শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়লো এলপিজির দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়লো এলপিজির দাম

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকটের মধ্যেই আরেক দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার প্রতি ২২৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা। এতদিন এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। একইভাবে অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়দা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত দাম আজ সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বিইআরসি। শুধু ১২ কেজি নয়, ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব ধরনের সিলিন্ডারের দামই বাড়ানো হয়েছে।

কোন সিলিন্ডারে কত বাড়লো

ঘোষিত নতুন দর অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজির ৮৪২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৪৪ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯১৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৪৬ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ২৯৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৫৭৫ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৪৪৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৭৮৭, ১৮ কেজির ২ হাজার ৭৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৯০ টাকা, ২০ কেজির ৩ হাজার ৬১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪৩৪, ২২ কেজির ৩ হাজার ৩৬৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৭৭৭, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৮২৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৯২ টাকা, ৩০ কেজির ৪ হাজার ৫৯২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ১৫০ টাকা, ৩৩ কেজির ৫ হাজার ৫১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৬৬৫ টাকা, ৩৫ কেজির ৫ হাজার ৩৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার ৯ টাকা এবং ৪৫ কেজির ৬ হাজার ৮৮৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭ হাজার ৭২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহার করা রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরকার করা এলপিজির দাম প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৩৩১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে শূন্য দশমিক ৩৬৮৫ টাকা করা হয়েছে। অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে।

চার্জও বাড়ানো হয়েছে

বেসরকারি এলপিজি এর মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ প্রতি কেজি ২৩ টাকা ৪৮ পয়সায়, ডিস্ট্রিবিউটরের চার্জ প্রতি কেজি ৭ টাকা ৮ পয়সায়, রিটেইলারের চার্জ প্রতি কেজি ৫ টাকা ৮৩ পয়সায়, অটোগ্যাসের মজুতকরণ চার্জ প্রতি লিটার ৫ টাকা ৫৯ পয়সায় এবং অটোগ্যাসের স্টেশন চার্জ প্রতি লিটার ৯ টাকা ২৫ পয়সায় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছিল। বাজারে এলপিজির সংকট, বাড়তি দামের অভিযোগের মধ্যে এক মাসের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ালো বিইআরসি।

গত ২৯ অক্টোবর এলপিজির দাম, এবং মজুতকরণ, বোতলীকরণ চার্জ, ডিস্ট্রিবিউশন চার্জ নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি। শুনানিতে অপারেটর, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।

কোম্পানিগুলো বোতলজাতকরণ চার্জ প্রতি কেজিতে ১৫ থেকে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ থেকে ৩০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। ডিস্ট্রিবিউটরদের চার্জ ৪ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৩ পয়সা এবং খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়। অন্যদিকে ডিস্ট্রিবিউটররা ১২ কেজির সিলিন্ডারে তাদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করার প্রস্তাব দেন।

শুনানিতে এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ করে। এতে সিলিন্ডারপ্রতি দাম বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে ১৩৯ টাকা। শুনানির পর ২ নভেম্বর পর্যন্ত মতামত দেওয়ার কথা জানিয়েছিল কমিশন। মতামত দেওয়ার শেষ দিনেই নতুন দাম ঘোষণা করলো তারা।

Ads small one

হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। তবে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের বাণিজ্যিক জাহাজকে এ বিধিনিষেধের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে নানা বাধার মুখে পড়লেও এই চার দেশের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোগাদ্দাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দেশ চারটিকে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমকে মোগাদ্দাম বলেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এসব দেশের জাহাজ অবাধে চলাচল করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও সেগুলোতে বাধা দিচ্ছে না।

তিনি জানান, ভারতীয় জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়ার অন্যতম কারণ দেশটি থেকে ওষুধ আমদানি নিশ্চিত করা। অন্যদিকে, চীনা জাহাজকে ছাড় দেওয়ার পেছনে বেইজিংয়ের রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখার বিষয়টি কাজ করছে।

তবে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের এ ছাড়ের অর্থ বিনা মূল্যে পারাপারের সুযোগ নয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলাচলের অনুমতি পেলেও ভারতীয় জাহাজকে ট্রানজিট ফি বা পারাপারের মাশুল দিতে হতে পারে।

অর্থাৎ, ইরানের এ সিদ্ধান্তে চার দেশের জাহাজের জন্য প্রণালি ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করা হলেও পারাপারের আর্থিক খরচ মওকুফ করা হয়নি।

বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক: আজ ৬ নভেম্বর, বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস। রাগ, ক্ষোভ কিংবা মতবিরোধের সময় চিৎকার না করে ধৈর্য, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে দিবসটি পালিত হয়।

বাড়িতে, কর্মক্ষেত্রে, জনসমক্ষে কিংবা অনলাইনে—সব জায়গায় শান্ত ও সংযতভাবে কথা বলার গুরুত্ব তুলে ধরে দিবসটি। অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ধৈর্যের সঙ্গে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করা এবং কথোপকথনে সৌজন্য বজায় রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য।

উঁচু স্বরে কথা বললে কেউ আতঙ্কিত হতে পারেন, আবার কেউ নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে শিশুদের মনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই শুধু কথার বিষয়বস্তু নয়, কীভাবে কথা বলা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবসের ইতিহাস

