মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলারোয়ায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালপাড়া গণহত্যায় শহিদদের স্মরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালপাড়া গণহত্যায় শহিদদের স্মরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি: শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মঙ্গলাচারের মধ্য দিয়ে কলারোয়ায় একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পালপাড়া গণহত্যায় শহিদদের স্মরণ করলো স্বজন, সতীর্থ ও ভক্তবৃন্দ। ৯ শহিদের মঙ্গল কামনা করে টানা ৪ দিনব্যাপী পালন করা হলো মঙ্গলাচার ও নাম সংকীর্ত্তনসহ নানা অনুষ্ঠান। গত ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া অনুষ্ঠামালার সমাপ্তি ঘটে শনিবার(২ মে)। উদযাপন কমিটির প্রচারপত্র অনুযায়ী শোকাবহ এ দিবস উপলক্ষে কলারোয়ার উত্তর উত্তর মুরারিকাটি পালপাড়া বধ্যভূমিতে পালপাড়া শহিদ স্মৃতি শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের ভক্তবৃন্দের সম্মিলিতভাবে গৃহীত ৪ দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: ২৯ এপ্রিল, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় শুভ অধিবাস আরম্ভ, শহিদ সমাধিস্থলে মঙ্গল প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, ৩০ এপ্রিল ও ১ মে, বৃহস্পতি ও শুক্রবার ১৬ প্রহরব্যাপী অখ- মহানাম সংকীর্ত্তন। সবশেষে ২ মে, শনিবার ভোগ মহোৎসব। উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার জানান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩০ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর হামলায় নিহত ৯ জন কুম্ভকারের স্মরণে প্রতিবছর পালপাড়ার মানুষ গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ৪ দিনব্যাপী নামযজ্ঞ ও সনাতন ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য মাস্টার প্রদীপ কুমার পাল বলেন, একাত্তরের ৩০ এপ্রিলে শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি, যা নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। অনুষ্ঠানে মহানাম সংকীর্ত্তন পরিবেশন করে খুলনার শ্রীকৃষ্ণ সম্প্রদায়, আদি রাধারানী সম্প্রদায়, মা শেফালী সম্প্রদায়, খুলনার ডুমুরিয়ার গোপীনাথ সম্প্রদায়, সাতক্ষীরা শিবসংঘ সম্প্রদায় ও জয়পদ্মাবতী সম্প্রদায়। অনুষ্ঠান চলাকালীন চারদিনই বিপুল দর্শক ও ভক্তবৃন্দ সশ্রদ্ধিত্তে সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজক কমিটির গোষ্ঠচন্দ্র পাল, ময়নাচন্দ্র পাল, শ্রীকান্ত পাল, লক্ষ্মণ পাল, জয়দেব রায়সহ অন্যরা বলেন, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া স্বজনদের সনাতন ধর্মের আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা স্মরণ করি। এ আয়োজনের একটিই লক্ষ্য দেশপ্রেমে সকলকে উদ্বুদ্ধ করা। কলারোয়ার পালপাড়ার চারদিন ব্যাপী পুরো আয়োজন শেষ হলো শনিবার। এ আয়োজনে একদিকে ছিল শোকের আবহ, অন্যদিকে ছিল তাদের আত্মার মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা। এ ধরনের উদ্যোগ ইতিহাসকে স্মরণে রাখা এবং দেশের প্রতি মমত্ববোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে- এমনটি ধারণা করেন অনুষ্ঠানস্থলে আসা ভক্তবৃন্দ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একাত্তরের ৩০ এপ্রিল কলারোয়ার উত্তর মুরারিকাটি পালপাড়ায় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত গুলিবর্ষণ ও নারকীয় হামলায় নিহত ৯ কুম্ভকার হলেন: বৈদ্যনাথ পাল (৪৫), নিতাই পাল (৪০), গোপাল পাল (৪২), সতীশ পাল (৪৫), রাম চন্দ্র পাল (৪০), বিমল পাল (৪২), রঞ্জন পাল (৪০), অনিল পাল (৪৫) ও রামপদ পাল (৪২)।

Ads small one

কয়রায় পরিবারসহ গরু নিয়ে হাটে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
কয়রায় পরিবারসহ গরু নিয়ে হাটে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ৩

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বামিয়া গরুর হাটে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি উল্টে মিজানুর রহমান(৪৫) নামে এক গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ৭ বছরের শিশু সন্তানসহ আরো তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২.২০ মিনিটে ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিজানুর কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের খিরোল গ্রামের মাওলানা শামসুর রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন, খিরোল গ্রামের নিহত মিজানের পুত্র হাবিব (৭), আব্দুল বশিরের পুত্র আব্দুল সানা (৬৫), ও বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ গাজীর পুত্র আতিয়ার।
কয়রা থানার পুলিশ পরিদর্শক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়িতে লালন পালন করা গরু বিক্রির উদ্দেশ্যে নসিমনে করে বামিয়া গরুর হাটে যাচ্ছিলেন মিজানুর রহমান ও তার লোকজন। ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মিজানুর রহমান মারা যান। এ সময় তার শিশুসন্তানসহ আরও তিনজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। নিহত মিজানের শিশু পুত্রের অবস্থা আশঙ্কাজনকজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে খুলনাতে প্রেরণ করেছেন।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার ডাঃ ডালটন সানা বলেন, হাসপাতালে পৌছানোর পূর্বে মিজানুর রহমান মারা গিয়েছিলেন এবং আহত ৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আসঙ্খাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে খুলনাতে রেফার করা হয়েছে। আরেকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গেছেন এবং ১ জন হাসপাতালে ভর্তি আছে।

 

আশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানা

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে বাজারের দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে ও খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে আশাশুনিতে বিভিন্ন বাজারে মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারর শ্যামানন্দ কুন্ডু। মঙ্গলবার (২৬ মে) উপজেলার আশাশুনি সদর ও বুধহাটা বাজারসহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান চলাকালে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, ওজনে কারচুপি বন্ধ এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখার নির্দেশ দেন তিনি। সাথে সাথে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাচাই এবং ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যবসায়ী যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দেন ইউএনও।

এসময় বুধহাটা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সুভাষ ঘোষ নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বার্থে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা ও ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

অভিযানকালে বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার শাখরা কোমরপুর বেইলি ব্রিজ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
এবার শাখরা কোমরপুর বেইলি ব্রিজ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি: এলাকাবাসীর ঈদ আনন্দ নির্বিঘœ করতে শাখরা কোমরপুর বেইলি ব্রিজ এর উপরের নষ্ট হওয়া অংশ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার করে দিচ্ছেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফা। মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে ব্রিজটির সংস্কার কাজ শুরু করেন।

ইতোমধ্যে ব্রিজটি সংস্কারের জন্য প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একমাসের অধিক সময় পূর্বে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উক্ত সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেই কাজ শুরু হবে বলে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা। তবে, তার পূর্বেই আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে যাতে কাউকে ভোগান্তিতে না পড়তে হয় সেজন্য আপাতত ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী করে দিচ্ছেন।