রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

কলারোয়ায় ইয়াবাসহ ৫ মাদকসেবী আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ইয়াবাসহ ৫ মাদকসেবী আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও জরিমানা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ইয়াবাসহ সেবনরত অবস্থায় ৫ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও জরিমানা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)।
রোববার (০৪ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১২ টায় কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের এই সাজা প্রদান করা হয়।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চন্দনপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো: আবু সাঈদ (৪৫), যশোর জেলার শার্শা উপজেলার পারের কায়বা গ্রামের মো: সোহরাব হোসেনের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম (১৯), চন্দনপুর এলাকার মো: আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো: সবুজ হোসেন (২৪), একই এলাকার মো: আলমগীর হোসেনের ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম (২৭) এবং মো: আমিনুর রহমানের ছেলে মো: আতিকুর রহমান (২৬)।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, চন্দনপুর ইউনিয়নে ৫ পিস ইয়াবাসহ সেবনরত অবস্থায় তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ নম্বর আসামি মো: আবু সাঈদকে ০১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া অন্য চারজন অর্থাৎ মো: সাইফুল ইসলাম, মো: সবুজ হোসেন, মো: শরিফুল ইসলাম ও মো: আতিকুর রহমানকে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা করে জরিমানাসহ প্রত্যেকে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়।

অভিযান পরিচালনায় কলারোয়া থানা পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Ads small one

অভিযানও চলছে, মাদকও পাওয়া যাচ্ছে: গলদ কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
অভিযানও চলছে, মাদকও পাওয়া যাচ্ছে: গলদ কোথায়?

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরায় মাদক চোরাচালান, মাদক কেনাবেচা এবং ‘কিশোর গ্যাং’-এর দৌরাত্ম্য দিন দিন উদ্বেগজনক বাড়ছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কোন কোন এলাকায় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় মাদক ও অপরাধ দমনে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত অভিযান, মাদক উদ্ধার, মাদক ধ্বংস এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারের খবরও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এসব অভিযানের পরও মাঠপর্যায়ে অপরাধ কমছে না কেন? মাদক চোরাচালান ও বিক্রির নতুন নতুন পথ তৈরি হচ্ছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে অভিযানগুলো কি সত্যিই অপরাধের মূল শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে, নাকি কেবল ছোটখাটো অপরাধীদের ধরেই অভিযান শেষ করা হচ্ছে?

‎সাতক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তপথ দিয়ে ফেন্সিডিল ও গাঁজার পাশাপাশি ‘আইস’ ও ‘কুশ’-এর মতো মাদক প্রবেশের অভিযোগ আছে। এসব মাদক শুধু তরুণদের জীবনই নষ্ট করছে না, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বড় ধরনের অপরাধ চক্র।

‎প্রশ্ন হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এলাকায় এলাকায় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় গঠন করামাদক বিরোধী কমিটির নিয়মিত নজরদারি ও অভিযানের পরও কীভাবে মাদক ঢুকছে এবং বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে? সাধারণের মনে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে, প্রশাসনিক দুর্বলতা, গাফিলতি কিংবা প্রভাবশালী কোনো মহলের মদদ কাজ করছে? শুধু নামে নিদিষ্ট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান, তলে তলে মাদক সম্্রাটের সাথে আঁতাত না তো।

‎মাদকের এই বিস্তারের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে তরুণ প্রজন্মের ওপর। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ সংস্কৃতি। সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় তরুণদের মধ্যে দলবদ্ধভাবে চলাফেরা, মারামারি, ভয় দেখানো এবং ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কখনো কখনো এসব বিরোধ ভয়াবহ সহিংসতায়ও রূপ নিচ্ছে। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন অভিযানের লক্ষ্য কি শুধু ছোট অপরাধীদের আটক করা, নাকি মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা মূল চক্রকে আইনের আওতায় আনা? অপরাধ দমনে লোকদেখানো অভিযান কোনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না। প্রয়োজন নিয়মিত ও নিরপেক্ষ অভিযান, সীমান্তে কঠোর নজরদারি, মাদকের অর্থের উৎস অনুসন্ধান এবং অপরাধের পেছনে থাকা মূল ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী পরিচয় যেন অপরাধীদের রক্ষা করতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৩০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৩ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে রবিবার পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ হাজার ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার ৩৪৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৮৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ছাড়া চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ২৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

এশিয়ান গেমসের মতো মহাদেশীয় ক্রীড়া আসরের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলো না বাংলাদেশ পুরুষ হকি দল। নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে রবিবার বসেছিল ২০তম এশিয়ান গেমসের সমাপনী আয়োজন। সেখানে বাংলাদেশের ৪৫ জন ক্রীড়াবিদের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও হকি দলের একজন খেলোয়াড়ও উপস্থিত ছিলেন না। সমাপনী অনুষ্ঠানের বদলে শেষ দিনটি শহর ঘুরে কেনাকাটাতেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলটি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ হকি দলের আয়োজকদের আটজন খেলোয়াড় পাঠাতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি কেউ।

হকি দলের ম্যানেজার ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স অবশ্য এর পেছনে দূরত্বকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গিফুতে দলের আবাসন থেকে নাগোয়ার অনুষ্ঠানস্থলে যেতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে বলে জানান তিনি। সংবাদ মাধ্যমকে প্রিন্স বলেন, ‘বললেই তো এত সহজ নয়। আমরা গিফুতে আছি, আর অনুষ্ঠান হচ্ছে নাগোয়ায়। আমাদের জায়গা থেকে সেখানে যেতে তিন ঘণ্টার পথ।’

শনিবারই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকি অভিযান শেষ হয়েছে। সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সপ্তম হয় বাংলাদেশ। এরপরই দলের ব্যস্ততা কিছুটা কমে আসে।

প্রিন্স বলেন, ‘আমাদের অভিযান গতকাল শেষ হয়েছে। ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, সময় পাইনি। তাই এখানে আমাদের শেষ দিন হওয়ায় শহর ঘুরে বেড়ানো এবং কিছু কেনাকাটা করার পরিকল্পনা করেছিলাম।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়েছিল বলে জানান হকি দলের এই কর্মকর্তা। তার দাবি, শনিবার রাতে তাদের বিষয়টি জানানো হয়।

আরিফুল বলেন, শনিবার রাতে তাদের সমাপনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে অবশ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্চারি দলের সদস্যদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সাইফ হাসান, লিটন দাসসহ অন্য ক্রীড়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। লিটন দাস বাংলাদেশের পতাকা বাহক ছিলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ২০তম এশিয়ান গেমস। রবিবার নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে মহাদেশীয় এই ক্রীড়া আসরের।