বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

এবার জামায়াতের এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা, এক আসামিকে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
এবার জামায়াতের এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা, এক আসামিকে গ্রেপ্তার

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর আমিনুর রহমান নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের এসআই রাকিবুল হুদা তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

মামলার অপর আসামিরা হলেন—মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোতাসসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)।

 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ওবায়দুর রহমান পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজগার্ডেন টাওয়ার’-এ তার বোনের বাসায় বসবাস করতেন। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগ্নির অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে এ ধরনের সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

 

সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র নজরুল ইসলাম ও তার ভাগ্নির কিছু ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সংগ্রহ করে নজরুলকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। নজরুল ইসলামের ধারণা হয়, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম এবং ওই চক্রের হাতে তুলে দিয়েছে। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে আসামি আমিনুর রহমান তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। পরে সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন তার মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম এগিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিতে থাকে।

Ads small one

দল থেকে বহিষ্কার হলেই কি এমপি পদ বাতিল, যা বলছে সংবিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
দল থেকে বহিষ্কার হলেই কি এমপি পদ বাতিল, যা বলছে সংবিধান

ন্যাশনাল ডেস্ক: নবম জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি এইচ এম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে স্পিকারের কাছে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় তিনি সংসদ সদস্য পদে বহাল ছিলেন। ফলে শুধু দল থেকে বহিষ্কার করলেই কোনো সংসদ সদস্যের পদ বাতিল হয় না। কোনো রাজনৈতিক দল প্রাথমিক সদস্য পদসহ কাউকে বহিষ্কার করে এবং তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের জন্য স্পিকারের কাছে আবেদন জানালে বিষয়টি সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় বিবেচিত হতে পারে। তবে প্রতিটি ঘটনার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি ও আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা নতুন একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন সামনে এনেছে-তিনি যদি দল থেকে বহিষ্কৃত হন, তাহলে কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদও বাতিল হবে? আইনজ্ঞদের মতে, এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ পর্যালোচনা করতে হবে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার সদস্যপদ শূন্য হতে পারে। তবে কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে বহিষ্কার করলে তা ৭০ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে না।
আইন অনুযায়ী, দল থেকে বহিষ্কারের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংসদ সদস্য হিসেবে বহাল থাকতে পারেন। কারণ, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে দল থেকে বহিষ্কারকে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করে সংসদের স্পিকারের কাছে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের আবেদন করলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার নজির রয়েছে। আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকীর ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছিল।
অন্যদিকে, কোনো দল শুধু সাংগঠনিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের আবেদন না করলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি এইচ এম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
এদিকে, গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নজরে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও আলোচনার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে দল।
আইনজ্ঞদের মতে, গাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে কয়েকটি সম্ভাবনা রয়েছে
দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে বহাল থাকতে পারেন।
বিষয়টি স্পিকারের ব্যাখ্যা বা আদালতের আইনি সিদ্ধান্তের পর্যায়ে যেতে পারে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনে নতুন কোনো সমঝোতা বা সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সব মিলিয়ে, শুধু দল থেকে বহিষ্কার হওয়ায় কোনো সংসদ সদস্যের পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না। তবে স্পিকারের সিদ্ধান্ত, আদালতের ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না।
এ কারণে বিষয়টি শুধু একজন এমপির ভবিষ্যৎ নিয়েই নয় বরং বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে দলীয় শৃঙ্খলা ও সংবিধানের প্রয়োগ সম্পর্কেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি। আমরা ইসিকে জানিয়ে দিয়েছি। ইসি স্পিকারকে জানাবে। আমরা কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করতে পারি, কিন্তু এমপি থেকে বহিষ্কার করতে পারি না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমরা জামায়াত থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। তাই এ বিষয়ে কোনো কথা বলা যাবে না।’

তেলসংকটের গুজবে শ্যামনগর ও কালিগঞ্জের পাম্পে বাইকারদের উপচে পড়া ভিড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
তেলসংকটের গুজবে শ্যামনগর ও কালিগঞ্জের পাম্পে বাইকারদের উপচে পড়া ভিড়

