শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনিতে ৩৯টি খাল চিহ্নিত করে পুনঃ খননে এমপির ডিও লিটার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ৩৯টি খাল চিহ্নিত করে পুনঃ খননে এমপির ডিও লিটার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থা অটুট রাখা এবং জনভোগান্তি লাঘব ও নির্বিঘœ ফসল উৎপাদনে জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে ৩৯টি খাল চিহ্নিত করে জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ডিও লেটার প্রদান করেছেন। সোমবার (১ জুন) বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মতবিনিময় শেষে এমপি রবিউল বাশার ডিও লেটার প্রেরণ করেন।

এমপি রবিউল বাশার ইতিপূর্বে উপজেলার সকল খালের পুনঃ খননের জন্য ডিও লেটার দিয়েছিলেন। এসব খালের মধ্যে প্রথম অগ্রাধিকার ভিত্তিক ৩৯টি খাল চিহ্নত করতে মত বিনিময় সভা করা হয়। সভায় এমপি রবিউল বাশার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম, এসও আলমগীর, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওঃ আনওয়ারুল হক, অফিস সেক্রেটারী মাওঃ রুহুল কুদ্দুছ, এমপির পিএস শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

 

সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইতিপূর্বে প্রেরিত ডিও লেটারের তালিকার ভিতর থেকে সদর ইউনিয়নের পূর্ববিল খাল, বলাবাড়িয়া খাল, শবদলপুর খাল, বেতুয়ার বিল খাল, শ্রীকলস খাল, শ্রীউলার উত্তর পুইজালা, কলিমাখালী, নছিমাবাদ, কাকড়াবুনিয়া, মহিষকুড়, শ্রীউলা ডিএস ১১ খাল, প্রতাপনগরের কোলা, কল্যাণপুর স্লুইস গেট খাল, কুড়িকাহুনিয়া, কানাখালী খাল, শোভনালীর সংকরমনি, লতাখালী, বসুখালী, ঝিয়ামারী, শোভনালী শাখা খাল, আনুলিয়ার ঘাষটিয়া, গজালী, নায়াখালী, গদাইপুর, ভোলানাথপুর, খাজরার কাটাখালী, বসুখালী, চেউটিয়া নদী খাল জলমহল, চেউটিয়া (উত্তর বাইনতলা হতে কালকির গেট), তুয়ারডাঙ্গা ও কালকি খাল, বড়দলের উৎপল সানার বাড়ি হতে রমজান সানার কালভার্ট, বামনডাঙ্গা স্লুইস গেটের উভয় পাশে তিতুখালী-২, বামনডাঙ্গা খাল, বুধহাটার সুর্য্যখালী, মাদ্রা, মাদ্রা ব্রাঞ্চ, উত্তর চাপড়া খাল এবং কাদাকাটি ইউনিয়নের তিতুখালী খাল চিহ্নিত করে ডিও লেটার প্রদান করা হয়।

 

এসব খাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পুনঃ খননের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Ads small one

এই শীতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
এই শীতে

মকবুল মাহ্ফুজ
উলের সোয়েটার পরে আছে ওষুধের দোকান
নতুন বছরের ক্যালেন্ডারের গায়ে শীতের চাদর।

এই শীতে গাছেরা কুঁজো হয়ে আছে।
হাড় কাঁপানো শীত এ বছর
আগুনে সেঁকতে হচ্ছে হাত। পা রোজ।
কার যেন কবিতায় পড়েছিলাম
‘কথা বললেই শীত কম লাগে।’
ইস্, এরা যদি কথা বলতে পারত!

মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে
বাবুর আলী গোলদার
কিছু ইতর প্রাণী মলমূত্র ত্যাগ করছে,
দুর্গন্ধ নাকে আসছে।
নারী কী পুরুষ চেনা দায় হচ্ছে,

সর্বাঙ্গ ঢাকা আছে।
বিরতিহীন হাঁটছে,
এপাড়া-ওপাড়া যাচ্ছে।
ফিসফিসিয়ে বলছেÑ
অনন্তকাল সুখভোগের লোভ দেখাচ্ছে।
বাহ্! সুখ যেন ওদের হাতে,
মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে।
সরলমনা মানুষগুলো কি বুঝতে পারছে?

