শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদপূর্ব ৬ দিনে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৬১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
ঈদপূর্ব ৬ দিনে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৬১

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রাম এলাকায় গতকাল দুপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। পটুয়াখালীর গলাচিপায় মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন আরো দুজন। একই দিন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অটোরিকশা ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ঈদের দিন দুপুরের মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। দুপুরের পরও বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে ঈদের আগের দিন অর্থাৎ গত বুধবার সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ বলছে, গত ২১ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সারা দেশে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬১ জন। এ হিসাবে ঈদের আগে প্রতিদিন গড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৮৯ জন।

 

আরেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, ঈদের আগে ২৪ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত তিনদিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান ধারণা করছেন, ২৭ ও ২৮ মে সারা দেশে সংঘটিত দুর্ঘটনার হিসাব পাওয়া গেলে গত পাঁচদিনে সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাবে।

 

এবার ঘরমুখো ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা ও হতাহত বেশি হয়েছে মন্তব্য করে সাইদুর রহমান বলেন, ‘‌সাধারণত দেখা যায়, ঈদের ঘরমুখো যাত্রার চেয়ে ফিরতি যাত্রায় দুর্ঘটনার হার দুই থেকে তিন গুণ বেশি হয়। এর পেছনে লএনফোর্সমেন্ট এজেন্সির শিথিলতা, ছুটির শেষ দিনে একসঙ্গে ফেরার তাড়া এবং পকেটের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার মতো মনস্তাত্ত্বিক কারণ থাকে। কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঈদের শুরুতেই মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে (যেমন: ২৭ তারিখ ও তার পরবর্তী সময়ে) নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।’

 

ঈদে আগে সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় বড় দুর্বলতা ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‌সরকার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ বন্ধ করতে পারেনি। সরকারিভাবে নির্ধারিত ভাড়াই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, তার ওপর বেসরকারি বাসের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দৌরাত্ম্য পরিস্থিতিকে আরো শোচনীয় করে তুলেছে। সম্প্রতি যে ১৫ জন মানুষ একসঙ্গে মারা গেলেন, তারা মূলত অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে গিয়ে কম খরচে বিকল্প উপায়ে (যেমন: ট্রাক বা পিকআপে) ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন।’

 

গত বছর ঈদুল আজহার সময়ও ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার হার কাছাকাছি ছিল। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে গত বছরের জুনে অনুষ্ঠিত ঈদুল আজহার আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ২৬ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে গত মার্চে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরেও আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়।বাংলাদেশে যেকোনো উৎসবের সময় সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর যেকোনো দেশে উৎসবের সময় সড়কের সক্ষমতার চেয়ে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়। চাপ বাড়লে কিছুটা যানজট বা দুর্ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের দেশে ঈদের সময় যেভাবে লাশের মিছিল নামে, তা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সারা বছর ধরে যদি আমরা সড়কের নিয়ম ও বিজ্ঞানসম্মত ট্রাফিক ব্যবস্থা মেনে চলার প্র্যাকটিস করি, তবে ঈদের মতো উপচে পড়া চাপের সময়েও দুর্ঘটনা ও বিশৃঙ্খলা একটা নিয়ন্ত্রিত সীমার মধ্যে রাখা অবশ্যই সম্ভব।’

 

সড়ক নিরাপত্তা আসলে কোনো সাময়িক বিষয় নয়, এটি একটি সংস্কৃতি এবং সারা বছরের চর্চার বিষয় উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘‌আমাদের দেশে প্রতি বছর ঈদের আগে কাগজে-কলমে নানা হুঁশিয়ারি দেয়া হয়—আনফিট গাড়ি চলবে না, অবৈধ হাটবাজার বসবে না কিংবা দক্ষ চালক ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো বছরের স্বাভাবিক সময়ে যে নিয়ম আমরা কেউ মেনে চলি না, ঈদের মতো একটা অস্বাভাবিক সময়ে রাতারাতি তা কার্যকর করা অসম্ভব। শুধু ঈদের আগে প্রশাসনের হুঁশিয়ারি দিয়ে সড়ক নিরাপদ করা যাবে না, এর জন্য প্রয়োজন ৩৬৫ দিনের নিরবচ্ছিন্ন অভ্যাস। যদি সারা বছর ধরে নিয়ম মেনে রুট পারমিট ও ফিটনেসবিহীন লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়া হতো, চালকদের কর্মঘণ্টা বেঁধে দেয়া হতো, তবে ঈদের সময়ে এসে প্রশাসনকে এত হিমশিম খেতে হতো না।’

 

এবারের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার সক্ষমতার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন. ‘‌আমরা দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। তারপরও কিছু বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তবে ঘরমুখী ও ফিরতি—দুই যাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি শেষ হলেই মূলত এবারের যাতায়াতের প্রকৃত চিত্রটি বোঝা যাবে।’

 

ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকারের কোনো ঘাটতি ছিল না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‌গতবারের চেয়ে এবার আমাদের প্রস্তুতি আরো জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়ক, জেলা প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি এবার বিআরটিএতেও আমরা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছি। এছাড়া সারা দেশে গতবার যেখানে ২০-৩০টির মতো মনিটরিং স্পট ছিল, এবার তা বাড়িয়ে ৫০টিতে উন্নীত করেছি। আমাদের যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে, তার পুরোটা উজাড় করে দিয়ে একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

 

Ads small one

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অঝোরে কাঁদলেন সাবেক এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অঝোরে কাঁদলেন সাবেক এমপি

অনলাইন ডেস্ক: প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রয়াত বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা দবিরুল ইসলামের জানাজায় অংশ নিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজন।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সরকারি শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

জানা গেছে, বাবার শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণের জন্য শনিবার দুপুরে দিনাজপুর কারাগার থেকে ছয় ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজনকে। তিনি বাড়িতে পৌঁছালে এক নজর তাকে এবং প্রয়াত দবিরুল ইসলামকে দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষের ঢল নামে।

বিকেল ৪টায় জানাজার আগে সরকারি শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে গার্ড অব অনার প্রদান করে পুলিশের একটি চৌকস দল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার দাস এবং বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম।

জানাজায় ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ অংশ নেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দবিরুল ইসলামের অবদান স্মরণ করে অনেকে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

 

বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন। অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন। আমার বাবার দুটি ইচ্ছা ছিল, কিন্তু তা পূরণ হলো না। একটি ছিল চেন্নাইয়ে চিকিৎসা নেওয়া, আরেকটি পবিত্র হজ পালন করা। আমার বাবার কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। আমি মাত্র ছয় ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আমাকে আবার দিনাজপুর কারাগারে ফিরে যেতে হবে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ঈদের দিন মৃত্যুবরণ করেন সাবেক সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা দায়ের হয়। একই বছরের ৩ অক্টোবর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকার পর ২০২৬ সালের মে মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পান। অসুস্থতার কারণে কারামুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৬টি শিশু। শনিবার (৩০ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১০৩৩ জন শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৬১২ জনে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৩ জন। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৯৯৬ জন।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৫ হাজার ৭০৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৫০ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৯৩ জনের। এছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯০ জন।

জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় খাদ্য বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় খাদ্য বিতরণ

সংবাদদাতা: মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির আয়োজনে শহরের মুক্তিযোদ্ধা অফিস পাকাপুল মোড়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহিন, মোঃ আবিদুল হক মুন্না, মোঃ সেলিম আহমেদ, কামরুল ইসলাম, এম ইদ্দিশউজম্মান ইদ্রিসসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দোয়া মাহফিল শেষে অসহায়, দুস্থ, শ্রমজীবী ও ভ্যানচালকদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।