রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি
শেখ জিল্লু, কলারোয়া: দূর থেকে দেখলে নীল রঙের রেলিং আর কাঠের পাটাতনে তৈরি সাঁকোটি বেশ দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কাছে গেলেই চোখে পড়ে এর নড়বড়ে অবস্থা। বাঁশের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বেত্রবতী নদীর ওপর নির্মিত এই কাঠের সাঁকোটি এখন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা ও টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কলারোয়া পৌরসভার যুগিবাড়ি মোড় থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ২০০ মিটার এগোলেই বেত্রবতী নদীর ওপর সাঁকোটির অবস্থান। দক্ষিণ মুরারিকাটি পূজামণ্ডপ-সংলগ্ন এই সাঁকোর পূর্ব পাশে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং পশ্চিম পাশে ৭ নম্বর ওয়ার্ড। দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটির কাঠের পাটাতন ও অবকাঠামো নড়বড়ে। ফলে পথচারীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পারাপার হতে হয়। দুই চাকার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো যান চলাচলের উপযোগী নয় সাঁকোটি। এতে মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতের পাশাপাশি মালামাল পরিবহনেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সাঁকোটির পূর্ব পাশে রয়েছে যুগিবাড়ি বাজার ও বাসস্টপেজ। পশ্চিম পাশে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি পূজামণ্ডপ ও একটি কালীমন্দির। দুর্গাপূজা এবং তালের রসের মেলাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ মুরারিকাটি গ্রামে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এসব উৎসবে দর্শনার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম পথ এই সাঁকো। কিন্তু এর নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত কাঠামোর কারণে ভিড়ের সময় পারাপারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ মুরারিকাটির বাসিন্দা নির্মল মণ্ডল ও অনিমেষ পাল বলেন, প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় তাঁদের মণ্ডপসহ আশপাশের পূজামণ্ডপগুলোতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন। কিন্তু মণ্ডপ-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর সাঁকোটি নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত হওয়ায় দর্শনার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তাঁরা সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মাহবুবুর রহমান ও আকবর হোসেন বলেন, মুরারিকাটি হাইস্কুল-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর ওপরের সাঁকোটির স্থলে ইতোমধ্যে পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। একই আদলে দক্ষিণ মুরারিকাটির কাঠের সাঁকোটির স্থলেও পাকা সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে এখনো সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি।
এলাকাবাসীর মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথে একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে দুই ওয়ার্ডের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে আসা দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ কমবে এবং নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
প্রসঙ্গে রোববার বিকেলে কলারোয়া পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ রুহুল আমিন জানান, কাঠের সাঁকোটির স্থলে একটি সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বেত্রবতীর দুটি কাঠের সাঁকোই স্থায়ী(কনক্রিট/বেইলি)করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য কাজ চলমান রয়েছে।

Ads small one

ধেয়ে আসছে ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’, কখন কোথায় আঘাত হানবে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
ধেয়ে আসছে ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’, কখন কোথায় আঘাত হানবে?

বঙ্গোপসাগরে তৈরি গভীর নিম্নচাপকে ঘিরে ভারতের পূর্ব উপকূলে দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, সিস্টেমটি এখনো গভীর নিম্নচাপ অবস্থায় থাকায় একে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ বলা যাচ্ছে না। এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোরের মধ্যে বিশাখাপত্তনম ও গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে সিস্টেমটি স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। সম্ভাব্য স্থলভাগে প্রবেশের এলাকা কালিঙ্গপটনমের কাছাকাছি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

অর্থাৎ, বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, স্থলভাগে ঢোকার আগে সিস্টেমটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই একে এখনই ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’ বলা ঠিক নয়। উত্তর ভারত মহাসাগরে কোনো সিস্টেম ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলেই ‘অর্ণব’ নামটি ব্যবহার করা হবে।

গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করবে। সম্ভাব্য এলাকা বিশাখাপত্তনম থেকে গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল, বিশেষ করে কালিঙ্গপটনমের আশপাশ।

আইএমডির সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিস্টেমটি বুধবার রাতেই উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সমুদ্র তখনো উত্তাল থাকবে এবং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে খুবই খারাপ সমুদ্র পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

উপকূলের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ আরও বেশি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ উড়িষ্যা ও উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

দক্ষিণ উড়িষ্যায় ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বিচ্ছিন্নভাবে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কোরাপুট, গজপতি ও গঞ্জামসহ কয়েকটি এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতির কারণে রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। খুরদা, জগৎসিংহপুর, গঞ্জাম ও গজপতিতে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মালকানগিরিতে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রশাসনও প্রস্তুতি জোরদার করেছে। কোথাও জরুরি দল মোতায়েন করা হয়েছে, কোথাও সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ, ইয়ানাম ও রায়ালসীমার বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শ্রীকাকুলাম ও বিজয়নগরম জেলায় ভারী বৃষ্টির কারণে বুধবার স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে অতিবৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে। এ কারণে সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি।

সরাসরি স্থলভাগে আঘাতের কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গ নয়। তবে সিস্টেমটির প্রভাবে রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলোতেও ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আইএমডি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও ঝোড়ো আবহাওয়ার সতর্কতা দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের সিস্টেমটির বাইরের ঘূর্ণাবর্ত স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে মিশে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির মাত্রা বাড়াতে পারে।

পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ, উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি সমুদ্র ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তাল থেকে অতি উত্তাল থাকতে পারে। উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থলভাগে ঢোকার পর এই সিস্টেমের প্রভাব শুধু উপকূলীয় রাজ্যগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিহারেও ২৩ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত, বজ্রঝড় ও শক্তিশালী বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আইএমডির পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ও শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ও রোববার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ‘অর্ণব’ নামে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে, এমনটা নিশ্চিত নয়। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বঙ্গোপসাগরের বর্তমান সিস্টেমটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবেই উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা বেশি।

২৪ দিনে প্রবাসী আয় ২৬ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ২৬ হাজার কোটি টাকা

 

চলতি অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২৩.৬৫ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।মানচিত্র দেখুন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম দিন থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত— ৬ দিনেই ২৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার এসেছে। যেখানে গত বছর অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে দেশে ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে দেশে ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছিল। এই হিসাবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।

জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতা: সাতক্ষীরা দলের ১টি স্বর্ণপদক ও ৩টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতা: সাতক্ষীরা দলের ১টি স্বর্ণপদক ও ৩টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বহুল প্রতীক্ষিত ‘২য় জাতীয় জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর জুনিয়র পর্যায়ে এত বড় পরিসরে এই জাতীয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২২, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সারা বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৮৩টি সংস্থা ও ক্লাব থেকে প্রায় ১৫০০ জন উদীয়মান খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম। প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এই প্রতিযোগিতায় দেশের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ খেলায় অংশ নেয় সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কারাতে দল। দলটির তরুণ খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ১টি স্বর্ণপদক এবং ৩টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে। সারাদেশের অসংখ্য শক্তিশালী দলের সাথে প্রতিযোগিতা করে সাতক্ষীরা জেলা সামগ্রিক পয়েন্ট তালিকায় ২২তম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করে। সাতক্ষীরার এই তরুণ ক্রীড়াবিদদের এমন সাফল্য জেলা ক্রীড়া অঙ্গনকে গর্বিত করেছে এবং আগামী দিনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।