শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে পৌঁছেছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ইউ মিন অং হ্লাইং। শনিবার (৩০ মে) তিনি বিহারের বুদ্ধগয়ায় পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই সফরকে স্বাগত জানিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের সভ্যতাগত ও আধ্যাত্মিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রণধীর জয়সওয়াল বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র বুদ্ধগয়ায় মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আগমনের কথা উল্লেখ করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বিহারের রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সৈয়দ আতা হাসনাইন।

এক্সের ওই পোস্টে বলা হয়, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ইউ মিন অং হ্লাইংকে বুদ্ধগয়ায় উষ্ণ স্বাগত। বিমানবন্দরে মাননীয় রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সৈয়দ আতা হাসনাইন তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, এই সফর আমাদের দুটি দেশের মধ্যকার দৃঢ় আধ্যাত্মিক, ঐতিহাসিক ও জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক এবং চলমান সহযোগিতার গভীরতাকে প্রতিফলিত করে।

ভারতে পৌঁছানোর পরপরই প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং বৌদ্ধদের পবিত্র তীর্থস্থান এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ‘মহাবোধি মন্দির’ পরিদর্শন করেন।

৩০ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত স্থায়ী এই সফরটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিন অং হ্লাইংয়ের প্রথম ভারত সফর। এই সফরে তার সঙ্গে ক্যাবিনেট মন্ত্রী, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রয়েছে।

সূচি অনুযায়ী, আগামী ১ জুন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। সেখানে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি তিনি একটি বিশেষ বিজনেস ফোরামে অংশ নেবেন। আগামী ২ জুন ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে ভারী শিল্প সংক্রান্ত আলোচনা, ব্যবসায়িক বৈঠক এবং বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শেষ হবে।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

Ads small one

ফাইনালের আগে লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে শঙ্কা, যা জানালো স্পেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
ফাইনালের আগে লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে শঙ্কা, যা জানালো স্পেন

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পেন শিবিরে দেখা দিয়েছে সাময়িক দুশ্চিন্তা। দলের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন না করে আলাদাভাবে অনুশীলন করায় তাকে নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) জানিয়েছে, উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুশীলনে ইয়ামালের সঙ্গে ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরোকেও মূল দল থেকে আলাদা রাখা হয়। দুজনই পুনর্বাসন ও হালকা ফিটনেস অনুশীলন করেন। এটি ছিল ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর স্পেনের প্রথম অনুশীলন।

অনুশীলনের ছবি প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়ামালের চোট নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুতই বিষয়টি পরিষ্কার করে আরএফইএফ জানায়, দুজনকেই কেবল অতিরিক্ত চাপ এড়ানোর জন্য আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে। তাদের ফিটনেস নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই।

ফেডারেশনের আশা, রবিবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে লামিনে ইয়ামালকে নিয়েই মাঠে নামবে স্পেন।

১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল চলতি বিশ্বকাপে স্পেনের অন্যতম সেরা পারফর্মার। তাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া শঙ্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠে স্প্যানিশ শিবির।

 

ফাইনালের আগে অনুশীলনে আর্জেন্টিনা, বেঞ্চে বসেই সময় কাটালেন মেসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
ফাইনালের আগে অনুশীলনে আর্জেন্টিনা, বেঞ্চে বসেই সময় কাটালেন মেসি

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে আটলান্টায় প্রথম অনুশীলন সেশন করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে এই সেশনে মাঠে বল নিয়ে অনুশীলনের বদলে বেঞ্চে বসেই সময় কাটাতে দেখা গেছে অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে।

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি। তাই বৃহস্পতিবারের অনুশীলন ছিল মূলত পুনরুদ্ধার (রিকভারি) সেশন। যেসব খেলোয়াড় ৬০ মিনিটের বেশি খেলেছেন, তারা শুধু হালকা শারীরিক অনুশীলন করেন। অন্যদিকে কম সময় খেলা কিংবা না-খেলা ফুটবলাররা বল নিয়ে হালকা অনুশীলন করেন।

