শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩

একজন সাংবাদিকের জীবন ও মৃত্যু/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
একজন সাংবাদিকের জীবন ও মৃত্যু/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সকালের পত্রিকায় আমরা খবর পড়ি। টেলিভিশনের পর্দায় দেখি দুর্ঘটনা, দুর্নীতি, নদীভাঙন, নির্বাচন, কৃষকের কান্না কিংবা কোনো শিশুর সাফল্যের গল্প। কিন্তু খুব কম মানুষই ভাবিÑএই খবরটি কে সংগ্রহ করল? কীভাবে করল? কতটা ঝুঁকি নিয়ে করল? সংবাদটি ছাপা হওয়ার আগের গল্পটি সাধারণত অদৃশ্যই থেকে যায়। অথচ সেই অদৃশ্য গল্পের কেন্দ্রে থাকেন একজন সাংবাদিকÑযার জীবন সংগ্রামের, দায়বদ্ধতার, অনিশ্চয়তার এবং প্রায়শই নীরব আত্মত্যাগের। সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্য।

 

আর সত্যের পথ কখনোই সহজ নয়। একজন সাংবাদিক যখন কলম ধরেন, তখন তিনি কেবল একটি পেশার দায়িত্ব পালন করেন না; তিনি রাষ্ট্র, সমাজ এবং মানুষের কাছে একটি নৈতিক অঙ্গীকার করেন। সেই অঙ্গীকারের মূল্য কখনো চাকরি হারিয়ে, কখনো মামলা মাথায় নিয়ে, কখনো হামলার শিকার হয়ে, আবার কখনো জীবন দিয়েও পরিশোধ করতে হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মফস্বল সাংবাদিকদের জীবন আরও কঠিন।

 

রাজধানীর আলো থেকে দূরে, সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে, প্রায় নামমাত্র সম্মানীতে তারা প্রতিদিন মানুষের কথা তুলে ধরেন। কোথাও নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানো কৃষকের আর্তনাদ, কোথাও চিংড়িঘেরে বিষপ্রয়োগ, কোথাও বন উজাড়, কোথাও দুর্নীতিÑএসব খবর তারাই প্রথম তুলে আনেন। অথচ তাদের অধিকাংশের নেই নিয়মিত বেতন, স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমা কিংবা পর্যাপ্ত আইনি সুরক্ষা। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের একজন সাংবাদিকের দিন শুরু হয় ভোরে, শেষ হয় গভীর রাতে। একটি মোটরসাইকেল, একটি ক্যামেরা, একটি মোবাইল ফোন আর সত্যের প্রতি অটল বিশ্বাসÑএই সম্বল নিয়েই তিনি ছুটে বেড়ান।

 

বর্ষার কাদা, প্রখর রোদ, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা গভীর রাতÑকোনো কিছুই তার পথ রোধ করতে পারে না। কারণ তিনি জানেন, তিনি না গেলে হয়তো ঘটনাটি আর কেউ দেখবে না। এই ছুটে চলার পথেই লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। বাংলাদেশে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। সেই তালিকায় সাংবাদিকও আছেন। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে, কোনো ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ছুটতে গিয়ে কিংবা গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে অনেক সাংবাদিক দুর্ঘটনার শিকার হন। তাদের মৃত্যু খুব বেশি আলোচিত হয় না।

 

কয়েক দিন শোক, কিছু স্মৃতিচারণ, তারপর নীরবতা। কিন্তু যে পরিবার একজন উপার্জনক্ষম মানুষকে হারায়, তাদের কাছে সেই শোক সারাজীবনের। এই বাস্তবতার একটি বেদনাদায়ক প্রতীক হয়ে আছেন আশাশুনির সাংবাদিক মু. বাহাবুল হাসনাইন বাবুল। তিনি শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না; ছিলেন একজন আলোকচিত্রী, উদ্যোক্তা এবং মানুষের আস্থার ঠিকানা। একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার পর জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।

 

তার মৃত্যু আমাদের শুধু একজন মানুষকে হারানোর বেদনা দেয়নি; মনে করিয়ে দিয়েছে, মফস্বলের সাংবাদিকরা কতটা অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করেন। সাংবাদিকের কাজ শুধু সংবাদ লেখা নয়; সমাজের আয়না হওয়া। যখন কোনো অসহায় মানুষ বিচার পান না, তখন সাংবাদিকের প্রতিবেদন তার পক্ষে কথা বলে। যখন কোনো দুর্নীতি আড়াল করার চেষ্টা হয়, তখন সাংবাদিকের অনুসন্ধান সত্যকে সামনে আনে। যখন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে, তখন সাংবাদিকের ক্যামেরা রাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

