শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদপূর্ব ৬ দিনে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৬১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
ঈদপূর্ব ৬ দিনে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৬১

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রাম এলাকায় গতকাল দুপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। পটুয়াখালীর গলাচিপায় মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন আরো দুজন। একই দিন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অটোরিকশা ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ঈদের দিন দুপুরের মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। দুপুরের পরও বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে ঈদের আগের দিন অর্থাৎ গত বুধবার সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ বলছে, গত ২১ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সারা দেশে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬১ জন। এ হিসাবে ঈদের আগে প্রতিদিন গড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৮৯ জন।

 

আরেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, ঈদের আগে ২৪ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত তিনদিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান ধারণা করছেন, ২৭ ও ২৮ মে সারা দেশে সংঘটিত দুর্ঘটনার হিসাব পাওয়া গেলে গত পাঁচদিনে সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাবে।

 

এবার ঘরমুখো ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা ও হতাহত বেশি হয়েছে মন্তব্য করে সাইদুর রহমান বলেন, ‘‌সাধারণত দেখা যায়, ঈদের ঘরমুখো যাত্রার চেয়ে ফিরতি যাত্রায় দুর্ঘটনার হার দুই থেকে তিন গুণ বেশি হয়। এর পেছনে লএনফোর্সমেন্ট এজেন্সির শিথিলতা, ছুটির শেষ দিনে একসঙ্গে ফেরার তাড়া এবং পকেটের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার মতো মনস্তাত্ত্বিক কারণ থাকে। কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঈদের শুরুতেই মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে (যেমন: ২৭ তারিখ ও তার পরবর্তী সময়ে) নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।’

 

ঈদে আগে সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় বড় দুর্বলতা ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‌সরকার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ বন্ধ করতে পারেনি। সরকারিভাবে নির্ধারিত ভাড়াই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, তার ওপর বেসরকারি বাসের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দৌরাত্ম্য পরিস্থিতিকে আরো শোচনীয় করে তুলেছে। সম্প্রতি যে ১৫ জন মানুষ একসঙ্গে মারা গেলেন, তারা মূলত অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে গিয়ে কম খরচে বিকল্প উপায়ে (যেমন: ট্রাক বা পিকআপে) ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন।’

 

গত বছর ঈদুল আজহার সময়ও ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার হার কাছাকাছি ছিল। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে গত বছরের জুনে অনুষ্ঠিত ঈদুল আজহার আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ২৬ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে গত মার্চে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরেও আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়।বাংলাদেশে যেকোনো উৎসবের সময় সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর যেকোনো দেশে উৎসবের সময় সড়কের সক্ষমতার চেয়ে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়। চাপ বাড়লে কিছুটা যানজট বা দুর্ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের দেশে ঈদের সময় যেভাবে লাশের মিছিল নামে, তা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সারা বছর ধরে যদি আমরা সড়কের নিয়ম ও বিজ্ঞানসম্মত ট্রাফিক ব্যবস্থা মেনে চলার প্র্যাকটিস করি, তবে ঈদের মতো উপচে পড়া চাপের সময়েও দুর্ঘটনা ও বিশৃঙ্খলা একটা নিয়ন্ত্রিত সীমার মধ্যে রাখা অবশ্যই সম্ভব।’

 

সড়ক নিরাপত্তা আসলে কোনো সাময়িক বিষয় নয়, এটি একটি সংস্কৃতি এবং সারা বছরের চর্চার বিষয় উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘‌আমাদের দেশে প্রতি বছর ঈদের আগে কাগজে-কলমে নানা হুঁশিয়ারি দেয়া হয়—আনফিট গাড়ি চলবে না, অবৈধ হাটবাজার বসবে না কিংবা দক্ষ চালক ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো বছরের স্বাভাবিক সময়ে যে নিয়ম আমরা কেউ মেনে চলি না, ঈদের মতো একটা অস্বাভাবিক সময়ে রাতারাতি তা কার্যকর করা অসম্ভব। শুধু ঈদের আগে প্রশাসনের হুঁশিয়ারি দিয়ে সড়ক নিরাপদ করা যাবে না, এর জন্য প্রয়োজন ৩৬৫ দিনের নিরবচ্ছিন্ন অভ্যাস। যদি সারা বছর ধরে নিয়ম মেনে রুট পারমিট ও ফিটনেসবিহীন লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়া হতো, চালকদের কর্মঘণ্টা বেঁধে দেয়া হতো, তবে ঈদের সময়ে এসে প্রশাসনকে এত হিমশিম খেতে হতো না।’

 

এবারের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার সক্ষমতার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন. ‘‌আমরা দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। তারপরও কিছু বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তবে ঘরমুখী ও ফিরতি—দুই যাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি শেষ হলেই মূলত এবারের যাতায়াতের প্রকৃত চিত্রটি বোঝা যাবে।’

 

ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকারের কোনো ঘাটতি ছিল না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‌গতবারের চেয়ে এবার আমাদের প্রস্তুতি আরো জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়ক, জেলা প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি এবার বিআরটিএতেও আমরা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছি। এছাড়া সারা দেশে গতবার যেখানে ২০-৩০টির মতো মনিটরিং স্পট ছিল, এবার তা বাড়িয়ে ৫০টিতে উন্নীত করেছি। আমাদের যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে, তার পুরোটা উজাড় করে দিয়ে একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে বলে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে আকস্মিক এ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে, আওয়ামী লীগৈর নিষেধাজ্ঞা মানি না মানবো না, ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা মানি না মানবো না” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলের স্থানটি সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা এলাকায় হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
স্থানীয় বিভিন্ন নিউজ পোটাল ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, “শিশু হত্যা, খুন, ধর্ষণ, তেল-গ্যাস, বিদ্যুৎ এর সংকট ও শিক্ষার অধিকার হরণের দায়ে সরকারের পদত্যাগ করতে হবে” স্লোগান লেখা ব্যানার হাতে মছিলটি সড়কের কিছু অংশ অতিক্রম করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। মিছিলটি শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে এসব নিউজ পোটালের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কনফারেন্স কক্ষে এ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
“মেধা-বিজ্ঞান উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে” এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোের্ট স্কিম, এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ হাসানুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের এমপি, মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাও. নূরুল আফসার মুর্তাজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাজহারুল ইসলাম মুকুল। অন্যদের মধ্যে আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক মুস্তাহিদুর রহমানসহ উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ১২টি বিদ্যালয়ের “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপনকৃত মেলার স্টল ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে, সরাপপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে, গুনাকরকাটি শাহ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদরের ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শহীদুল ইসলাম মুকুল।
এছাড়াও বিভিন্ন সেশনে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন,জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনিছুর রহমান, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা উসমান গনি, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মনিরুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আলী আহসান আল মুজাহিদ প্রমুখ।