শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মুখ বাঁধা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। বয়স আনুমানিক ৪২ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বনানী থানা পুলিশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। তার গায়ে সিএনজি চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের পোশাক ছিল। মুখে সাদা টেপ লাগানো ছিল। তাকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা রাতে বা ভোরের কোনও এক সময় মরদেহ সেখানে ফেলে রেখে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহত ব্যক্তির পরনে নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি ছিল। তার মুখ স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক হতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, পুরো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। আমরা ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছি। এতে মরদেহ কখন, কীভাবে সেখানে নেওয়া হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

Ads small one

স্বপ্ন সার্থক মানবিক ফাউন্ডেশনের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কার্যালয় উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
স্বপ্ন সার্থক মানবিক ফাউন্ডেশনের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কার্যালয় উদ্বোধন

সংবাদদাতা: বৃক্ষরোপণ, রক্তদান, অসহায়দের খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ, বিধবাদের ছাগল এবং চলাচলে অক্ষম ব্যক্তিদের হুইলচেয়ার দেওয়াসহ নানা মানবিক কর্মকা- পরিচালনা করে আসছে ‘স্বপ্ন সার্থক মানবিক ফাউন্ডেশন’। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছে সংগঠনটি।

৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সাতক্ষীরা শহরের মেহেদীবাগ বাইপাস এলাকায় সংগঠনটির ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মজনুর রহমান মালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মো. মুকুল হোসেন, আইনজীবী রোকনুজ্জামান, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মতিউর রহমান, আব্দুল হামিদ গাজী এবং সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মো. আবুল হাসান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন সংগঠনের সহকারী উপদেষ্টা মো. জিল্লুর রহমান আলফা ও মো. নুরুল আমিন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুস সাত্তার পলাশ, সভাপতি শাহিনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোসলেম আলী, প্রচার সম্পাদক আইনজীবী এস এম বিপ্লব হোসেন, দপ্তর সম্পাদক নাঈম, সদস্য আমিরুল ইসলাম ও মো. খায়রুল ইসলামসহ ২৭টি সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় মানবিক ও সামাজিক কর্মকা-ে অবদান রাখায় ২৭টি সামাজিক সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস: রঙিন পৃথিবী-সবার চোখে রঙ এক নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস: রঙিন পৃথিবী-সবার চোখে রঙ এক নয়

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস। রঙ দেখার সক্ষমতার ভিন্নতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই দিবসটি পালিত হয়। দিনটি বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে একটি বিশেষ ঐতিহাসিক তাৎপর্য। ১৭৬৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন বিখ্যাত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডাল্টন, যিনি নিজেও বর্ণান্ধ ছিলেন এবং এ বিষয়ে প্রথম পদ্ধতিগত বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করেন। তাঁর নামানুসারেই একসময় বর্ণান্ধতাকে ‘ডাল্টনিজম’ বলা হতো।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের বর্ণদৃষ্টি সমস্যায় ভুগছেন। অথচ এখনও অনেকের কাছে বর্ণান্ধতা সম্পর্কে ভুল ধারণা বিদ্যমান। অনেকে মনে করেন, বর্ণান্ধ ব্যক্তি পৃথিবীকে সাদা-কালো রঙে দেখেন। বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা নির্দিষ্ট কিছু রঙের পার্থক্য নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হন। বিশেষ করে লাল ও সবুজ রঙের মধ্যে পার্থক্য করতে না পারা সবচেয়ে সাধারণ ধরনের বর্ণান্ধতা।

মানুষের চোখের রেটিনায় অবস্থিত বিশেষ আলোকসংবেদনশীল কোষ, যাকে ‘কোন কোষ’ বলা হয়, বিভিন্ন রঙ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। সাধারণত লাল, সবুজ ও নীল রঙ শনাক্ত করার জন্য তিন ধরনের কোন কোষ থাকে। এসব কোষের কোনো একটি বা একাধিকের ত্রুটি কিংবা অনুপস্থিতির কারণে বর্ণদৃষ্টি সমস্যার সৃষ্টি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি বংশগত কারণে ঘটে এবং এক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে বর্ণান্ধতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বর্ণান্ধতার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা, যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি লাল ও সবুজের বিভিন্ন শেড সহজে আলাদা করতে পারেন না। অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায় নীল-হলুদ বর্ণান্ধতা, যেখানে নীল ও হলুদ রঙের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। আর অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে দেখা যায় সম্পূর্ণ বর্ণান্ধতা, যেখানে ব্যক্তি প্রায় সব রঙকেই ধূসর বা রঙহীনভাবে দেখতে পারেন।

