শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কয়রায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
কয়রায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) বিকাল ৪ টায় কপোতাক্ষ কলেজ মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুলের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসানের সঞ্চালনায় এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আবু সাঈদ বিশ্বাস, বিএনপি নেতা জিএম মাওলা বকস, মোঃ শরিফুল আলম, মোঃ কোহিনুর ইসলাম, এডভোকেট মনজুরুল আলম নান্নু, মাওলানা গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সামাদ, এসএম আব্দুর রহিম, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, শেখ মাসুদুর রহমান, এড. আনিছুর রহমান, নাজমুল হুদা, সরদার ফায়জুল করিম খোকন, আব্দুল গাফ্ফার গাজী, মোস্তাফিজুর রহমান, মনজুর মোর্শেদ, আবুল বাসার ডাবলু, এফএম মহরম হোসেন, কামরুল ইসলাম খান, কৃষকদলনেতা গোলাম রসুল, যুবদল নেতা, মোহতাসিম বিল্লাহ, এসানুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম ডাবলু, আহাদুর রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান রাজু, বিল্লাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ডাঃ নুর ইসলাম খোকন, ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম খোকা, ডিএম হেলাল উদ্দিন, জাসাস নেতা জামাল ফারুক জাফরিন, ডাঃ আমিনুর রহমান, শ্রমিক দল নেতা আকবার হোসেন খান, আব্দুর রউফ, গাজী আজিজুর রহমান, ছাত্রদল নেতা আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মাহমুদ হাসান, আলমগীর হোসেন টিটু, ইমরান হোসেন, মামুন হুসাইন, মেহেদী হাসান সবুজ প্রমুখ।

 

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কয়রা উপজেলা ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা গােলাম মোস্তফা।

Ads small one

ফ্রিজে মাংস রাখার নিয়ম অনেকেই জানেন না, যেভাবে রাখবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
ফ্রিজে মাংস রাখার নিয়ম অনেকেই জানেন না, যেভাবে রাখবেন

আসাদুজ্জামান সরদার: সাতক্ষীরার প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ, আর তার হাত ধরে গ্রামীণ গৃহস্থালির অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ। বিশেষ করে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদে গ্রাম অঞ্চলেও ফ্রিজ কেনার ধুম পড়ে। তবে ফ্রিজ ব্যবহারের হার বাড়লেও, কোরবানির মাংস সঠিক নিয়মে সংরক্ষণের বিষয়ে গ্রামীণ মানুষের সচেতনতা কতটুকু-তা নিয়ে রয়ে গেছে বড় প্রশ্ন।

 

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাংস ধুয়ে পানি ঝরানো, ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করা কিংবা ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখার মতো অতি জরুরি নিয়মগুলো এখনও অনেকেরই অজানা।

সাতক্ষীরা সদর, আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার কয়েকটি এলাকার গৃহিণীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সিংহভাগ মানুষই সনাতন পদ্ধতি ও নিজস্ব ধারণা খাটান।

সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর গ্রামের গৃহিণী রাবেয়া খাতুন বলেন, কোরবানির মাংস পাওয়ার পর তাড়াহুড়ো করে ধুয়েই ফ্রিজে রেখে দেই। পানি ঝরানোর অত সময় কই? আর বড় বড় পলিথিনে একবারে অনেক মাংস ঠাঁইলাই (গাদাগাদি করে) রেখে দিই, পরে রান্নার সময় বের করে কুড়ল (দা) দিয়ে কুপিয়ে ছাড়াতে হয়।

 

অনেক পরিবারে আবার মাংস না ধুয়েই রক্তসহ ফ্রিজে রেখে দেওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। খামারি ও সাধারণ গ্রামবাসীদের একাংশের ধারণা, ফ্রিজে রাখলে সব জীবাণু এমনিতেই মরে যায়, তাই বাড়তি নিয়মের প্রয়োজন নেই।

 

সাতক্ষীরা শহরের ওয়াল্টন শোরুম ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখন আর ফ্রিজ শুধু শহরের মানুষের বিলাসী পণ্য নয়। গ্রামের মানুষ, বিশেষ করে প্রবাসী পরিবার বা খামারিরা এখন নগদ টাকা বা কিস্তিতে দেদারসে ফ্রিজ কিনছেন। ঈদের আগে ডিপ ফ্রিজ এবং বড় ধারণক্ষমতার ফ্রিজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে কাস্টমাররা ফ্রিজের স্থায়িত্ব বা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয় জানতে চাইলেও, মাংস কীভাবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে রাখতে হবে সে বিষয়ে কোনও পরামর্শ জানতে চান না।