 

এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি অনেক সময় একা হয়ে পড়েন। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে অনেকেই মনে করেন, মোবাইল ফোনে ভিডিও করলেই সাংবাদিকতা হয়ে যায়। বাস্তবতা ভিন্ন। প্রকৃত সাংবাদিকতা মানে তথ্য যাচাই, উভয় পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, জনস্বার্থ বিবেচনা করা এবং সত্যের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। গুজব ছড়ানো সহজ; সত্য প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। আর সেই কঠিন কাজটিই করেন প্রকৃত সাংবাদিক। কিন্তু প্রশ্ন হলোÑআমরা কি সাংবাদিকদের প্রাপ্য সম্মান দিই? আমরা কি ভাবি, যিনি আমাদের জন্য ঝুঁকি নেন, তার নিজের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

 

দুর্ঘটনায় আহত হলে তার চিকিৎসার দায়িত্ব কে নেবে? মৃত্যুর পর তার সন্তানের পড়াশোনা কীভাবে চলবে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।বাংলাদেশে সাংবাদিকদের জন্য একটি শক্তিশালী কল্যাণ তহবিল, বাধ্যতামূলক জীবনবিমা এবং স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা সময়ের দাবি। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের নিরাপদ যাতায়াত, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং ন্যায্য সম্মানী নিশ্চিত করা জরুরি। সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোরও উচিত মাঠে কাজ করা সাংবাদিকদের শুধু সংবাদদাতা হিসেবে নয়, প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করা। সমাজেরও একটি দায়িত্ব রয়েছে।

 

আমরা প্রায়ই সাংবাদিকদের সমালোচনা করি, কিন্তু তাদের শ্রমকে মূল্যায়ন করি না। ভুল হলে সমালোচনা অবশ্যই হবে, কিন্তু সৎ সাংবাদিকতার প্রতি সম্মানও থাকতে হবে। কারণ একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক সমাজ টিকে থাকতে পারে না। একজন সাংবাদিক যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন তার ডেস্কে হয়তো অসমাপ্ত একটি প্রতিবেদন পড়ে থাকে, ক্যামেরায় থেকে যায় কিছু অপ্রকাশিত ছবি, ডায়েরিতে লেখা থাকে নতুন অনুসন্ধানের পরিকল্পনা।

 

মৃত্যু তার জীবন থামিয়ে দেয়, কিন্তু তার স্বপ্ন থামাতে পারে না। সেই স্বপ্ন বেঁচে থাকে সহকর্মীদের মধ্যে, নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের মধ্যে এবং সমাজের বিবেকের মধ্যে। সত্যিকার অর্থে একজন সাংবাদিকের পরিচয় তার পদবিতে নয়, তার সততায়। তিনি কত বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন, সেটি নয়; তিনি কতটা নির্ভীকভাবে সত্য লিখেছেন, সেটিই ইতিহাস মনে রাখে।আজ যখন আমরা কোনো প্রয়াত সাংবাদিককে স্মরণ করি, তখন শুধু একজন ব্যক্তিকে স্মরণ করি না; আমরা স্মরণ করি একটি মূল্যবোধকে। সেই মূল্যবোধের নামÑসত্য, সাহস, মানবিকতা এবং দায়বদ্ধতা।

 

সাংবাদিকের মৃত্যু আমাদের কাঁদায়। কিন্তু তার জীবন আমাদের শেখায়Ñসত্যের পথে চলা কখনো সহজ নয়, তবুও সেই পথ ছাড়া সভ্য সমাজের আর কোনো বিকল্প নেই। তাই এখন সময় এসেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবার। শোককে নীতিতে, শ্রদ্ধাকে কর্মে এবং স্মৃতিকে দায়িত্বে রূপান্তর করতে হবে। কারণ একটি কলম থেমে গেলে শুধু একজন মানুষ হারিয়ে যান না; সমাজ হারায় তার প্রশ্ন করার সাহস, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি এবং সত্যের প্রতি আস্থা। শেষ পর্যন্ত মানুষ নয়, তার কর্মই বেঁচে থাকে।

 

একজন সৎ সাংবাদিকের কলম হয়তো একদিন থেমে যায়, কিন্তু তার লেখা সমাজের বিবেককে জাগিয়ে রাখে। সংবাদপত্রের হলুদ হয়ে যাওয়া পাতায়, মানুষের স্মৃতিতে এবং ইতিহাসের নীরব অধ্যায়ে তিনি বেঁচে থাকেন। একজন সাংবাদিকের জীবন তাই কেবল পেশার গল্প নয়; এটি দায়িত্ব, ত্যাগ, সাহস এবং মানবিকতার এক অনন্ত কাব্য। আর তার মৃত্যু আমাদের কাছে একটি প্রশ্ন রেখে যায়Ñযারা প্রতিদিন আমাদের জন্য সত্য খুঁজে বেড়ান, তাদের জন্য আমরা কী করেছি?