 

আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

জহুরুল হক জুলু
সকালের রোদের চিকমিক সোনা গায়ে মেখে
যে নতুন দিনের জন্ম দেয়,
আর সন্ধ্যার আকাশে
আবিরের রঙ ছড়িয়ে

অস্তাচলে রেখে যাওয়া শেষ স্বাক্ষরÑ
শিল্পীর তুলিতে আঁকা রঙিন স্বপ্নের মতো;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
শীতের ভোরে
ঘাসের ডগায় জেগে থাকা শিশিরকণা

টুপটাপ ঝরে পড়ে নীরবে,
যেন একান্ত আপন ভেবে
বেদনার ভাষা জানাতে চায়Ñ
হৃদয় নিংড়ানো স্বচ্ছ সে কথা;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে, সুগন্ধ বিলিয়ে
যে নীরবে পৌঁছে যায় হৃদয়ের মনিকোঠায়,

অবশেষে একদিন
ঝরে পড়ে নিঃশব্দে,
নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েÑ
আমি সেই ফুলটিকে ধরে রাখতে চাই
সযতেœ স্মৃতির পাতায়;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
ঘুম ভাঙে কিচিরমিচির ডাকে,

হৃদয়ে জাগে অচেনা আলোড়ন।
কেউ দূর নীল আকাশে ভেসে যায়,
খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত উড়াল;
সন্ধ্যা নামলে আবার
কুলায় ফেরে তৃপ্ত হৃদয়ে।
তাদের এই সহজ জীবনযাত্রা
কার না মন কাড়ে?
আমি সেই পাখিদের বন্ধু হতে চাই।

সবুজ ফসলের মাঠ মনকে ভুলিয়ে দেয়,
আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলায়
বাতাস দোলে ছন্দে ছন্দে;
তার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে
আমার হৃদয়ের তীরে।
আমি তারও বন্ধু হতে চাই।
তুমিও তবে হাত বাড়াওÑ
দিগন্ত-বিস্তৃত উন্মুক্ত হাত।

এসো, আমরা বন্ধু হই

এই সৌন্দর্যের, এই জীবনের,

এই অনন্ত মমতার।

শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

শাহাবুদ্দীন
সবকিছুর বিনিময়ে তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন ভোরের কুয়াশা তার অদৃশ্য আঙুল দিয়ে
ঘাসের ডগায় হেঁটে যায়,
শুধু নিঃশব্দে কিছু নরম আলো রেখে যায়।
আমি যত দিইÑ
শব্দ, সময়, স্মৃতি, অদৃশ্য আঙুলের স্পর্শÑ
সবই যেন মাটির নিচে সরে যায়;
কিন্তু তুমি ভালো থাকো,
এটাই আমার প্রার্থনা।
যেমন ঝড়ের পর একা পাতার ওপর
সন্ধ্যার আলো নেমে আসে,
তেমনি তোমার মুখে যেন
শান্তির নরম ছাপ থাকেÑ

যেখানে কেউ আহত হয় না, কেউ হারায় না।
আমি জানি, আমার দেওয়া সবকিছু
অদৃশ্য নদীর মতো বয়ে যাবে;
শুধু তুমি ভালো থেকো,
এই ভেবে নদীও থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে দাঁড় করায়।
তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন হেমন্তের শেষে
শিশিরের নিচে একাকী ফুল;
শুধু নিজের উপস্থিতি দিয়ে
সমস্ত মাঠকে ভরিয়ে রাখে।
সবকিছুর বিনিময়ে,
যদি এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দ,
সমস্ত নীরবতা, সমস্ত আকাশ
আমার হাতে এসে গলে যায়Ñ
তবু একটাই চাওয়া থাকবে:
তুমি ভালো থেকো,
যেমন নক্ষত্র নিজের আলো দিয়ে
রাত্রিকে আলোকিত রাখে,
অচল, অমোঘ, অদূর।