মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

কেশবপুর জবাই করা ছাগলের পেটে দুই বাচ্চা, কসাই উধাও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুর জবাই করা ছাগলের পেটে দুই বাচ্চা, কসাই উধাও

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে জবাই করা ধাড়ী ছাগলের পেটে দুইটা বাচ্চা পাওয়া গেছে। কেউ দেখার আগে কসাই মতিয়ার রহমান বাচ্চা দুটো বালতির ভিতরে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। বাজারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

 

অবস্থা বেগতিক দেখে কসাই মতিয়ার কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে, কেশবপুর পৌরসভার গরু-ছাগল জবাই করার বাজারে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আব্দুর রহমান শেখ, সাংবাদিক, পুলিশ, পৌরসভার সেনেটারি অফিসার, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উপস্থিত হন।

 

তারা কসাই মতিয়ারকে না পেয়ে জবাই করা ছাগল ও বাচ্চা দুটি জব্দ করে মাটির তলে পুতে রাখার আদেশ দেন। সহকারী কমিশনার ভূমি কসাই মতিয়ারের লাইসেন্স বাতিল করার ঘোষণা দেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেশবপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

Ads small one

কলারোয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১    

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১    
কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুর রশিদ (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেল ৪ টার দিকে কলারোয়া-চন্দনপুর সড়কে সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোনাবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ সীমান্তবর্তী গয়ড়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার ওই সময় মোটরসাইকেলযোগে গয়ড়া বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। কলারোয়া-চন্দনপুর সড়কে ওঠামাত্র চন্দনপুর দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল তার মোটরসাইকেলে মুখোমুখি আঘাত করে।
এ সময় আব্দুর রশিদ রাস্তা পড়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক ভার্সুয়াল মিটিং-এর মাধ্যমে ওই কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন হলো। স্কুলের সাথে সাবেক শিক্ষার্থীদের মেলবন্ধনের জন্য এবং স্কুলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য এই কমিটি কাজ করবে।

হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি ইলিয়াস হোসেনকে আহবায়ক কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়েছে। উপদেষ্টা হিসেবে আছেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. হযরত আলী, শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন, শিক্ষক মো. আব্দুল আজিজ, শিক্ষক এসএম আতিকুর রহমান মিলন এবং কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম (ছাত্র প্রতিনিধি)।

কমিটিতে আছেন আহবায়ক- আব্দুল লতিফ কাজল (এসএসসি-১৯৯৯), যুগ্ম আহবায়ক- রুহুল আমিন (এসএসসি-১৯৯৮), হাসানুজ্জামান (এসএসসি-২০০০), শিমুল (এসএসসি-২০০১), মো. নাজমুল ইসলাম (এসএসসি-২০০২), সদস্য সচিব-আসাদুজ্জামান আসাদ (এসএসসি-২০০৩), সদস্য (দপ্তর সম্পাদক ও স্কুল সমন্বয়ক)- কবিরুল ইসলাম (এসএসসি-১৯৯৯) এবং সদস্যরা হলেন- মুন্নি (এসএসসি-২০০৩), নাজমুল হোসেন (এসএসসি-২০০৪), সরোয়ার হোসেন রিন্টু (এসএসসি-২০০৫), বাইজীদ (এসএসসি-২০০৬), সেলিম হোসেন (এসএসসি-২০০৮), আবু তৌহিদ (এসএসসি-২০১২), মো. সাইফুল্লাহ (এসএসসি-২০১৬), মেহেদী (এসএসসি-২০২০) ও শাহারিয়ার মাহমুদ সুজন (এসএসসি-২০২২)।

তালায় কলেজ ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ, থানায় মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
তালায় কলেজ ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ, থানায় মামলা

তালা সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ধুলন্ডা গ্রামে নীলা খাতুন (১৬) নামের একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ধুলন্ডা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে তার দাফন করা হয়। নীলা ওই গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে এবং মাগুরা আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ ঘটনায় নীলার বাবা লিটন শেখ সাতজনের নাম উল্লেখ করে তালা থানায় মামলা করেছেন। ৫ অক্টোবর করা মামলাটির নম্বর ৪। এজাহারে নীলাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নীলা কলেজে যাতায়াতের সময় কয়েকজন যুবক তাঁকে কুপ্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি নীলা তাঁর বাবাকে জানালে লিটন শেখ ধুলন্ডা গ্রামের অফছার শেখের ছেলে আমজেত শেখ (৫০) ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

 

অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর রাতে আসামিরা লিটন শেখের বাড়িতে গিয়ে নীলাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। পরদিন ২ অক্টোবর জেঠুয়া বাজারে লিটন শেখের হোটেলেও গিয়ে নীলার নামে অপপ্রচার চালানো হয়। একই দিন দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে লিটন শেখকে আসামিরা পথরোধ করে মারধর করেন। তাঁকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এরপর সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ধুলন্ডা গ্রামের নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে নীলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নীলার বাবা লিটন শেখের অভিযোগ, তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। এ ঘটনায় আমজেত  শেখ (৫০), আহম্মাদ আরী শেখের ছেলে রকি শেখ (২৪), সেলিম মালির ছেলে সৈয়েব মালি (১৮), আকবর শেখের ছেলে ইমন শেখ (২২), মোহাম্মাদ আলী শেখের ছেলে ইমরান শেখ (২৮), আমজেত শেখের মেয়ে আকলিমা বেগম (২৫) এবং অফছার শেখের ছেলে আকবর শেখকে আসামি করা হয়েছে। লিটন শেখের অভিযোগ, আসামিরা তাঁর মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছেন। একই সঙ্গে তাঁকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত বা বাধ্য করা হয়ে থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে মামলা হওয়ার পর থেকে এজাহারভুক্ত আসামিরা বাড়িতে নেই বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।