অনুশীলনের সময় মেসির সঙ্গে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজকে খালি পায়ে একটি বেঞ্চে বসে গল্প করতে ও হাসতে দেখা যায়। পরে জুলিয়ানো সিমিওনে, হুলিয়ান আলভারেজসহ সেমিফাইনালের শুরুর একাদশের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়ও তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

পুরো অনুশীলনেই ছিল স্বস্তির আবহ। যেসব ফুটবলার আগের ম্যাচে কম খেলেছেন বা খেলেননি, তারা তুলনামূলক হালকা কসরত করেছেন।

আর্জেন্টিনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন হবে শুক্রবার। নিউ জার্সিতে ফাইনালের ভেন্যুতে রওনা হওয়ার আগে আটলান্টায় এটিই হবে তাদের শেষ সেশন।

এবার ফিফা ফাইনালের আগে দুই দলের সূচিতে কিছু পরিবর্তন এনেছে। শুক্রবারের অনুশীলনের প্রথম ১৫ মিনিট গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পাশাপাশি প্রতিটি দল থেকে তিনজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন সাংবাদিকরা। এদিন সংবাদ সম্মেলনে আসবেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি ও স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও।

তবে ফাইনালের আগের দিন শনিবার আর্জেন্টিনা ও স্পেন—দুই দলের অনুশীলনই হবে সম্পূর্ণ ক্লোজড ডোর। শেষ মুহূর্তের কৌশলগত প্রস্তুতির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্পেনকে নিয়ে যা বললেন মেসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
স্পেনকে নিয়ে যা বললেন মেসি

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শিরোপার লড়াইয়ে এবার তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। দীর্ঘদিন বার্সেলোনায় খেলার সুবাদে স্প্যানিশ ফুটবল ও খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ভালোভাবেই জানেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তাই ফাইনালের আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করেই কথা বলেছেন তিনি।

রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ম্যাচের আগে টিওআইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘ওরা দুর্দান্ত একটি দল। চমৎকার সব খেলোয়াড় আর দারুণ ফুটবলশৈলী রয়েছে তাদের। দলটিকে আমি খুব ভালো করেই চিনি। বহু বছর ধরে তারা নিজেদের একটি নির্দিষ্ট ফুটবল দর্শন ধরে রেখেছে। তাদের অনেক খেলোয়াড়কে আমি চিনি, তাদের বিপক্ষে খেলেছি এবং এখনও তাদের খেলা অনুসরণ করি। কয়েকজন তো বার্সেলোনায় খেলে, যে ক্লাবকে আমি মন থেকে ভালোবাসি। এটি একটি বিশেষ ম্যাচ, বিশ্বকাপের ফাইনাল। আমার বিশ্বাস, ম্যাচটি খুবই হাড্ডাহাড্ডি হবে।’

সমর্থকদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘আমরা যেভাবে এই মুহূর্তটি উপভোগ করছি, আপনারাও সেভাবেই উপভোগ করুন। আমরা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছি এবং আর্জেন্টিনাকে বিশ্বের সেরা দুই দলের একটিতে পরিণত করেছি। গত চার বছর ধরে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে যে আনন্দ পেয়েছি, এবারও সেই মঞ্চে ফিরেছি। এখন বাকিটা ঈশ্বরের ইচ্ছা।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতার প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘এই দলের পারফরম্যান্স আমাকে অবাক করে না। আমরা জানি আমাদের সামর্থ্য কতটুকু। দলের কয়েকজন খেলোয়াড় শারীরিকভাবে সীমার শেষ প্রান্তে থেকেও, এমনকি ইনজুরি নিয়েও খেলেছে। তাই হয়তো অনেকে সন্দেহ করেছিল আমরা এতদূর আসতে পারব কি না। কিন্তু এই দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাড়তি শক্তি পায়। একে অপরকে অনুপ্রাণিত করে এমন শক্তি বের করে আনে, যা হয়তো তারা নিজেরাও আগে জানত না।’