সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

সভায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ জোরদার করা এবং শহরের যানজট, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহীন, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, মাওলানা আহম্মদ আলি, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মোতাহার হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার হুমায়ুন কবির, ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ আলি গাজী, মাহবুবুর রহমান মফে, বিশাখা তপন সাহা, সোহেল রানা, কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহবায়ক এমএ সাজেদ, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

 

Ads small one

কোমরপুর প্রাইমারী স্কুলের দপ্তরী ছয় মাস ধরে শিক্ষা অফিসে সংযুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
কোমরপুর প্রাইমারী স্কুলের দপ্তরী ছয় মাস ধরে শিক্ষা অফিসে সংযুক্ত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি-কাম-নিরাপত্তা প্রহরী কামরুল ইসলামকে প্রায় ছয় মাস ধরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। এ সময় বিদ্যালয়টিতে দপ্তরির পদ কার্যত শূন্য থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার সকালে সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অপেক্ষা করছে। কিছুক্ষণ পর প্রধান শিক্ষক এসে গেট খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর হাতে বিদ্যালয়ের চাবি তুলে দেন। পরে ওই শিক্ষার্থীসহ অন্যরা একে একে শ্রেণিকক্ষগুলো খুলে দেয়। বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়ও শিক্ষক-কর্মচারীর অভাবের চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে বিদ্যালয়ের একটি মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরে স্থানীয় কয়েকজনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মৌখিক নির্দেশে উপজেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো তদন্ত সম্পন্ন হয়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, গ্রামবাসীর একটি অংশ কামরুল ইসলামকে এখানে চাকরি করতে দিতে চায় না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পরামর্শে তাকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারাই ভালো বলতে পারবেন।
অভিভাবকদের ভাষ্য, বিদ্যালয়টি ব্যস্ত সড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দপ্তরি না থাকায় বিদ্যালয় খোলা ও বন্ধ করা, শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যান্য সহায়ক কাজ পরিচালনায় প্রতিনিয়ত সমস্যা হচ্ছে।
একাধিক অভিভাবক জানান, শিক্ষকদেরই অনেক সময় দাপ্তরিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। এতে পাঠদান কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে একজন কর্মচারীকে বিদ্যালয়ের বাইরে রেখে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এলাকাবাসীর একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে শিক্ষা অফিসে রাখা হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত অভিযোগের কোনো তদন্ত করা হয়নি। তৎকালীন শিক্ষা অফিসার গনি স্যার ও ইউএনও স্যারের নির্দেশে কামরুল ইসলামকে এখানে রাখা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে জেনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি- তবে তিনি কামরুল ইসলামকে উপজেলা অফিসে সংযুক্তের কথা স্বীকার করেননি।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাদে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকের দাবি, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তাকে দ্রুত নিজ কর্মস্থল কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দপ্তরির পদ কার্যত শূন্য থাকায় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হলে শিক্ষা কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

 

বিদ্যালয় কমিটিতে নির্বাচিত হওয়ায় দুই সাংবাদিককে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
বিদ্যালয় কমিটিতে নির্বাচিত হওয়ায় দুই সাংবাদিককে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন

খলিষখালি (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: তালা আলাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের দফতর সম্পাদক হাফিজুর রহমান এবং ৮৫ নম্বর ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহসভাপতি পদে একই প্রেসক্লাবের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউর রহমান খান নির্বাচিত হয়েছেন। দুই সাংবাদিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হওয়ায় তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আকবর হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি শামীম খান, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান মিঠু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলমসহ কার্যনির্বাহী কমিটি ও সাধারণ পরিষদের সকল সদস্যবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, তাঁদের নেতৃত্বে বিদ্যালয় দুটির শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সামগ্রিক পরিবেশের ইতিবাচক বিকাশ ঘটবে।

বেনাপোলে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, রাজস্ব কর্মকর্তাসহ আটক ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বেনাপোলে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, রাজস্ব কর্মকর্তাসহ আটক ৩

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল বন্দর এলাকার বাজার থেকে কাগজপত্রবিহীন, অবৈধভাবে আনা কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও কসমেটিকস বোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে বেনাপোল কাস্টমসের এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২২ জুন) রাত ১টার দিকে বেনাপোল বাজারের দুর্গাপুর মোড়ে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। বিজিবি ক্যাম্পে এনে দিনভর গণনা শেষে ট্রাকে থাকা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়। এ সময় পণ্যের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ট্রাকচালক মহসিন আলী, হেলপার জাহিদ হাসান এবং বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎকে আটক করা হয়। বিজিবি অধিনায়ক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আটককৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি টাকারও বেশি। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।