শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

চিহ্নিত মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীর অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
চিহ্নিত মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীর অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

পত্রদূত ডেস্ক: মাদকবিরোধী প্রতিবাদ করায় অনাকাঙ্খিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এমএ হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দহাকুলা বায়তুর মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ফজলে রাব্বী, মোঃ আজমল হোসেন, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ল কলেজ স্টুডেন্ট ফোরামের সেক্রেটারি মোঃ আবুল হাসান, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ইনছাপ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ হাতেম আলী প্রমুখ।

 

মানববন্ধনের বক্তারা মাদক ব্যবসায়ের প্রতিবাদকারীদের উপর হামলাকারী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে তাদের প্রকাশ্য মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এলাকার নিরীহ নাগরিক জাকির হোসেন ও আব্দুল কাদের এর উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হত্যাকান্ডের উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। হামলার শিকার হয়ে আহত ব্যক্তিরা মুমূর্ষ অবস্থায় সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

 

বক্তারা আরো বলেন, দহাকুলা গ্রামের মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তারা বর্তমানে বিএনপি’র সমর্থক সেজে জিয়া ফাউন্ডেশন এর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি সম্পদ ও জিয়া ফাউন্ডেশনের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধভাবে ভোগ করছে। তারা অনেকের সামনে বলেছে তারা জিয়া ফাউন্ডেশন থেকে ভাতা পায়। সন্ত্রাসী বাহিনী ধুলিহর বাজার এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যবসায়ীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে অবৈধ চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে। তাদের বিরুদ্ধে সুইপার সম্প্রদায়ের স্ত্রী কে জোরপূর্বক অপহরণ করে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন এবং এলাকায় একাধিক নারীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

মানববন্ধনে বক্তারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এই সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার না করলে জনগণ রাজপথে নেমে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ রাশিদুল ইসলাম।

Ads small one

মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা

লিওনেল মেসির ২১ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের পর আর্জেন্টিনা এখন নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। ২০০৫ সালের আগস্টে হাঙ্গেরির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে পথচলা শুরু করেছিলেন মেসি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের পর এবার আলবিসেলেস্তের নেতৃত্বেও বড় পরিবর্তন এসেছে। আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, রোমেরোকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত হঠাৎ নেওয়া হয়নি। গত বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিষয়টি পরিকল্পনায় ছিল। সেই সময় মেসি ও নিকোলাস ওতামেন্দির পর তৃতীয় অধিনায়ক ছিলেন রোমেরো। বিশ্বকাপের পর দুজনই জাতীয় দল থেকে বিদায় নেওয়ায় এবার আর্মব্যান্ড উঠেছে ২৮ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের হাতে।

মার্টিনেজকে টপকে কেন রোমেরো?

গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর মতো অভিজ্ঞদের পেছনে ফেলেই রোমেরোর ওপর আস্থা রেখেছেন স্ক্যালোনি। বেলগ্রানো একাডেমি থেকে উঠে আসা এই ডিফেন্ডার এখন মাঠে ও ড্রেসিংরুমে দলের নেতৃত্বের বড় দায়িত্ব সামলাবেন।

তবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্ক্যালোনি নিজেই দায়িত্বে থাকবেন কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে তার চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে।

এখানে উল্লেখ্য, জাতীয় দলের হয়ে রোমেরোর অধিনায়কত্ব নতুন নয়। ৫৮ ম্যাচে এরই মধ্যে তিনবার আর্জেন্টিনার আর্মব্যান্ড পরেছেন তিনি। তখন কোচ ছিলেন স্ক্যালোনি।

প্রথমবার গত বছর দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চিলির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ১-০ গোলের জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রোমেরো। এরপর অক্টোবরে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচেও অধিনায়ক ছিলেন। সর্বশেষ গত মার্চে মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়েও দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি।

সেপ্টেম্বরের প্রীতি ম্যাচগুলোতেই শুরু হতে যাচ্ছে রোমেরোর পূর্ণকালীন অধিনায়কত্বের নতুন অধ্যায়। প্রতিপক্ষের নাম চলতি সপ্তাহেই ঘোষণা হওয়ার কথা।

স্বর্ণের দামে বড় পতন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
স্বর্ণের দামে বড় পতন

 

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। এ দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোন মানের স্বর্ণের দাম কত

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা।

এর আগে সর্বশেষ গত ৯ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমেছে।

৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।

অলংকারের ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এ ছাড়া পুরোনো অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে এক্সচেঞ্জের সময় ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই নতুন বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদের দায়িত্ব বাড়লো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদের দায়িত্ব বাড়লো

 

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করেছে সরকার।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সংসদীয় দায়িত্ব বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বাধীন মন্ত্রণালয় ও বিভাগসহ যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগপ্রাপ্ত নেই, সেসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদবিষয়ক কার্যাবলি নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা সম্পাদন করবেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সংসদ বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন।

সালাহউদ্দিন আহমদের অনুপস্থিতিতে এসব দায়িত্ব পালন করবেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংসদ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন।

ড. আব্দুল মঈন খানের অনুপস্থিতিতে এসব দায়িত্ব পালন করবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চলতি বছরের ১৭ মার্চ, ৬ এপ্রিল, ১৬ জুলাই ও ২০ আগস্ট জারি করা পূর্ববর্তী প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে।

সরকারের এ নতুন সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।