শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস: রঙিন পৃথিবী-সবার চোখে রঙ এক নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস: রঙিন পৃথিবী-সবার চোখে রঙ এক নয়

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস। রঙ দেখার সক্ষমতার ভিন্নতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই দিবসটি পালিত হয়। দিনটি বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে একটি বিশেষ ঐতিহাসিক তাৎপর্য। ১৭৬৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন বিখ্যাত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডাল্টন, যিনি নিজেও বর্ণান্ধ ছিলেন এবং এ বিষয়ে প্রথম পদ্ধতিগত বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করেন। তাঁর নামানুসারেই একসময় বর্ণান্ধতাকে ‘ডাল্টনিজম’ বলা হতো।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের বর্ণদৃষ্টি সমস্যায় ভুগছেন। অথচ এখনও অনেকের কাছে বর্ণান্ধতা সম্পর্কে ভুল ধারণা বিদ্যমান। অনেকে মনে করেন, বর্ণান্ধ ব্যক্তি পৃথিবীকে সাদা-কালো রঙে দেখেন। বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা নির্দিষ্ট কিছু রঙের পার্থক্য নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হন। বিশেষ করে লাল ও সবুজ রঙের মধ্যে পার্থক্য করতে না পারা সবচেয়ে সাধারণ ধরনের বর্ণান্ধতা।

মানুষের চোখের রেটিনায় অবস্থিত বিশেষ আলোকসংবেদনশীল কোষ, যাকে ‘কোন কোষ’ বলা হয়, বিভিন্ন রঙ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। সাধারণত লাল, সবুজ ও নীল রঙ শনাক্ত করার জন্য তিন ধরনের কোন কোষ থাকে। এসব কোষের কোনো একটি বা একাধিকের ত্রুটি কিংবা অনুপস্থিতির কারণে বর্ণদৃষ্টি সমস্যার সৃষ্টি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি বংশগত কারণে ঘটে এবং এক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে বর্ণান্ধতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বর্ণান্ধতার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা, যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি লাল ও সবুজের বিভিন্ন শেড সহজে আলাদা করতে পারেন না। অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায় নীল-হলুদ বর্ণান্ধতা, যেখানে নীল ও হলুদ রঙের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। আর অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে দেখা যায় সম্পূর্ণ বর্ণান্ধতা, যেখানে ব্যক্তি প্রায় সব রঙকেই ধূসর বা রঙহীনভাবে দেখতে পারেন।

এই সমস্যা অনেক সময় শৈশবেই শুরু হলেও দীর্ঘদিন অচিহ্নিত থেকে যায়। অনেক শিশু স্কুলে গিয়ে প্রথম সমস্যার মুখোমুখি হয়। রঙিন চার্ট, মানচিত্র, শিক্ষাসামগ্রী কিংবা বোর্ডে ব্যবহৃত রঙভিত্তিক নির্দেশনা বুঝতে তাদের অসুবিধা হয়। ফলে তাদের শেখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। অনেক সময় শিক্ষক বা অভিভাবকরা এটিকে মনোযোগের অভাব বা দুর্বলতা বলে ভুল বোঝেন। অথচ সময়মতো শনাক্ত করা গেলে শিশুর শিক্ষাজীবনকে অনেক বেশি সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব।

আধুনিক সমাজে রঙের ব্যবহার এতটাই ব্যাপক যে বর্ণান্ধ ব্যক্তিরা নানা ক্ষেত্রে অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন। ট্রাফিক সিগন্যাল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, চিকিৎসা নির্দেশিকা, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, মানচিত্র কিংবা তথ্যচিত্রÑসবখানেই রঙ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধুমাত্র রঙের ওপর নির্ভরশীল তথ্য উপস্থাপন বর্ণান্ধ ব্যক্তিদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা রঙের পাশাপাশি প্রতীক, লেখা, প্যাটার্ন বা চিহ্ন ব্যবহারের পরামর্শ দেন, যাতে সবাই সমানভাবে তথ্য বুঝতে পারেন।

বর্ণান্ধতা শনাক্ত করার জন্য বর্তমানে বিভিন্ন কার্যকর পরীক্ষা রয়েছে। এর মধ্যে ইশিহারা টেস্ট সবচেয়ে পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত। রঙিন বিন্দুর সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ প্লেটের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির রঙ পার্থক্য করার সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়া অ্যানোমালোস্কোপ ও বিভিন্ন রঙ-সাজানোর পরীক্ষাও ব্যবহৃত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ব্যক্তি ও পরিবারকে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।

জন্মগত বর্ণান্ধতার স্থায়ী চিকিৎসা এখনও আবিষ্কৃত না হলেও প্রযুক্তিগত সহায়তা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছে। বিশেষ ধরনের কালার-করেক্টিং চশমা, কন্টাক্ট লেন্স এবং স্মার্টফোন অ্যাপ রঙের পার্থক্য শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নকশা ব্যবস্থার উন্নয়ন বর্ণান্ধ ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ করে তুলছে।

