শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

লিচুর সঙ্গে ভুলেও খাবেন না যে ধরনের ওষুধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
লিচুর সঙ্গে ভুলেও খাবেন না যে ধরনের ওষুধ

 

লিচু একটি সুস্বাদু ও জনপ্রিয় ফল হলেও কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ওষুধের সঙ্গে এটি খাওয়া স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিচুর সঙ্গে কিছু খাবার ও ওষুধ একসঙ্গে গ্রহণ করলে পুষ্টি শোষণে সমস্যা, হজমের গোলমাল বা ওষুধের কার্যকারিতায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই লিচু খাওয়ার আগে এর কিছু সংযম মেনে চলা জরুরি।

সাধারণভাবে লিচু খাওয়ার দুই ঘণ্টা আগে এবং পরে কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ এড়িয়ে চলা ভালো বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন গবেষণা।

যেসব ওষুধের সঙ্গে লিচু খাওয়া উচিত নয়
কিছু ওষুধের সঙ্গে লিচু খেলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে বা শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

প্যারাসিটামল ট্যাবলেট: এই ওষুধ জ্বর ও ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হয়। লিচুর উচ্চ চিনি উপাদান ওষুধের শোষণ ও বিপাক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।

মেটফরমিন (সাস্টেইন্ড রিলিজ ট্যাবলেট): এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত একটি সাধারণ ওষুধ। লিচুতে প্রাকৃতিক চিনি বেশি থাকায় রক্তে শর্করা বাড়তে পারে। ফলে ওষুধের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা দেখা দিতে পারে।

ডমপেরিডোন ট্যাবলেট: এটি হজম ও পাকস্থলীর কার্যকারিতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। লিচুর মিষ্টতা ওষুধের তিক্ত স্বাদ কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে এর স্বাভাবিক প্রভাব কমে যেতে পারে।

ভিটামিন কে১ ইনজেকশন: এটি রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। লিচুর ভিটামিন সি কিছু ক্ষেত্রে রক্ত পাতলা করার প্রভাব ফেলতে পারে, যা ওষুধের কার্যকারিতার সঙ্গে বিরোধ তৈরি করতে পারে।

অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট: এই ওষুধ ব্যথা, জ্বর এবং রক্ত জমাট বাঁধা রোধে ব্যবহৃত হয়। লিচুর অ্যাসিড পাকস্থলীর অম্লতা বাড়াতে পারে, যার ফলে ওষুধ দ্রুত শোষিত হয়ে পেটের অস্বস্তি বা রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
লিচু খাওয়ার ক্ষেত্রে ওষুধের এই পারস্পরিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের জন্য লিচু খাওয়ার আগে সময় ও পরিমাণ সম্পর্কে সতর্ক হওয়া জরুরি।

যদি নির্দিষ্ট ওষুধ চলাকালীন লিচু খেতেই হয়, তবে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে খাদ্য ও ওষুধের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে।

অবশ্যই যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।

লিচু পুষ্টিকর এবং উপকারী ফল হলেও কিছু খাবার ও ওষুধের সঙ্গে এটি একসঙ্গে গ্রহণ করা উচিত নয়। সঠিক নিয়ম মেনে খেলে লিচুর উপকারিতা পাওয়া যায়, আর অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব হয়।

