বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

আশাশুনি বাজার ও ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন পাওবো কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
আশাশুনি বাজার ও ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন পাওবো কর্মকর্তা

Oplus_16908288

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলা সদর বাজার ও মরিচ্চাপ ব্রীজ নদী ভাঙ্গনে হুমকিগ্রস্থ হওয়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাজকিয়া।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পাওবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হক, এসডিই রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিন, জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন পিন্টু, জামায়াত নেতা মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আশাশুনি প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনকালে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাসকিয়া সাংবাদিকদের জানান, ভয়াবহ ভাঙ্গনের বিষয়ে অবহিত হয়ে সরজমিনে পরিদর্শনে এসেছি। তিনি বলেন, মরিচ্চাপ নদী নতুন করে খননের পর পূর্বের চলমান বাজার সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করেছে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হবে। উপস্থিত সূধীজনের দাবীর মুখে স্থায়ী ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে সিসি ব্লক কাজ করা হবে তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে প্রকল্প পাঠানো হবে। তা পাশ হওয়া সাপেক্ষে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রসঙ্গতঃ মরিচ্চাপ নদী খননের পর সদর বাজার ও মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মিত মরিচ্চাপ ব্রীজ এলাকা ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন পূর্বের থেকে প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে বাজার ও ব্রীজ হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়েছে। বাজারের অসংখ্য দোকানপাট, পাউবো সহ সরকারি বেসরকারি অফিস, বসতবাড়ী যে কোন মুহূর্তে মরিচ্চাপ নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে। ইতোমধ্যে, ব্রীজ সংলগ্ন একটি পাকা বসত বাড়ী নদী গর্ভে চলে গেছে।

 

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ দ্রুত এবং পর্যায়ক্রমে বাজার রক্ষায়, ব্রীজ ও ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে চাপড়া-মাদ্রা গ্রামের ভাঙ্গনও প্রকট আকার ধারন করেছে। মাদ্রা গ্রামের সামনে ভাঙ্গনও দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ওই গ্রামের বাড়ী ঘর নদী গর্ভে চলে যাবে। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পাউবো’র উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসি।

 

Ads small one

যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু

কেশবপুর পৌর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর বুধবার (২৯-০৪-২৬) রাতে বৃষ্টির মধ্যে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের ফকির রাস্তা বাজার এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল চালক কেশবপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের নজরুল মোড়লের ছেলে নাইম মোড়ল (২৫) ঘটনাস্থলে নিহত হয়।

 

মোটরসাইকেলে থাকা আরও দুইজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কেশবপুর হাসপাতাল থেকে খুলনায় মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শ্যামনগরের গাবুরাতে এক হাজার লিটারের ৭৭টি পানির ট্যাংক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের গাবুরাতে এক হাজার লিটারের ৭৭টি পানির ট্যাংক বিতরণ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ফেইথ ইন এ্যাকশনের মাধ্যমে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রাথমিক দলের ৭৭ জন নারী পুরুষকে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ১০০০ লিটার পানির ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছে।

উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১২নং গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জি,এম মাসুদুল আলম। উপস্থিত ছিলেন ১নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য মো:হাবিবুল্লাহ, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, অফিসার প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস, প্রজেক্ট অফিসার পরিতোষ কুমার বৈদ্য, জেন্ডার অফিসার নওমী বিশ্বাস ও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেরবৃন্দ প্রমূখ।

ট্যাংক বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বলেন, গাবুরা ইউনিয়নে সুপেয় পানির সংকট প্রকট। সেখানে মানুষ বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে ৩ থেকে ৪ মাস পানি সংকট নিরসনে ভুমিকা রাখে। কিন্তু পানি সংরক্ষণের জন্য পানির পাত্র প্রয়োজন। ফেইথ ইন এ্যাকশন পানি সংরক্ষণে যে পানির ট্যাংক বিতরণ করছে সেজন্য ফেইথ ইন এ্যাকশনকে ধণ্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সুযোগ থাকলে ফেইথ ইন এ্যাকশনের নিকট গাবুরা ইউনিয়নে আরও কিছু পানির ট্যাংক বিতরণ করার জন্য দাবী রাখছি।

উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি বলেন, “গাবুরা ইউনিয়নে লবণাক্ততার জন্য সুপেয় পানির সংকট। এখানে নারীরা প্রয়োজনের তুলনার কম পানি পান করে। এই পানি সংকট নিরসনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থারও এগিয়ে আসা প্রয়োজন। ফেইথ ইন এ্যাকশন পানির ট্যাংক বিতরণের যে উদ্যোগ নিয়েছে সেজন্য ফেইথ ইন এ্যাকশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” তিনি গাবুরা ইউনিয়নের পানির ট্যাংক গ্রহণকারীদের ড্রাম সংরক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।

 

পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কাল বৈশাখী ঝড়বৃষ্টিতে আতঙ্কে কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কাল বৈশাখী ঝড়বৃষ্টিতে আতঙ্কে কৃষক

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কাল বৈশাখী ঝড় ও ধান কাটা শ্রমিক সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা। সম্প্রতি এ অঞ্চলের উপর দিয়ে ৩/৪ বার ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাওয়ায় ক্ষেতের ধানগাছ এলামেলো হয়ে পড়লেও ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এলাকার প্রায় সব ক্ষেতের ধান এক সাথে পাকার কারণে ধান কাটা শ্রমিক সংকটে মাঠের ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন বিলে ৬ হাজার ১৭ হেক্টর হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো চাষে ডিজেল ও বিদ্যুতের সরবরাহ চাহিদা মত ছিলো না। তারপরও সব মিলিয়ে এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

উপকূলের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়-বৃষ্টি মৌসুম এবার আগেভাগেই শুরু হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কমবেশি এর প্রভাব পড়ছে। এলাকার কৃষক আব্দুল মান্নান জানান, এক সপ্তার মধ্যে উপজেলার সর্বত্রই ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হবে। উৎপাদন খরচও গত বারের চেয়ে এ বছর বেশী হয়েছে। এরপরও কৃষি শ্রমিকরা ধান কাটার জন্য মোটা অংকের দাম হাকাচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে শ্রমিক সংকটের পাশাপাশি কৃষকরা সীমাহীন ক্ষতির মধ্যে পড়বে। এ বছর ধানের দাম কমের কারণে কষ্টের ধানে শেষ পর্যন্ত উৎপাদন খরচ উঠবে কিনা তা নিয়েও কৃষকরা সংশয়ে রয়েছেন।

উপজেলার হিতামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর সালাম সানা বলেন, ঝড়বৃষ্টির কারণে ধান কেটে মাঠে পালা দিয়ে পলিথিত দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। এতে ধান ও বিচুলির ক্ষতি হচ্ছে। ধান কাটার শ্রমিক মিলছে না। গ্রামের লোকজন গার্মেন্ট, ইটের ভাটাসহ বিভিন্ন কাজে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলে যাচ্ছে। ফলে কৃষি কাজে দিন দিন শ্রমিক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ধান কাটার সময় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চড়া দামে শ্রমিক আনতে হচ্ছে। এক হেক্টর জমির ধান কেটে বাড়ি আনতে তার ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। ফলে ধানের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, উপকূলের এ উপজেলায় বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। আর ৫/৭ দিনের মধ্যে মাঠে ধান পুরাদমে শুরু হবে। চলতি মৌসুমে বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ও ক্ষেত সঠিক ভাবে পরিচর্যা করায় বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। কৃষকরা বিচুলীতে অধিক দাম পাওয়ায় বোরো চাষে তাদের আগ্রহ বেড়েছে।