লেখক: সংবাদকর্মী

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্য আটক, গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্য আটক, গ্রেপ্তার ১

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি কাভার্ড ভ্যানে অভিযান চালিয়ে মাদক, ভারতীয় ওষুধ ও বিড়ি জব্দ করেছে র‌্যাব-৬। এ সময় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামনগর উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল মজিদ শেখ (৩৬)। র‌্যাব জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদ বলেন, এ ঘটনায় উদ্ধার করা আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা ও ইটাগাছায় মাদক কারবারিদের ৩ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার আল্টিমেটাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা ও ইটাগাছায় মাদক কারবারিদের ৩ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় মাদকের নীল দংশন থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে এবার সশরীরে মাঠে নেমেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদক চক্রের দুই হোতাকে তিন দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার চূড়ান্ত সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬) জুমার নামাজ শেষে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গড়েরকান্দা ও ইটাগাছা সম্মিলিত জামে মসজিদের সামনে এই নজিরবিহীন মাদকবিরোধী বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন শত শত সাধারণ মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দুই নারীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ঐ দুই নারী দীর্ঘদিন ধরে গড়েরকান্দা ও ইটাগাছা এলাকায় প্রকাশ্যেই মাদকের রমরমা কারবার চালিয়ে আসছেন। এই মাদক সিন্ডিকেটের কারণে ধ্বংসের মুখে পড়ছে এলাকার যুবসমাজ, বাড়ছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই দুই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় তারা বরাবরই পার পেয়ে গেছেন। কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দিতে বাধ্য হয়েছেন এলাকাবাসী। সমাবেশ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আগামী তিন দিনের মধ্যে সব ধরনের মাদক ব্যবসা বন্ধ করে এলাকা না ছাড়লে আরও কঠোর সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বলেন, “”মাদকের বিষাক্ত ছোবল আমাদের সন্তানদের শেষ করে দিচ্ছে। প্রশাসন যখন নির্বিকার, তখন সমাজকে রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে।”

এদিকে বিক্ষোভ চলাকালেই এলাকায় মাদক কিনতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক তথাকথিত ‘ভদ্রলোক’। স্থানীয়দের দাবি, সাতক্ষীরা চালতেতলা বাজারের ‘ব্যস্ত ডাক্তার’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি ওই এলাকায় মাদক কিনতে এলে সাধারণ জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনির শিকার হন তিনি। পরে তাকে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, গড়েরকান্দা ও ইটাগাছাকে যেকোনো মূল্যে মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে তারা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা ভেঙে অবিলম্বে এই মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানান।

অভিযুক্ত নারীদের বাড়িতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, স্থানীয়দের এই আল্টিমেটাম এবং মাদক কিনতে এসে মারধরের শিকার হওয়ার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

সোনালী ব্যাংকের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দিল জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
সোনালী ব্যাংকের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দিল জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন

পত্রদূত ডেস্ক: জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (জেবিএবি) সাতক্ষীরা অঞ্চলের উদ্যোগে সোনালী ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা শহরের তুফান কনভেনশন হল লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা প্রিন্সিপাল অফিসের ডিজিএম ইনচার্জ এ কে এম ফারুক ফয়সল। সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী ব্যাংকা’রস এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রিন্সিপাল অফিস সাতক্ষীরার এজিএম শেখ সালাউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা অফিসের এজিএম মো. রবিউল ইসলাম, এসপিও মো. ফরহাদ হুসাইন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আশুতোষ দাশ, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আবু সিদ্দিক প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি সাতক্ষীরা কামাননগর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার ও জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন। এসময় জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার’স এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, পদোন্নতি শুধু মর্যাদা নয়, এটি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সুনাম আরও সমুন্নত রাখতে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে ২০২৬ সালে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।