শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত কয়েকদিন ধরে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত পাচ দিনে নতুন করে জেলায় ৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় প্রতিদিনই গড়ে প্রায় ১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাতক্ষীরায় মোট ২৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪১ জন রোগী। এ সময় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৭ জন রোগীকে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪১ জন। তবে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদরের হাসপাতালভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এর পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ৭ জন। এছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন, শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন এবং দেবহাটা ও কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক ১৪৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া সদর হাসপাতালে ৪০ জন এবং তালায় ২৯ এবং শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া আশাশুনিতে ৫ জন, দেবহাটায় ১২ জন এবং কলারোয়া ও কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬ জন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন।

সূত্র অনুযায়ী, গত চার দিনের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জনের মতো রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর ১৫ জন, ৭ সেপ্টেম্বর ১৩ জন, ৮ সেপ্টেম্বর ২৩ জন এবং ৯ সেপ্টেম্বর ১৯ জন, ১০ সেপ্টেম্বর ১৯ জন এবং ১১ সেপ্টেম্বর ২ জন ডেঙ্গু রোগী নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার জানান, “জেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে নতুন করে ১৫ জনের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিদিন রোগী বাড়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। তবে আক্রান্তদের প্রয়োজন অনুযায়ী জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার বিস্তার এবং বৃষ্টির পর জমে থাকা পানিকে ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাড়ির আশপাশে, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে।”

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইকবাল মাহমুদ পিয়াল জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা।

সাতক্ষীরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা এবং মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। অন্যথায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

Ads small one

খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবসে সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবসে সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দোয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির ১ নম্বর ভবনের নিচতলার হলরুমে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

জেলা আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আকবর আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ফোরামের নেতৃবৃন্দ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তারা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সর্ব অ্যাডভোকেট মোস্তফা জামান, শহিদ হাসান, ই. জে. সাহরিয়ার হাসিব, সরদার সাইফ, মিজানুর রহমান বাপ্পি, সাইফুল ইসলাম সোহেল, মনোয়ারা পারভীন, মাকফুর রহমান, সুনীল কুমার ঘোষ, শাহাজান, আব্দুস সামাদ, সোহরাব হোসেন বাবলু, ওলিউল্লাহ, জাফরুল্লাহ, রফিকুল ইসলাম খোকন, শফিকুল ইসলাম, জাকির হায়দার, জামাল, আশফউদদৌলা (সুমন), শফিকুল আজম, জিয়াউর রহমান জিয়া, অমিত কুমার, রেজাউল ইসলাম, এসএম সহরব হোসেন সুজন, জাহাঙ্গীর শাজাহান, এমডি সাইফুল্লাহ, আব্দুল জলিল, জগলু, মুখন্দ রায় ও আবু জাফরসহ ফোরামের নেতৃবৃন্দ ও শতাধিক আইনজীবী।
পরে জেলা ইউনিটের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিনের দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ এক বছর কারাবাসের পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি মুক্তি পান। এরপর থেকে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে দিনটি ‘কারামুক্তি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসা হচ্ছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

চিহ্নিত মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীর অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
চিহ্নিত মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসীর অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

পত্রদূত ডেস্ক: মাদকবিরোধী প্রতিবাদ করায় অনাকাঙ্খিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এমএ হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দহাকুলা বায়তুর মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ফজলে রাব্বী, মোঃ আজমল হোসেন, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ল কলেজ স্টুডেন্ট ফোরামের সেক্রেটারি মোঃ আবুল হাসান, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ইনছাপ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ হাতেম আলী প্রমুখ।

 

মানববন্ধনের বক্তারা মাদক ব্যবসায়ের প্রতিবাদকারীদের উপর হামলাকারী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে তাদের প্রকাশ্য মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এলাকার নিরীহ নাগরিক জাকির হোসেন ও আব্দুল কাদের এর উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হত্যাকান্ডের উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। হামলার শিকার হয়ে আহত ব্যক্তিরা মুমূর্ষ অবস্থায় সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

 

বক্তারা আরো বলেন, দহাকুলা গ্রামের মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তারা বর্তমানে বিএনপি’র সমর্থক সেজে জিয়া ফাউন্ডেশন এর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি সম্পদ ও জিয়া ফাউন্ডেশনের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধভাবে ভোগ করছে। তারা অনেকের সামনে বলেছে তারা জিয়া ফাউন্ডেশন থেকে ভাতা পায়। সন্ত্রাসী বাহিনী ধুলিহর বাজার এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যবসায়ীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে অবৈধ চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে। তাদের বিরুদ্ধে সুইপার সম্প্রদায়ের স্ত্রী কে জোরপূর্বক অপহরণ করে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন এবং এলাকায় একাধিক নারীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

মানববন্ধনে বক্তারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এই সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার না করলে জনগণ রাজপথে নেমে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ রাশিদুল ইসলাম।

গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি

পত্রদূত রিপোর্ট: ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের জটিলতাজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ আব্দুল আলিম। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজধানী ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল সূত্র ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ফুসফুস বিশেষজ্ঞ টিমের তত্ত্বাবধানে শেখ আব্দুল আলিমের অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি নিজ জেলা সাতক্ষীরায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার কাক্সিক্ষত কোনো উন্নতি হয়নি, বরং শারীরিক জটিলতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাঁকে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং রাজধানীর ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। শেখ আব্দুল আলিম সাতক্ষীরার স্থানীয় সাংবাদিকতা অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তিনি সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রেও একজন পরিচিত মুখ। তাঁর হঠাৎ এমন গুরুতর অসুস্থতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরার গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজ ও স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরিবার ও তাঁর সহকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী নিবিড় চিকিৎসার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য (শেফায়ে কামেলা) কামনায় সব সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীর কাছে বিনীতভাবে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছেন।