শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

Ads small one

সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সংবাদ অঙ্গনের পরিচিত মুখ, দৈনিক পত্রদূতের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা জেলা ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল আলিম আর নেই। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর রাজধানী ঢাকার ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। প্রথমে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত ঢাকায় নেওয়া হয়। শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তাঁর ফুসফুসে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে। তবে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী নিবিড় পরিচর্যায় থাকা অবস্থায় সন্ধ্যায় হঠাৎ খিঁচুনি উঠে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

দীর্ঘ পেশাগত জীবনে শেখ আব্দুল আলিম দৈনিক পত্রদূতের পাশাপাশি দৈনিক সদ্যখবর ও দৈনিক সাতক্ষীরা চিত্র পত্রিকায় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি মানুষের শিক্ষা ও চিকিৎসায় নিঃস্বার্থ সহায়তা প্রদান করে তিনি বহুজনের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন।

তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে সাতক্ষীরার সাংবাদিক সমাজ, ব্যবসায়ী মহল ও সুশীল সমাজের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও সহকর্মীরা এক গভীর বেদনাবিধুর পরিবেশে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) মালিকানায় অংশীদারিত্ব কিনতে চেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি- সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারতের সাবেক অধিনায়ক চেন্নাইয়ের শেয়ার কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার প্রস্তাবিত শর্তে রাজি হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

অবশ্য এমন খবর প্রকাশের পর সেসব দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে চেন্নাই। সিএসকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ধোনির সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনাই হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এমএস (ধোনি) কখনো আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেননি। আমরা বিষয়টি নিয়ে কখনো আলোচনা করিনি। শ্রীনিবাসনের সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন, এমন কোনো তথ্যও আমাদের কাছে নেই।’

তবে সিএসকের সঙ্গে ধোনির কোনো শেয়ারের সম্পর্ক নেই- বিষয়টি এমন নয়। চেন্নাই থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেয়ার কেনার সুযোগ থাকাকালে কিছু শেয়ার কিনেছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

সিএসকে একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি নয়। ফলে এর শেয়ার সাধারণ শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হয় না। তবে ব্যক্তিগতভাবে বা অফ-মার্কেট লেনদেনের মাধ্যমে এসব শেয়ার কেনা সম্ভব।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধোনির হাতে এক লাখের বেশি সিএসকে শেয়ার রয়েছে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার কাঠামোর তুলনায় এটি খুবই সামান্য অংশ। জনসাধারণের হাতে রয়েছে ৩০ কোটির বেশি শেয়ার, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার মূলধনের প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে ধোনির এক লাখের বেশি শেয়ার পাবলিক শেয়ারহোল্ডিংয়েরও খুব ছোট একটি অংশ।

অন্যদিকে সিএসকের নিয়ন্ত্রণমূলক মালিকানা রয়েছে শ্রীনিবাসন পরিবারের হাতে। তাদের হাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ৫৫ শতাংশের বেশি শেয়ার রয়েছে।

বর্তমান আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজারমূল্য বিবেচনায় ধোনির হাতে থাকা শেয়ারের মূল্যও খুব বেশি নয়। সর্বশেষ একটি আইপিএল দল ১৬ হাজার ৬০০ কোটি রুপির বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। সেই মূল্যায়ন ধরে ধোনির শেয়ারের আনুমানিক মূল্য হতে পারে ২ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৩ কোটি রুপি।

অবশ্য ধোনির ২১ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল থেকে আয় এবং বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের তুলনায় এই অঙ্ক বেশ সামান্য। ধোনিকে বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি রুপি।

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

সারা দেশে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯০ জন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৮ জন। তবে এই সময়ে সিলেট বিভাগে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।

আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এদের মধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৪১ জন।