবং রাসূলদের অনুসরণ করব।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

 

Ads small one

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪২, নিখোঁজ প্রায় ৫ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪২, নিখোঁজ প্রায় ৫ হাজার

নেপালের উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় এখনও ৪,৮৮৬ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ। নেপালভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট আটটি জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে চিতওয়ানে ৩৬০, পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে ২৩০, পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ২২২, নুয়াকোটে ১৯২, রাসুয়ায় ১৬০, গোরখায় ৭৩, ধাদিংয়ে ৬৭ এবং তানাহুন জেলায় ৩৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও অন্যান্য শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর এ পর্যন্ত ১,০৩০টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে। যার মধ্যে ২২২ জন নারী, ৩৫৫ জন পুরুষ এবং ৪৫৩টি এমন মরদেহ রয়েছে যাদের লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

নিহতদের পরিচয় শনাক্তে সহায়তার জন্য কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ২,২৭২টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ১,২৬০টি নমুনা নিহতদের দেহ থেকে এবং ১,০১২টি নমুনা স্বজনদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া নিখোঁজদের স্বজনরা তাদের স্বজনদের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছেন কিনা তা জানতে ১,২৭০টি অজ্ঞাত মরদেহের বিস্তারিত তথ্য নেপাল পুলিশের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ, মরদেহ উদ্ধার এবং অন্যান্য জরুরি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭,৯১২ জন পুলিশ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ।

সুড়ঙ্গে আর কোনও জীবিত ব্যক্তির সন্ধান মেলেনিসুড়ঙ্গে আর কোনও জীবিত ব্যক্তির সন্ধান মেলেনি
বর্তমানে বিভিন্ন জেলার হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে প্রায় ৩,২৪০ জন মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর বাধা অপসারণ এবং বন্যাকবলিত এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালানোর জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।

সাতক্ষীরায় জেলা মুফাসসির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা মুফাসসির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন, সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জেলা মুফাসসির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, মানুষের কাছে কোরআনের সঠিক শিক্ষা পৌঁছে দিতে এবং সমাজের নৈতিক অবক্ষয় দূর করতে আলেম-ওলামা ও মুফাসসিরদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে কোরআন ও ইসলামের সুমহান আদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কোরআনের আলোকে মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ন্যায়বোধ জাগ্রত করতে হবে। দ্বীনি জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও আলেমদের অন্যতম দায়িত্ব।

 

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা আল আমিন ট্রাস্ট কার্যালয়ের কাজী শামছুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা মনিরুল ইসলাম বিলালীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাফেজ মাওলানা মনোয়ার হুসাইন মোমিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন খুলনা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদ।

 

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ওসমান গনি, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাওলানা আব্দুল কাদের জিহাদী।
সম্মেলনে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মসজিদ মিশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারি, জেলা ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি ড. রুহুল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুর রশিদ এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুরস সবুর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আহম্মদ আলী, সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সদস্য মাওলানা আজিজুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা রেজাউল করিম, মুহাঃ আসাদুজ্জামান ফারুকী, মাওলানা ইমাম হাসান নাসেরী, জিয়াউল ইসলাম যুক্তিবাদী, মাওলানা তরিকুল ইসলাম জিহাদী প্রমুখ।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন খুলনা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদ বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে কোরআনের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হলে মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি পাবে। তাই কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়নের পাশাপাশি অন্যদের কাছেও তা পৌঁছে দিতে হবে।
সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন এলাকার আলেম-ওলামা, মুফাসসির, ইমাম-খতিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে সংগঠনটির ২০২৬-২৮ সেশনে সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা মনিরুল ইসলাম বেলালি ও সেক্রেটারী নির্বাচিত হন মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকি। এছাড়া সহসভাতি মনোনিত হন মাওলানা আজিজুল ইসলাম জিহাদি, মাওলানা আব্দুল মজিদ, ইমাম হাসানসহ কমিটির ২৪ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে, চিড়ামুড়ি নিয়ে চলে আসবেন: জামায়াত আমির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে, চিড়ামুড়ি নিয়ে চলে আসবেন: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘এই সরকার জনগণকে যে কথা দিয়েছিল সেই কথা রাখেনি। তাই দাবি আদায়ের প্রস্তুতি নিন, আমরা আশাবাদী, আমরা আস্থাশীল। ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশের জন্য সব দাবি আদায় করা হবে। আমরা প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে যাবো। এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে। ঢাকায় যেতে প্রয়োজনে চিড়া মুড়ি নিয়ে যাবো। চিড়ামুড়ি নিয়ে আপনারাও চলে আসবেন। দাবি আদায় করেই ফিরবো।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১৯৯৪ সালে সিলেট ও কুমিল্লা বিভাগের দাবি উঠেছিল। কুমিল্লা বিভাগ হয়নি হয়েছে সিলেট। এরপর ফ্যাসিবাদ সরকার বলেছিল কুমিল্লায় বিভাগ হবে না। কারণ কুমিল্লায় খন্দকার মুশতাক আছে। এখন কেন কুমিল্লা বিভাগ হবে না? কুমিল্লাবাসীর অপরাধ কী? কী কারণে একটি অঞ্চলকে বঞ্চিত করা হবে?’

তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাচ্ছিলাম রাস্তায় কেউ বাধা দেবে। রাস্তায় বাধা দিলে, দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবো। আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাবোই।’