বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. আলাউদ্দীনের ৩১তম শাহাদাত দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. আলাউদ্দীনের ৩১তম শাহাদাত দিবস

পত্রদূত রিপোর্ট: মেঠোপথ ধরে কখনো মোটরসাইকেলে, কখনো আবার পায়ে হেঁটে ধুলোবালি উড়িয়ে ছুটে চলতেন এক মধ্যবয়সী মানুষ। গ্রামের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শুনতেন, বুকে জড়িয়ে নিতেন মেহনতি মানুষকে। সাতক্ষীরার মানুষ তাঁকে চিনত তাদের ‘অভিভাবক’ হিসেবে। কিন্তু ১৯৯৬ সালের ১৯ জুনের কালরাত্রিতে ঘাতকের তপ্ত বুলেট স্তব্ধ করে দেয় সেই পথচলা। তিনি হলেন আলাউদ্দীন ফুডস্ এন্ড কেমিক্যালের প্রতিষ্ঠাতা, বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা, ভোমরা স্থলবন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা, দৈনিক পত্রদূতের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. আলাউদ্দীন। আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. আলাউদ্দীনের ৩১তম শাহাদাত দিবস।

১৯৪৫ সালের ২৯ আগস্ট সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের মিঠাবাড়ি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন স. ম. আলাউদ্দীন। বাবা সৈয়দ আলী সরদার ও মা সখিনা খাতুনের চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

ছাত্রাবস্থাতেই ১৯৬২ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি। এরপর ১৯৬৬-এর ছয় দফা, ‘৬৮-এর গণআন্দোলনে রাজপথ কাঁপিয়ে ১৯৬৭ সালে তিনি যোগ দেন ছাত্রলীগে। মেধার স্বাক্ষর রেখে খুলনার বিএল কলেজ থেকে বিএ এবং পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এর মাঝেই ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে মাত্র ২৫ বছর বয়সে তৎকালীন পাকিস্তানের সর্বকনিষ্ঠ প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হয়ে চমক লাগিয়ে দেন এই তরুণ নেতা।

১৯৭১ সালে যখন দেশমাতৃকার ডাক এলো, তখন অনেক জনপ্রতিনিধি নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে নেতৃত্ব দিলেও স. ম. আলাউদ্দীন সরাসরি রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৯নং সেক্টরের অধীনে অস্ত্র সংগ্রহ ও বীরত্বপূর্ণ সশস্ত্র যুদ্ধের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) এম এ জলিল তাঁর ‘অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা’ গ্রন্থে আলাউদ্দীনের অসীম সাহসিকতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক আদালত তাঁর অনুপস্থিতিতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদ- ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিলেও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন।

স্বাধীনতার পর কিছুকাল জাসদ এবং ১৯৮০ সাল থেকে আমৃত্যু আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকা এই মানুষটি ছিলেন আধুনিক সাতক্ষীরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থপতি। জেলাটিকে স্বাবলম্বী করতে তাঁর অবদান ছিল বহুমুখী। সাতক্ষীরার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি ‘ভোমরা স্থলবন্দর’ প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর ছিলেন তিনি। যুবসমাজের কর্মসংস্থানে গড়ে তোলেন ‘আলাউদ্দীন ফুডস্ অ্যান্ড কেমিক্যাল’। তিনি সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও ছিলেন। ১৯৯৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। সেখানে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি অষ্টম শ্রেণি থেকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন, যেন শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি উপার্জনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। চিকিৎসা সেবার প্রসারে জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের তত্ত্বাবধানে নিজের জমি দান করে গড়ে তোলেন ‘নগরঘাটা শিশু হাসপাতাল’। এছাড়া পরিকল্পিত চিংড়ি চাষ ও বেতনা নদী খননের আন্দোলনেও তিনি ছিলেন পুরোধা।