 

সঠিক নিয়মে মাংস সংরক্ষণ না করলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।

জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার দীপংকর দত্ত বলেন,মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই ভালো করে রক্ত ধুয়ে, সম্পূর্ণ পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ভেজা মাংস রাখলে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়। সবচেয়ে বড় ভুল হয় বড় বড় প্যাকেটে মাংস রাখা। মাংস রাখতে হবে ছোট ছোট প্যাকেটে, যেন একবার ফ্রিজ থেকে বের করলে পুরোটা রান্না করা যায়। বারবার বরফ গলানো এবং পুনরায় ফ্রিজিং করা মাংসের পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয় এবং পেটের পীড়াসহ ফুড পয়জনিংয়ের কারণ হতে পারে।

 

তিনি আরও জানান, কোরবানির ঈদের সময় ফ্রিজে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মাংস গাদাগাদি করে রাখা হয়। এতে ফ্রিজের ভেতরের বাতাস চলাচল ব্যাহত হয় এবং মাংসের ভেতরের অংশ কাঙ্ক্ষিত তাপমাত্রায় বা তার নিচে পৌঁছায় না। ফলে বাইরে থেকে ভালো মনে হলেও ভেতরে মাংস পচতে শুরু করে।

 

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গণমাধ্যম, স্বাস্থ্যকর্মী এবং মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে যদি কোরবানির আগে মাংস সংরক্ষণের সঠিক নিয়মগুলো প্রচার করা যায়, তবেই ফ্রিজের আসল সুফল পাবে গ্রামীণ মানুষ।

মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে পৌঁছেছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ইউ মিন অং হ্লাইং। শনিবার (৩০ মে) তিনি বিহারের বুদ্ধগয়ায় পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই সফরকে স্বাগত জানিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের সভ্যতাগত ও আধ্যাত্মিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রণধীর জয়সওয়াল বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র বুদ্ধগয়ায় মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আগমনের কথা উল্লেখ করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বিহারের রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সৈয়দ আতা হাসনাইন।

এক্সের ওই পোস্টে বলা হয়, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ইউ মিন অং হ্লাইংকে বুদ্ধগয়ায় উষ্ণ স্বাগত। বিমানবন্দরে মাননীয় রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সৈয়দ আতা হাসনাইন তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, এই সফর আমাদের দুটি দেশের মধ্যকার দৃঢ় আধ্যাত্মিক, ঐতিহাসিক ও জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক এবং চলমান সহযোগিতার গভীরতাকে প্রতিফলিত করে।

ভারতে পৌঁছানোর পরপরই প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং বৌদ্ধদের পবিত্র তীর্থস্থান এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ‘মহাবোধি মন্দির’ পরিদর্শন করেন।

৩০ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত স্থায়ী এই সফরটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিন অং হ্লাইংয়ের প্রথম ভারত সফর। এই সফরে তার সঙ্গে ক্যাবিনেট মন্ত্রী, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রয়েছে।

সূচি অনুযায়ী, আগামী ১ জুন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। সেখানে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি তিনি একটি বিশেষ বিজনেস ফোরামে অংশ নেবেন। আগামী ২ জুন ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে ভারী শিল্প সংক্রান্ত আলোচনা, ব্যবসায়িক বৈঠক এবং বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শেষ হবে।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

ঈদুল আজহায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির দায়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আরও ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নিজে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে বের হয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য অপসারণের অবস্থা সন্তোষজনক না হওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ সময় তিনি বর্জ্য অপসারণের চিত্র সন্তোষজনক মনে না হওয়ায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মীর শাহে আলম গণমাধ্যমকে জানান, রাজধানীর উন্নয়ন প্রকল্প ও কো রবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনের সময় হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বা জার এলাকায় সড়কে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকতে দেখা যায়। এর প্রেক্ষিতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা যায়, ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য অপসারণের চিত্র ঘুরে দেখার সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ অ্যাডভোকেট মেহেদুল ইসলাম গাড়িতে ছিলেন।

মীর শাহে আলম জানান, প্রধানমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের স্থান পরিষ্কার ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থতার কারণে এ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদে আছেন মোহাম্মদ মামুনুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান।