বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আর্সেনিকের থাবায় দুই গ্রাম, দুই দশকে প্রাণ গেল অর্ধশত মানুষের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
আর্সেনিকের থাবায় দুই গ্রাম, দুই দশকে প্রাণ গেল অর্ধশত মানুষের

প্রতিদিন বিষপান, তবুও বিকল্প নেই

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণকাটি ও সংলগ্ন এলাকায় আর্সেনিকের ভয়াবহতা এখন চরম পর্যায়ে। গত ২০ বছরে বিশুদ্ধ পানির অভাবে এবং আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করে এই এলাকায় অন্তত ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম এই কৃষ্ণকাটি গ্রামেই আর্সেনিক শনাক্ত হয়েছিল, কিন্তু দুই দশক পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি; বরং প্রতিবছরই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই এলাকার মানুষের শরীরে আর্সেনিকের বিষক্রিয়া স্পষ্ট। হাতে ও পায়ের তালুতে বাদামি ছাপ, বুকে-পিঠে ‘স্পটেড পিগমেনটেশন’ এবং অনেকের শরীরে গুটিগুটি ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। বিষক্রিয়ার ফলে পুরুষেরা রোদে গিয়ে পরিশ্রম করতে পারছেন না, শরীরের ভেতরে জ্বালাপোড়া ও অসহ্য যন্ত্রণা তাদের নিত্যসঙ্গী। দীর্ঘমেয়াদী এই সংক্রমণ অনেকের ক্ষেত্রে ক্যান্সারে রূপ নিচ্ছে। এছাড়া আঙুল বেঁকে যাওয়া, অসাড়তা এবং পচন ধরার মতো ভয়াবহ উপসর্গ নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন অনেকে।

ভুক্তভোগী রুমানা বেগমের করুণ কাহিনী পুরো গ্রামের চিত্র তুলে ধরে। আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে তার স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সাত সদস্য মারা গেছেন। বর্তমানে সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে তার।
একইভাবে নাজমা বেগম হারিয়েছেন তার স্বামী, ছেলে, দেবর ও শ্বশুরকে। নিজে ২২ বছর ধরে এই মরণব্যাধি বয়ে বেড়াচ্ছেন। অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা তো দূরের কথা, ডাক্তারের পরামর্শ দেওয়া পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করতেও হিমশিম খাচ্ছেন এই মানুষগুলো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বিভিন্ন এনজিওর উদ্যোগে সুপেয় পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করা হলেও সেগুলো বছরের পর বছর অকেজো হয়ে পড়ে আছে। নিয়মানুযায়ী প্রতি বছরে দুইবার টিউবওয়েলের পানি পরীক্ষা করার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। সরকারিভাবে সরবরাহকৃত পানির প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার কোনো দেখা মেলেনি। ফলে নিরুপায় হয়ে মানুষ লাল চিহ্নিত টিউবওয়েলের ‘বিষাক্ত’ পানিই পান করছে।

আর্সেনিকের এই ভয়াবহ ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে শিশুদের ওপর। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে অকেজো ওয়াটার প্ল্যান্টগুলো সচল করা এবং সরকারিভাবে পাইপলাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানির ব্যবস্থা না করলে এই মৃত্যুমিছিল থামানো সম্ভব হবে না।

স্থানীয় বাসিন্দা জাকির মোড়ল আক্ষেপ করে বলেন, টিউবওয়েলে লাল রঙ দিয়ে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তৃষ্ণা মেটাতে আর কোনো বিকল্প নেই। আমরা জেনেশুনেই প্রতিদিন বিষ পান করছি।

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু জানান, আমার ইউনিয়নে ব্যাপক আর্সেনিকের প্রভাবে বিশেষ করে কৃষ্ণকাটি ও শ্রীমন্তকাঠি গ্রামের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কৃষ্ণকাটি গ্রামের আনসার মোড়লের একই পরিবারের সাত জন মারা গিয়েছে। বিভিন্ন এনজিও কিছু ট্যাংকি বিতরণ করেছিল। সেই ট্যাংকিতে বৃষ্টির পানি ধরে কিছু সংখ্যক মানুষ পান করে। কিন্তু বৃষ্টির পানি দুই তিন মাসের বেশি পান করা যায় না।

 

পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের একটি প্রকল্প কৃষ্ণকাটি গ্রামে পাস হয়েছে। দীর্ঘদিন আগে প্রকল্পটি পাস হওয়ার পরেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি কেন হচ্ছে না তা আমাদের অজানা। দ্রুত এই প্রকল্পটির কাজ করা হলে এই এলাকার মানুষ আর্সেনিকের প্রকোপ থেকে বাঁচতে পারবে।

 

আর্সেনিকের প্রভাবে যে রোগগুলো দেখা দিয়েছে সরকার স্পেশালভাবে এখানে কোন চিকিৎসা দেয় না। মাঝে মাঝে এনজিও আসে কিছু ঔষুধ পত্রের ব্যবস্থা করে তাছাড়া তেমন কোন ব্যবস্থা বা চিকিৎসা এখানে দেয়া হয় না। বিষয়টি বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। মানুষ এখনো নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

এ সকল বিষয়ে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: আব্দুস সালাম বলেন, আর্সেনিক খুব মারাত্মক একটি রোগ। আর্সেনিক হলে সাধারণত হাত-পা বাঁকা হয়ে যাওয়া সহ যেটার পরিণতি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত আর্সেনিক আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে ডায়গনোসিস করে বিনামূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় । তালায় জালালপুর যে অঞ্চলে আক্রান্ত হয়েছে সেখানে পুনরায় খবরাখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।