গণমানুষের অবরুদ্ধ কণ্ঠস্বরকে ফুটিয়ে তুলতে ১৯৯৫ সালের ২৩ জানুয়ারি তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সাতক্ষীরার পাঠকপ্রিয় দৈনিক ‘পত্রদূত’ পত্রিকা। সম্পাদক হিসেবে অন্যায়, দুর্নীতি ও শোষকদের বিরুদ্ধে তাঁর ধারালো কলম রাজপথের চেয়েও ধারালো হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এই আপসহীন সাংবাদিকতাই তাঁর জীবনে কাল ডেকে আনে।
১৯৯৬ সালের ১৯ জুন, রাত ১০টা ২৩ মিনিটে দৈনিক পত্রদূত কার্যালয়ে কাজ করছিলেন সম্পাদক স. ম. আলাউদ্দীন। ঠিক তখনই অন্ধকারের বুক চিরে ধেয়ে আসে ঘাতকের নির্মম বুলেট। নিজের প্রিয় পত্রিকা অফিসের মেঝেতেই রক্তে রঞ্জিত হয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। রাত ১০টা ৩০ মিনিটে নেভে সাতক্ষীরার উন্নয়নের সেই জীবনপ্রদীপ।

স. ম. আলাউদ্দীন আজ নেই, কিন্তু সাতক্ষীরার প্রতিটি অবকাঠামো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর ভোমরা স্থলবন্দরের ব্যস্ততায় জড়িয়ে আছে তাঁর স্মৃতি। মেঠোপথের সেই চেনা মানুষটি আজ ঘুমিয়ে আছেন কবরের নীরবতায়, আর সাতক্ষীরার মানুষ আজও বুকভরা বেদনা নিয়ে স্মরণ করে তাদের এই চিরঞ্জীব রূপকারকে।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম. আলাউদ্দীনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদের কবর জিয়ারত, তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান।

 

Ads small one

শ্যামনগরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২২ জুলাই) শ্যামনগর নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন ও শ্যামনগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য কবি ও সাহিত্যিক মোঃ শহীদুর রহমান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুস সাত্তার, সদস্য মোঃ আকবর হোসেন প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা শিক্ষা ইন্সটাক্টর মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার মন্ডল, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার মন্ডল। রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শ্যামনগর উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শ্যামনগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক মানবেন্দ্র দেবনাথ।

 

 

 

 

কলারোয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, ২৭ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, ২৭ হাজার টাকা জরিমানা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই আইসক্রিম তৈরির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ বুধবার (২২ জুলাই, ২০২৬) বেলা ১২:৩০টার দিকে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা মোড়ে অবস্থিত একটি আইসক্রিম কারখানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদি হাসান তানভীর এর নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এই জরিমানা আদায় করেন।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসূত্রে জানা যায়, হেলাতলা মোড় এলাকায় আমানুল রহমান নামের এক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে কোনোপ্রকার বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সম্পূর্ণ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের উপাদান দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বেলা ১২:৩০টার দিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখতে পেয়ে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবসায়ী আমানুল রহমানকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ না করার জন্য তাকে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনার সময় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী (পুলিশ)-র একটি চৌকস দল উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদি হাসান তানভীর জানান, জনস্বার্থে ও ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

মাধক বিক্রেতাসহ সকল অপরাধীকে আইনের সোপর্দ করুন: ওসি শামীম আহমদ খান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
মাধক বিক্রেতাসহ সকল অপরাধীকে আইনের সোপর্দ করুন: ওসি শামীম আহমদ খান

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সাপ্তাহিক প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) সকালে আশাশুনি থানা চত্বরে আয়োজিত প্যারেডে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

প্যারেডে উপস্থিত গ্রাম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খান। তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ হচ্ছে পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী বাহিনী। গ্রামের প্রতিটি এলাকায় তাদের উপস্থিতি থাকায় যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার সুযোগ থাকে। তাই প্রত্যেক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, জুয়া, সন্ত্রাসী কার্যক্রম কিংবা যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকান্ডের তথ্য গোপন না রেখে তাৎক্ষণিকভাবে থানাকে জানাতে হবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবেন।

গ্রাম পুলিশ সদস্যদের কাজের মূল্যায়ন করা হবে। যারা দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দেবেন এবং অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করবেন, তাদের সর্বোচ্চ নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হবে। এসময় নবাগত ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দাস, সেকেন্ড অফিসার এসআই রশিদুজ্জামান সহ থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।