এই সমস্যা অনেক সময় শৈশবেই শুরু হলেও দীর্ঘদিন অচিহ্নিত থেকে যায়। অনেক শিশু স্কুলে গিয়ে প্রথম সমস্যার মুখোমুখি হয়। রঙিন চার্ট, মানচিত্র, শিক্ষাসামগ্রী কিংবা বোর্ডে ব্যবহৃত রঙভিত্তিক নির্দেশনা বুঝতে তাদের অসুবিধা হয়। ফলে তাদের শেখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। অনেক সময় শিক্ষক বা অভিভাবকরা এটিকে মনোযোগের অভাব বা দুর্বলতা বলে ভুল বোঝেন। অথচ সময়মতো শনাক্ত করা গেলে শিশুর শিক্ষাজীবনকে অনেক বেশি সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব।

আধুনিক সমাজে রঙের ব্যবহার এতটাই ব্যাপক যে বর্ণান্ধ ব্যক্তিরা নানা ক্ষেত্রে অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন। ট্রাফিক সিগন্যাল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, চিকিৎসা নির্দেশিকা, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, মানচিত্র কিংবা তথ্যচিত্রÑসবখানেই রঙ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধুমাত্র রঙের ওপর নির্ভরশীল তথ্য উপস্থাপন বর্ণান্ধ ব্যক্তিদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা রঙের পাশাপাশি প্রতীক, লেখা, প্যাটার্ন বা চিহ্ন ব্যবহারের পরামর্শ দেন, যাতে সবাই সমানভাবে তথ্য বুঝতে পারেন।

বর্ণান্ধতা শনাক্ত করার জন্য বর্তমানে বিভিন্ন কার্যকর পরীক্ষা রয়েছে। এর মধ্যে ইশিহারা টেস্ট সবচেয়ে পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত। রঙিন বিন্দুর সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ প্লেটের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির রঙ পার্থক্য করার সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়া অ্যানোমালোস্কোপ ও বিভিন্ন রঙ-সাজানোর পরীক্ষাও ব্যবহৃত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ব্যক্তি ও পরিবারকে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।

জন্মগত বর্ণান্ধতার স্থায়ী চিকিৎসা এখনও আবিষ্কৃত না হলেও প্রযুক্তিগত সহায়তা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছে। বিশেষ ধরনের কালার-করেক্টিং চশমা, কন্টাক্ট লেন্স এবং স্মার্টফোন অ্যাপ রঙের পার্থক্য শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নকশা ব্যবস্থার উন্নয়ন বর্ণান্ধ ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ করে তুলছে।

কর্মজীবনেও বর্ণান্ধতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিমান চালনা, রেল পরিচালনা, সামরিক বাহিনী কিংবা কিছু নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট পেশায় নির্ভুল রঙ শনাক্ত করার সক্ষমতা প্রয়োজন হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে পেশা নির্বাচনের সময় বর্ণদৃষ্টি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে বর্ণান্ধতা কোনো অক্ষমতা নয়; বরং এটি দৃষ্টির একটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য। সঠিক দিকনির্দেশনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি থাকলে বর্ণান্ধ ব্যক্তিরাও সমাজের সব ক্ষেত্রে সফলভাবে অবদান রাখতে পারেন।

বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়Ñসব মানুষ পৃথিবীকে একইভাবে দেখে না। রঙ দেখার ভিন্নতাকে সীমাবদ্ধতা হিসেবে নয়, বরং মানব বৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই একটি আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের পরিচয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, প্রযুক্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে, যেখানে কোনো মানুষ কেবল রঙ দেখার ভিন্নতার কারণে পিছিয়ে থাকবে না। সচেতনতা, সহমর্মিতা এবং অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে সবার জন্য সমান সুযোগের একটি রঙিন পৃথিবী।

শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সভাপতি সামিউল মনির ও সম্পাদক লিটন নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সভাপতি সামিউল মনির ও সম্পাদক লিটন নির্বাচিত

সংবাদদাতা: শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ২০২৬ এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।

 

প্রেসক্লাবের ৪৬ জন ভোটার স্বচ্ছভাবে ভোট প্রদান করেছেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ দুটি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য পদগুলিতে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতি পদে সামিউল আযম মনির ও মোস্তফা কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনিছুজ্জামান সুমন ও আসাদুজ্জামান লিটন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

সামিউল আযম মনির ৩৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ১২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান লিটন ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আনিছুজ্জামান সুমান পেয়েছেন ১৮ ভোট।