২০২১ সালে যুক্তরাজ্যে দিবসটির সূচনা হয়। ‘লেটস স্টপ শাউটিং কমিউনিটি ইন্টারেস্ট কোম্পানি’ নামের একটি সংগঠন মানুষের কথা বলার ধরন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেয়। সংগঠনটির মতে, চিৎকার সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে, মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। তাই শান্ত ও ভেবেচিন্তে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তোলাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ব্রিটিশ কাউন্সেলর ইয়াসমিন শাহিন-জাফর এ উদ্যোগ এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর মতে, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা ও কথা বলার ভঙ্গি অন্যের নিরাপত্তাবোধ এবং গুরুত্ব পাওয়ার অনুভূতিকে প্রভাবিত করে। ধীরে ধীরে স্কুল, কর্মক্ষেত্র ও পরিবারেও এ বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।

২০২৪ সালে এ উদ্যোগের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। বিশেষ করে স্নায়ুবৈচিত্র্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রয়োজন ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তাঁদের ক্ষেত্রে মানসিক চাপের সময় চিৎকার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে সহানুভূতিশীল আচরণ ও শান্তভাবে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

প্রতি বছর ৬ নভেম্বর বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে স্কুল, অফিস ও পরিবারে নিজেদের কথাবার্তার ধরন নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেন অনেকে। দিবসটির বার্তা হলো—শান্ত স্বর সম্পর্ককে সুন্দর করে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায়। কথা বলার ভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তনও অনেক সময় বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কীভাবে পালন করবেন?

দিবসটি পালনে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন কথাবার্তায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই এর চর্চা শুরু করা যায়। প্রথমেই স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা নিচু স্বরে কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে অন্যরাও শান্তভাবে উত্তর দিতে উৎসাহিত হতে পারেন। বিশেষ করে পরিবারের সদস্য ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলার সময় সংযত স্বর বজায় রাখা জরুরি।

কেউ কথা বলার সময় মাঝপথে বাধা না দিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শোনার অভ্যাস ভুল বোঝাবুঝি কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে মাথা নেড়ে বা হাসিমুখে বুঝিয়ে দিন যে আপনি তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

বাড়িতে এমন একটি জায়গা তৈরি করতে পারেন, যেখানে টেলিভিশন, মুঠোফোন বা অন্য কোনো যন্ত্রের উচ্চ শব্দ থাকবে না। সেখানে বই পড়া, বিশ্রাম নেওয়া কিংবা কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকা যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় সংযত ভাষা ব্যবহার করুন। কোনো বিষয়ে মতবিরোধ হলে সবার সামনে তর্কে না জড়িয়ে আলাদাভাবে কথা বলার চেষ্টা করুন।

এ ছাড়া এক দিনের জন্য টেলিভিশন, মুঠোফোন ও অন্যান্য যন্ত্রের শব্দ কমিয়ে রাখতে পারেন। অতিরিক্ত চিৎকার-চেঁচামেচি রয়েছে—এমন অনুষ্ঠান এড়িয়ে শান্ত গান বা পডকাস্ট শুনতে পারেন। এতে বাড়ি কিংবা কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ আরও শান্ত ও স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠবে।

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য নিহত

কক্সবাজার টেকনাফে মানবকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে প্রশ্নে বাংলাদেশ পাচারের এক সদস্য যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকালে রঙ্গীখা ঘূর্ণিঝড় পাহাড়ে এ প্রচারণা।

চতুষ্পদসদস্যের নাম মো. তাতাস শেখ (২৭)। তিনি একপর্যায়ে বাম কাঁধে গুলিবিদ্ধ হন। নিখুঁত রক্তক্ষরণে কার্যকরী তাকে উদ্ধার করে পরীক্ষা প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত প্রতিষ্ঠান (সিএমএইচ), রাতে নেওয়া হলে ধর্মীয় তাকে মর্যাদা দেন।

আন্তঃ বৃহৎ জনসংযোগ পরিদফের (আইএসপিআর) তথ্যের তথ্য অনুযায়ী, গো মানবা খবরে খবর পাওয়া যায়, রাণীখালী গভীর পাহাড়ে ১৫ থেকে ১৬ এর একটি সশস্ত্রী দল প্রায় ১২০ জন ও বাংলাকে জিম্মি করে তুলেছে। এ তথ্যের প্রকাশক বাংলাদেশভির ১০ পদাতিক ডিশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিটী) ও স্থানীয় পুলিশ সদস্য গঠিত দল আভিযান বিজানা বিক্রেতা বিক্রেতা আকালানুক্রমিক প্রকাশ্য।

এ সময় পাওয়ার সদস্য সস্ত্রীক উপস্থিতি টেরটি মানবপাচারকারী এপাতাড়ি চালায়। ব্যাঙ্গ পার্টির মধ্যে ব্যবহার করা হয়।

যুদ্ধে সেনা বার থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় বন্দুক ও চার রাউন্ড গোলাকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া এ ছাড়া পাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যের দল এবং জিম্মিকে ৫৭ পরিস্থিতি উদ্ধার করা হয়।

ধর্মরত সেনাসদস্যের আত্মত্যাগের কথা বলা বাংলাদেশকে গভীর শ্রদ্ধা জানাতে। একই সাথে তার বিহীর আত্মার মাগফিরাত কামনা গভীর এবং শোকসন্তান সদস্যদের প্রতি সমবেদনা।