বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

আলোচনায় থেকেও মনোনয়ন পেলেন না যেসব নেত্রী-তারকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
আলোচনায় থেকেও মনোনয়ন পেলেন না যেসব নেত্রী-তারকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাদের নাম ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তবে এতে মনোনয়ন পাননি আলোচিত অনেক প্রার্থী। এর মধ্যে রয়েছেন– সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, আফরোজা আব্বাস, কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, মেঘনা আলম, ফারজানা সিঁথি, প্রয়াত নাসির উদ্দীন পুন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মেয়ে অপর্ণা রায়, সালাহ উদ্দিন আহমদ এর স্ত্রী হাসিনা আহমদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলের স্ত্রী নাঈমা খন্দকার, মহিলা দলের সহ-সভাপতি বেবী মওদুদ, সামিরা তাজরিন ও মাহরীন খান।

পরিচিত মুখ হিসেবে এই কয়েকজন মোটামুটি আলোচনায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত বাছাইয়ে তারা বাদ পড়েছেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তাদের ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হতে পারে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে মোট ১ হাজার ২৫টি। তবে, জমা দিয়েছেন প্রায় ৯০০ জন। প্রতিটি ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২ হাজার টাকা এবং মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়।

গত ১৭ ও ১৮ এপ্রিল প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

Ads small one

গুণী চিত্রশিল্পীদের স্মরণে বিশেষ দিন পালন করলো খুলনা আর্ট একাডেমি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
গুণী চিত্রশিল্পীদের স্মরণে বিশেষ দিন পালন করলো খুলনা আর্ট একাডেমি

গুণী চিত্রশিল্পীদের স্মরণে খুলনা আর্ট একাডেমিতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২১শে এপ্রিল বিশেষ দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ২১টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শিল্পীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁদের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করা হয়।

 

খুলনা মহানগরীর ৩৬, আয়েশা কটেজ, ইকবাল নগরে অবস্থিত খুলনা আর্ট একাডেমিতে ২০১৫ সালে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত প্রতিথযশা ও স্বনামধন্য শিল্পীরা পরিদর্শনে আসেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শিল্পী রফিকুন নবী, সমীর দত্ত, মোস্তাফিজুল হক, শামসুদ্দোহা, নিসার হোসেন, শেখ আফজাল হোসেন, শিশির ভট্টাচার্য, সিলভিয়া নাজনীন, বিমানেশ চন্দ্র এবং তরিকত ইসলাম।

 

সেই স্মরণীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করেই প্রতিবছর ২১শে এপ্রিল দিনটি বিশেষভাবে পালন করে আসছে একাডেমি।এ বছরের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল থেকে আগত রতন বেপারী ও সুলতা হালদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, একাডেমির সদস্য সৌহার্দ্য বিশ্বাস ও সম্প্রীতি বিশ্বাস।

 

এ সময় চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস জানান, তিনি যতদিন এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন, ততদিন শিল্পগুরুদের স্মরণে এই বিশেষ দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করে যাবেন। তিনি আরও বলেন, শিল্পগুরুদের ছবি সামনে রেখে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি যে জ্ঞান শিল্পগুরুদের কাছ থেকে অর্জন করেছেন, তা নবীন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

 

তিনি উল্লেখ করেন, খুলনা আর্ট একাডেমির চারুকলা ভর্তি কোচিং থেকে ইতোমধ্যে ২৩০ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে এবং অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ড্রইং শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন। এটিকেই তিনি তাঁর জীবনের পরম প্রাপ্তি বলে মনে করেন এবং এই সাফল্যের পেছনে শিল্পগুরুদের আশীর্বাদকেই মূল শক্তি হিসেবে দেখেন।

 

তিনি আরও বলেন, আর্ট কলেজ থেকে যে শিল্পীর আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে তাঁর শিল্পজীবনের যাত্রা শুরু, তিনি হলেন ভাস্কর শেখ সাদী ভূঁঞা। যিনি ২০২৪ সালে পরলোকগমন করেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করেই তিনি শিল্পচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং যতদিন শিল্পচর্চা করবেন, ততদিন এই গুণীজনদের স্মরণে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন। তার সঞ্চিত শিক্ষা বিনা অর্থে খুলনার সিইউসি স্কুলের  সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সপ্তাহে একদিন ছবি আঁকার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন এতে মনে করেন তার শিল্প সাধনার সার্থকতা খুঁজে পায়।

সর্বশেষে, তিনি তাঁর পিতা-মাতা ও সকল শিল্পগুরুকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে সকলের কাছে  আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন যেন তিনি তাঁর শিল্প সাধনার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চির অমর হয়ে থাকতে পারেন। সকলের জন্য সুস্থতা প্রার্থনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

অবশেষে মুক্তি পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগের নেত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
অবশেষে মুক্তি পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া যুব মহিলা লীগের নেত্রী

অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন যুব মহিলা লীগের নেত্রী মোসা. শিল্পী বেগম। সঙ্গে ছিল তাঁর দেড় মাস বয়সী কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান শিল্পী বেগমের জামিন মঞ্জুর করেন। রাজধানীর তেজগাঁও থানায় করা বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

আজ সকাল থেকেই শিল্পী বেগম ও তাঁর সন্তানকে নিতে পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা কারাগারের সামনে ভিড় করেন। শিল্পী বেগম কারাগার থেকে বের হলে তাঁকে সহকর্মীরা বরণ করে নেন। তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগের নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শিল্পী আপা আমাদের এলাকার বড় বোন। তাঁর সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর আদালত মানবিক দিক বিবেচনা করে জামিন দিয়েছেন। আমরা আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’

 

কারামুক্ত হওয়ার পর শিল্পী বেগম বলেন, ‘আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি; কিন্তু কোনো পদপদবি নেই। আমাকে মুক্তি দিয়েছে। এ জন্য আমি আইনের প্রতি, আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

 

গত সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে দেড় মাস বয়সী শিশুসন্তানসহ তাঁকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। কোলের শিশুসহ মায়ের কারাবাসের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়।

বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা

সমন্বিত সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালীকরণ, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় শীর্ষক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা আজ (বুধবার) খুলনা প্রেসক্লাবের শহিদ হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চল আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক।

অ্যাডভোকেসি সভায় অতিথিরা বলেন, জলবায়ু পরির্বতনের কারণে ভিটামাটি হারিয়ে শুধু একটি পরিবার নয় একটি সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকাকে ক্রমাগতভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। ফলে উপকূলীয় ও দুর্যোগ প্রবণ এলাকা থেকে মানুষ বাধ্য হয়ে শহরমুখী হচ্ছে বিশেষ করে খুলনার মতো শহরে।

 

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরনের সুবিধা থাকলে তারা শহরে আসবে কম। যেহেতু গণমাধ্যম জনমত গঠন ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাই গণমাধ্যম জলবায়ু অভিবাসীদের বাস্তবতা তুলে ধরে অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পক্ষে জোরালো সমর্থন গড়ে তুলবে বক্তারা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (কুয়েট) এর সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী পবিত্র কুমার মন্ডল।

অ্যাডভোকেসি সভায় সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলম, গণমাধ্যমকর্মী ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চারটি ওয়ার্ডের কমিউনিটি লিডাররা অংশ নেন।

সভার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানানো হয়, জলবায়ু অভিবাসীদের সমস্যা ও অধিকার সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা ও ঘাটতি তুলে ধরা, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল প্রতিবেদন তৈরিতে গণমাধ্যমকে উৎসাহিত করা এবং গণমাধ্যম, সরকার ও সুশীল সমাজের মধ্যে সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করা। তথ্যবিবরণী