কর্মজীবনেও বর্ণান্ধতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিমান চালনা, রেল পরিচালনা, সামরিক বাহিনী কিংবা কিছু নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট পেশায় নির্ভুল রঙ শনাক্ত করার সক্ষমতা প্রয়োজন হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে পেশা নির্বাচনের সময় বর্ণদৃষ্টি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে বর্ণান্ধতা কোনো অক্ষমতা নয়; বরং এটি দৃষ্টির একটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য। সঠিক দিকনির্দেশনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি থাকলে বর্ণান্ধ ব্যক্তিরাও সমাজের সব ক্ষেত্রে সফলভাবে অবদান রাখতে পারেন।

বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়Ñসব মানুষ পৃথিবীকে একইভাবে দেখে না। রঙ দেখার ভিন্নতাকে সীমাবদ্ধতা হিসেবে নয়, বরং মানব বৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই একটি আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের পরিচয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, প্রযুক্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে, যেখানে কোনো মানুষ কেবল রঙ দেখার ভিন্নতার কারণে পিছিয়ে থাকবে না। সচেতনতা, সহমর্মিতা এবং অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে সবার জন্য সমান সুযোগের একটি রঙিন পৃথিবী।

Ads small one

মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় মণিরামপুর বাজারের রাজিয়া কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত উপজেলা সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সম্মেলনে আলহাজ ইবাদুল ইসলাম মনুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম। এ সময় জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুর রহিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মণিরামপুর উপজেলা শাখার আগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের ভোটের মাধ্যমে নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে আলহাজ ইবাদুল ইসলাম মনুকে সভাপতি, মাস্টার জয়নাল আবেদীন টিপুকে সিনিয়র সহসভাপতি, মাওলানা আক্তারুজ্জামানকে সহসভাপতি, মাওলানা ইমদাদুল হককে সাধারণ সম্পাদক এবং মাওলানা আব্দুস সালামকে জয়েন্ট সেক্রেটারি করা হয়েছে। সম্মেলন শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতির শ্বশুরের মৃত্যুতে মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
সভাপতির শ্বশুরের মৃত্যুতে মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের শোক

বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. জিয়াউল হকের শ্বশুর মফজুল হোসেন (৭৬) ৪ সেপ্টেম্বর ভোররাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার জুম্মা নামাজ শেষে জানাজা নামাজ আদায় করে সাতক্ষীরা সদরের মুকুন্দপুর পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। মৃত্যুকালে তিনি ১ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রীসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

 

৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী মো. আরিফুজ্জামান আপন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম খান পিপিএম, সংগঠনের মহাসচিব মো. রবিউল ইসলাম সোহেল, সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ চিকিৎসক মো. আবুল কালাম বাবলা, উপদেষ্টা অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ, তারেকুজ্জামান খান, মো. কামরুজ্জামান বুলু, মো. আব্দুল মালেক গাজী, আইনজীবী মুহাম্মাদ মনিরুদ্দীন, উম্মে রোকাইয়া খানম ডেইজী, সিনিয়র সহসভাপতি মো. শামসুজ্জোহা, সহসভাপতি মো. মুছা করিম, মাওলানা আলহাজ মিজানুর রহমান, অতুল কুমার ঘোষ, মো. ফরিদ উদ্দীন মাসউদ, আইনজীবী এস এম বিপ্লব হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবিরুল ইসলাম, শেখ নুরুল আফসার সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, নাজমুল শাহাদাৎ জাকির, মো. রুহুল আমিন ময়না, অর্থ সম্পাদক মো. নূরুল হুদা ফুল, দপ্তর সম্পাদক আসিফুল আলম আসিফ, প্রচার সম্পাদক মো. সাহারাফ হোসেন সৌরভসহ জেলা শাখার সকল সদস্য শোক প্রকাশ করেছেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শ্যামনগরে শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত

সংবাদদাতা: জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন কমিটি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, জাতীয় হিন্দু মহাজোট, উপজেলা সৎসঙ্গ ও যুব ঐক্য পরিষদের যৌথ আয়োজনে শ্যামনগরে শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব-২০২৬ পালিত হয়েছে।

৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলা নকিপুর সার্বজনীন হরিসভা মন্দির প্রাঙ্গণে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালন উপলক্ষে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান ও শুভ হোমযজ্ঞের মাধ্যমে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের শ্যামনগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী কৃষ্ণপদ ম-ল, জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার সভাপতি বাবু রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নকিপুর সার্বজনীন হরিসভা মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে গোপালপুর ঐতিহাসিক শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরালয়ে সমবেত হয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।