সূত্র: কাইনিয়াও হেল্থ

Ads small one

কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জয়দেব সভাপতি, কুদ্দুস সম্পাদক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জয়দেব সভাপতি, কুদ্দুস সম্পাদক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়দেব চক্রবর্তী (লোকসমাজ) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুহুল কুদ্দুস (ইনকিলাব) নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া সহসভাপতি পদে আব্দুল হাই সিদ্দিকী (নয়া দিগন্ত ও পূর্বাঞ্চল) ও মোতাহার হোসাইন (সমকাল ও গ্রামের কাগজ), যুগ্ম সম্পাদক পদে মশিয়ার রহমান (আলোকিত বাংলাদেশ) ও মেহেদী হাসান জাহিদ (সময়ের খবর), কোষাধ্যক্ষ পদে সিদ্দিকুর রহমান (খোলা কাগজ), দপ্তর সম্পাদক পদে আলমগীর হোসেন (দৈনিক খুলনাঞ্চল), ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক পদে মাসুম বিল্লাহ (প্রতিদিনের কথা), এবং গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মতিয়ার রহমান (অনির্বাণ) নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী পাঁচ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আজিজুর রহমান (যুগান্তর), নুরুল ইসলাম খান (কালের কণ্ঠ), আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ (দৈনিক কল্যাণ), উৎপল দে (কালবেলা) ও শেখ শাহীনুর ইসলাম (করতোয়া)।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রেস ক্লাবের সদস্য ও ভোটারদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাংবাদিকতার মান উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে। সংবাদ পরিবেশনে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লেখনী ধারণ এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার মাধ্যমে তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আগামী দিনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

‘জলবায়ু অভিঘাত পেরিয়ে গ্রামীণ নারী ক্ষমতায়ন ও সমৃদ্ধির পথে’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের নারী দলের সদস্যদের আয়োজনে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালি বালুর মাঠে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লিডার্স, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও অ্যাম্বাসি অব সুইডেনের সহযোগিতায় কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি–সিআরইএ প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়। ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জিএম আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার ওয়ালিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সাংবাদিক হুদা মালী, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সমাজসেবক জি এম রুস্তম আলী, ফেইথ ইন অ্যাকশনের জেন্ডার অফিসার নয়মী বিশ্বাস, পিসিআরসিবি প্রকল্প সিসিডিবির সহসভাপতি মিনতি রানী মল্লিক, মেঘনা নারী দলের সভাপতি নার্গিস সুলতানা, দোলন চাঁপা নারী দলের সহসভাপতি জেবুন্নেছা খাতুন এবং লিডার্সের সিআরইএ প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত অধিকারীসহ প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা সুলতা রানী সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায় দুপুরের পর থেকেই বাড়তে শুরু করে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই আলো ঝলমলে মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মানুষের মিলনমেলায়। কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও বিনোদনের আনন্দে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ। মেলা শেষের দিকে চলে আসায় ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও জমে উঠেছে। অন্যদিকে, মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মেলার ১৫তম দিনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। গত ১ অক্টোবর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ঐতিহ্যবাহী এ মেলা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা আসছেন। মেলায় রয়েছে প্রসাধনী, পোশাক, শিশুদের খেলনা, গৃহস্থালির সামগ্রী ও খাবারের নানা দোকান। রঙিন আলোকসজ্জা আর মানুষের পদচারণায় সন্ধ্যার পর মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।

মেলার শেষ পর্যায়ে এসে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, মেলার বাকি দিনগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং বিক্রিও ভালো হবে।

ঢাকা থেকে আসা কসমেটিকস ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, “মেলার শেষ দিকে এসে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। দুপুরের পর থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। এভাবে ক্রেতা আসতে থাকলে সামনের দিনগুলোতে বেচাকেনা আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

বরিশাল থেকে শিশুদের খেলনা নিয়ে আসা ব্যবসায়ী আকবর বলেন, “মেলার শেষ সপ্তাহে এসে ক্রেতাদের আনাগোনা ভালো। শিশুদের খেলনার প্রতি ছোটদের আগ্রহ রয়েছে। এখন বেচাকেনা ভালো হওয়ায় আমরা আশাবাদী। মেলার শেষ দিনগুলোতে আরও ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করছি।”
মাদারীপুর থেকে আসা ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন বলেন, “মেলা শেষের দিকে হওয়ায় এখন বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ মেলায় আসছেন, পছন্দের জিনিস কিনছেন। সামনে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়লে আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

এদিকে, বৃহস্পতিবার গুড়পুকুর মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম। মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের দায়িত্ব পালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা সন্তোষজনক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী গুড়পুকুর মেলা সাতক্ষীরার মানুষের কাছে শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়, বরং সামাজিক মিলন ও বিনোদনেরও অন্যতম উপলক্ষ। মেলা শেষের দিকে এসে দর্শনার্থীদের আনাগোনা এবং ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসায় আয়োজক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।