রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে অভিযোজন পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে অভিযোজন পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ 
সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:  শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী নারী উন্নয়ন সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) বেলা ১০ টায়, বেসরকারি গবেষণা মূলক প্রতিষ্ঠান বারসিকের আয়োজনে “উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে করণীয়” শীর্ষক অভিযোজন পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৈখালী ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১, ২, ৩ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন ইউপি সদস্যা মোছাঃ খায়রুন্নেছা। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন বারসিকের ট্রেইনিং এন্ড এ্যাডভোকেসি অফিসার বরষা গাইন।
‎প্রশিক্ষণে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম। তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন সংকট, যেমন- লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানির সংকট, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, খাল দখল, জীবিকা ও কৃষির ওপর বিরূপ প্রভাব এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় অংশগ্রহণমূলক অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন, স্থানীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
‎কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকার প্রধান সমস্যা চিহ্নিত করেন এবং সেগুলোর সম্ভাব্য সমাধান, স্থানীয় উদ্যোগ, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন কৌশল নিয়ে দলীয় আলোচনা এবং আগামী দিনে এসব কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেন।
‎অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা গ্রীণ কোয়ালিশনের সদস্য কৃষক নেতা হাবিবুর রহমান, কৈখালী ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. নুর ইসলাম, ৬০ নং পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সিরাজ মল্লিক, জয়াখালী মহাজেরিন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. আমিন আলী, পূর্ব কৈখালী’র গোত্র প্রধান প্রশান্ত কুমার মুন্ডা, পশ্চিম কৈখালী এগ্রোইকোলজি লার্ণিং সেন্টারের চর্চাকারী ফজিলা খাতুন, শতবাড়ীর সংগঠক জহুরা খাতুন, কৈখালী ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য রোজিনা পারভীন, বারসিক এর সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, ক্যাম্পেইন এন্ড নেটওয়ার্ক ফ্যাসিলিটেটর স.ম ওসমান গনী সোহাগ প্রমুখ।
‎অংশগ্রহণকারীদের মতামতের ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
‎বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের অভিজ্ঞতা ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ছবি- শ্যামনগরে ‎উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে অভিযোজন পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

Ads small one

কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): আষাঢ় শ্রাবণ মাস বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রে বর্ষাকাল। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকের জন্য আমন ধানের চারা রোপনের সুবর্ণ সময় এই বর্ষাকাল। তাই বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেশবপুরের কৃষকরা আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

বৃষ্টির মৌসুম শুরুতে একটু বৃষ্টি কম হলেও বর্তমান যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাল বিল ডোবা নালা পানিতে পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তাই কৃষকরা উচু-ডোবা জমি থেকে আগাম পাট কেটে সেই জমিতে আমন ধান রোপন শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকেরা আগাম পাট চাষ করে থাকে। সেই পাট কেটে রোপা আমন ধানের আবাদ করে। অন্যান্য বছরের তুলনায় কেশবপুরে এবার পাটের আবাদ কম হলেও ফলন ভাল হয়েছে। পুকুর ও ডোবা নালায় যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টির পানি জমে থাকায় কৃষকদের ক্ষেতের পাট কেটে পঁচন দিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাই তারা পাটকেটে পচন দিয়ে সেই জমিতে আমন আবাদ শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপনের মহোৎসাব। অন্য বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে কেশবপুরের প্রায় ৮০টির বেশী গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ার কারণে আমন আবাদ ব্যহত হলেও এবার কৃষকরা কপোতাক্ষের রাহু গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তাই এসব জমিতে এখন কৃষকরা মনের আনন্দে ধানের চারা রোপন করছে।

এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুরে এবার ৮হাজার ৫’শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকল থাকলে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

 

 

কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে মসজিদে মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালালো চোর। তথ্য সূত্রে জানা গেছে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক দুটি বাড়িতে হানা দিয়ে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আলতাপোল (বারোইপাড়া) গ্রামের কুমারের ৪টি এবং মঙ্গলকোট গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির ৩টি গরু নিয়ে যায় তারা। গরুর মূল্য হবে ১০ থেকে ১২ লাখ।

চোরেরা সুকুমারের গরুগুলো বাড়ির পাশের একটি বাগানে এবং রবির গরুগুলো যশোর-চুকনগর সড়কের আলতাপোল চারেরমাথা এলাকার একটি মেহগনি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। ধারণা করা হচ্ছে, পরে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

কিন্তু ফজরের আজানের সময় বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের মাইকে গরু চুরির ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা শুনে চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। রেখে যায় চুরি করা ৭টি গরু। পালানোর সময় তারা গরু বাঁধা বাগানে একটি গামছা ও পানির বোতলও ফেলে যায়।

ঘটনাটির আরও একটি বেদনাদায়ক দিক রয়েছে। রবিউল ইসলাম রবির ছোট ভাই মাত্র শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারটির শোক এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য নতুন করে দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে বৃষ্টির পানিতে কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন, অন্যদিকে কৃষকের শেষ সম্বল গবাদিপশুও নিরাপদ নয়-এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্থানীয়রা বলছে রাতের পুলিশি টহল কতটা কার্যকর?

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতের টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন আমাদের কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি তবে বিষয়টা আমাদের জেনেছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

 

 

কেশবপুর ইয়াবাসহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ইয়াবাসহ আটক ১

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর ক্যাম্প পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

ক্যাম্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভালুকঘর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ দেব কুমার দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের বেগমপুর তাপসের মোড়ের রাসেলের মুদি দোকানের সামনে থেকে বেগমপুর গ্রামের মৃত ইছান গাজীর ছেলে মোঃ সাজ্জাদ গাজী (৬০), এর কাছ থেকে ১০ পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

 

ক্যাম্প ইনচার্জ দেব কুমার দাস বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।