বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

জনবল-সংকটে থমকে যাচ্ছে চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
জনবল-সংকটে থমকে যাচ্ছে চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের কার্যক্রম

কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে নেই টেকনিশিয়ান, অকেজো হওয়ার শঙ্কা

সংবাদদাতা: চিংড়ি শিল্পকে আধুনিক ও টেকসই করতে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার। উদ্দেশ্য ছিল গবেষণা, উন্নত পোনা উৎপাদন, পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ এবং খামারিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল ও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই থমকে গেছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খামারটিতে রয়েছে আধুনিক হ্যাচারি, পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ বিভিন্ন ভারী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি রয়েছে পানির গুণগত মান পরীক্ষার (ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্টিং) ব্যবস্থা, উন্নত পোনা উৎপাদনের প্রযুক্তি এবং গবেষণাগার। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগমুক্ত ও মানসম্মত পোনা উৎপাদন, পানির পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকলেও দক্ষ অপারেটর ও পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত জনবল না থাকায় অনেক যন্ত্রই নিয়মিত ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিংড়ি শিল্প এখন কঠিন সময় পার করছে। রোগব্যাধি, মানসম্মত পোনার সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে অনেক খামারি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক এই প্রদর্শনী খামার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি তার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক চিংড়ি চাষে পানির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, দ্রবীভূত অক্সিজেন ও পিএইচ পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্যের ভিত্তিতে রোগ প্রতিরোধ ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব। এজন্য উন্নত ল্যাব ও পরীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হলেও শুধু যন্ত্রপাতি স্থাপন করলেই হবে না, সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও অপরিহার্য।
খামারের একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল মাঠপর্যায়ের চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও বলছে, প্রদর্শনী খামার ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কৃষকদের নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। কিন্তু বর্তমানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় উপকূলের বহু খামারি সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে চিংড়ি শিল্পে রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ছে। অতীতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে দেশের বিভিন্ন হ্যাচারিতে শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আবার ভাইরাসজনিত রোগে সাতক্ষীরা অঞ্চলের চিংড়ি খামারগুলোও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। গবেষণা ও আগাম সতর্কতামূলক কার্যক্রম জোরদার না হলে ভবিষ্যতেও এমন সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খামার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বর্তমানে অনেক যন্ত্রপাতি সীমিতভাবে ব্যবহার হচ্ছে, কিছু যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে। সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ না হলে এসব মূল্যবান যন্ত্রপাতি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন নতুন করে যন্ত্রপাতি কেনা ও অবকাঠামো সচল করতে আবারও বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে।

সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দেশের চিংড়ি উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র। জেলার হাজার হাজার পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রদর্শনী খামারটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা গেলে মানসম্মত পোনা উৎপাদন, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু দ্রুত জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু না হলে কোটি টাকার প্রযুক্তি অব্যবহৃত থেকে যাবে, আর হারিয়ে যেতে পারে চিংড়ি শিল্পে সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

সাতক্ষীরা জেলা চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এবং শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব)-এর সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা বলেন, “সাতক্ষীরার পিসিআর ল্যাব চালু করা গেলে পোনা ছাড়ার আগে জীবাণু আছে কি না তা জানা যেত। এতে আমাদের উৎপাদন অনেক ভালো হতো।” তিনি আরও বলেন, “এই যন্ত্রপাতিগুলো চালুর বিষয়ে আমি সচিবালয়ের বৈঠকেও জানিয়েছি। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।”

চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহ: শফিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক এসব যন্ত্রপাতি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার অধীনে। “আপনি উনার সাথে কথা বলুন। আমি একটি মিটিংয়ে আছি, পরে কথা হবে,”
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, “সাতক্ষীরা থেকে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বাগদা চিংড়ি উৎপাদন হয়। এখানে পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ অনেক ভারী ও আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে সেগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এসব যন্ত্রপাতির কেমিক্যালের মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হয়ে যাবে। আমরা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নেওয়ার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছি। এসব যন্ত্র ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন।”

 

তিনি আরও বলেন, “আগে এসব পরীক্ষার জন্য খুলনা বা ঢাকায় যেতে হতো। এখন এখানে পরীক্ষা করা সম্ভব হলে সময় ও খরচ দুটোই কমবে। পোনাগুলো জীবাণুমুক্ত কি না তা পরীক্ষা করা যাবে, এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। এছাড়া পানির গুণগত মান পরীক্ষার জন্যও এখানে আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে।” সংবাদদাতা আব্দুর রহমান

 

 

Ads small one

শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সবুজ বিদ্যালয়’ কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সবুজ বিদ্যালয়’ কর্মসূচির উদ্বোধন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় ‘সবুজ বিদ্যালয়’ কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার হায়বাতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জামান কনক।
এ সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, শ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি দীনেশ চন্দ্র মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান লাভলুসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আগে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিতরণ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ ও তীব্র জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে ‘জলবায়ু শিক্ষা বিনিময় পরিদর্শন সিরিজ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে শহরের ইটাগাছা পশ্চিমপাড়ার জলমগ্ন এলাকায় এই কর্মসূচি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘হেড’-এর উদ্যোগে ‘কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং প্রজেক্ট’-এর আওতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সহযোগিতা করে ‘সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশন’ ও ‘ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ড’।
ইটাগাছা পশ্চিমপাড়ার জলমগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা ফেরদৌসী আরা ময়না। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আলী নূর খান বাবুল। তিনি বলেন, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাটের কারণে ইটাগাছাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা আজ জলমগ্ন। এ সময় তিনি দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ দফা দাবি পেশ করেন।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে পরিকল্পিত মাছ চাষ নিশ্চিত করা। জলবায়ু ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া। ইটাগাছা পশ্চিমপাড়াসহ সব নি¤œাঞ্চলে টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। প্রাকৃতিক জলাশয় সংস্কার ও অবৈধ দখলমুক্ত করা। কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা শরীফা ও রওশন আরা বলেন, বছরের পর বছর জলাবদ্ধতার কারণে বসতবাড়িতে পানি উঠে স্যানিটেশন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে এবং পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।
এর আগে সকালে শহরের কাটিয়া এলাকায় হেডের প্রধান কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হেডের নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন বলেন, তরুণ প্রজন্ম ও স্থানীয় কমিউনিটিকে সঙ্গে নিয়ে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় টেকসই অভিযোজন কৌশল তৈরি করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সভায় সিনিয়র সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সংস্থার ইয়ুথ টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

শ্যামনগরে তিন বেকারিতে জরিমানা, একটির উৎপাদন বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে তিন বেকারিতে জরিমানা, একটির উৎপাদন বন্ধ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নি¤œমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার রাখার দায়ে তিনটি বেকারিকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে একটি বেকারির উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত শ্যামনগর সদর ও নূরনগর বাজারে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুজ্জামান কনক।
আদালত সূত্র জানায়, অভিযানকালে শ্যামনগর বাজারের নিউ সুন্দরবন বেকারিকে ১০ হাজার টাকা, রয়্যাল ফুডস বেকারিকে ১০ হাজার টাকা এবং নূরনগর বাজারের সোনার বাংলা বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় রয়্যাল ফুডস ও সোনার বাংলা বেকারিতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ নি¤œমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সোনার বাংলা বেকারির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।