আহাদুজ্জামান আহাদ ও এমএ হালিম: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের গুজবকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পেট্রলপাম্পে বুধবার সকাল থেকে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ভবিষ্যতে তেলসংকট হতে পারেÑএমন আশঙ্কায় অনেকে আগেই জ্বালানি সংগ্রহ করতে পাম্পে ছুটছেন।
সরেজমিনে শ্যামনগর উপজেলা এবং কালিগঞ্জের নলতাসহ বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি। পেট্রলপাম্পগুলোতে তেল নেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আগেভাগে যানবাহনের ট্যাংক ভর্তি করতে আসায় পাম্পগুলোতে কয়েক গুণ বেশি চাপ সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে তেলসংকটের খবর দেখে আগাম জ্বালানি সংগ্রহ করতে এসেছেন বলে জানান অনেক বাইকার।
তেলসংকটের খবর নাকচ করে শ্যামনগর আশা পেট্রলপাম্পের মালিক জানান, পাম্পে নতুন জ্বালানি তেলের চালান আসার পথে রয়েছে। কিছু সময়ের জন্য সরবরাহে সামান্য চাপ তৈরি হলেও বড় ধরনের কোনো সংকট নেই। গুজব শুনে মানুষ একসঙ্গে তেল নিতে আসায় অতিরিক্ত ভিড় হচ্ছে। তেলসংকট হবে—এমন কোনো সরকারি তথ্য বা নির্দেশনা নেই উল্লেখ করে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করার অনুরোধ জানান তিনি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহে কোনো আনুষ্ঠানিক সংকটের তথ্য নেই। সরকারের পক্ষ থেকেও জ্বালানি সংকটের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, গুজবের কারণে একসঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতা তৈরি হলে কৃত্রিম সংকট ও পাম্পগুলোতে সাময়িক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এমপি নজরুলের ভিডিও কান্ডে অস্বস্তিতে জামায়াত, চাঙ্গা বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
এমপি নজরুলের ভিডিও কান্ডে অস্বস্তিতে জামায়াত, চাঙ্গা বিএনপি

Oplus_131072

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া অনৈতিক ভিডিও কা-কে কেন্দ্র করে চরম অস্বস্তি ও লজ্জায় পড়েছেন স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। গত দুদিন ধরে শ্যামনগরে দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। প্রথম সারির কোনো নেতাকেও প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। ঘটনার শুরুতে এটি ‘এআই’ প্রযুক্তির কারসাজি বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে প্রচার চালানো হয়েছিল, ভিডিওর সত্যতা প্রকাশের পর নেতা-কর্মীরা তাঁদের নিজ নিজ আইডি থেকে সেই পোস্টগুলো সরিয়ে নিয়েছেন।
অন্যদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে স্থানীয় বিএনপি শিবিরে। বুধবার সকালে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। বিকেলে জামায়াতের পক্ষ থেকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের খবর পাওয়ার পর বিএনপির কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়। এই আসনে উপনির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন চাঙ্গাভাব ও উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে শ্যামনগরের জামায়াত নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা জামায়াতের দুজন দায়িত্বশীল নেতা হতাশা প্রকাশ করে জানান, একটি উদীয়মান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পদে না থেকেও একজন সংসদ সদস্য যেভাবে দলকে বিতর্কিত করেছেন, তার মাসুল পুরো সংগঠনকে দিতে হচ্ছে। এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সময়সাপেক্ষ।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক আবু সাঈদ জানান, কেবল দল থেকে বহিষ্কার করাই যথেষ্ট নয়; নীতি ও আদর্শের প্রমাণ দিতে তাঁকে জাতীয় সংসদ থেকেও অপসারণ করা উচিত। একই সঙ্গে বেহালিপনা ও তা ঢাকার চেষ্টার অভিযোগে তাঁকে আইনি প্রক্রিয়ায় আনার দাবি জানান তিনি।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর উল্লেখ করেন, জামায়াতদলীয় এই এমপির অনৈতিক কর্মকা-ে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন তিনি। জাতীয় সংসদ থেকে তাঁর সদস্যপদ বাতিলের উদ্যোগ নিতে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এদিকে জামায়াত থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের ঘোষণা আসার পর বুধবার সন্ধ্যায় সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে শ্যামনগর পৌর সদরে এক আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। বিএনপি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।