বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

দেবহাটায় চক মোহাম্মাদালীপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হিজরি নববর্ষ ১৪৪৮ বরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় চক মোহাম্মাদালীপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হিজরি নববর্ষ ১৪৪৮ বরণ

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চক মোহাম্মাদালীপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে পবিত্র হিজরি নববর্ষ ১৪৪৮ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) বেলা ১১টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নতুন হিজরি বছরের শুভসূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উক্ত মাদ্রাসা-এতিমখানার পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ মঈনউদ্দীন ময়না। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক হাফেজ এমদাদুল হক, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে. এম. রেজাউল করিম, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল ওয়াহেদ, সমাজসেবক আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম জামাত আলী।

বক্তারা হিজরি নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারণ করে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে হবে। তারা নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়া সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় ইসলামের শিক্ষা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয় মুসল্লি এবং মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

Ads small one

মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
বদিউজ্জামান : পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) কার্যক্রম জোরদার এবং মামলাজট হ্রাসে লিগ্যাল এইডের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে সাতক্ষীরায় এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সাতক্ষীরার সম্মেলন কক্ষে আইনজীবী ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ‘পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি ও মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সাতক্ষীরা।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল মেডিয়েটর মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ( সিভিল জজ) লিটন দাস।
এ সময় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান (পিন্টু), সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট অসীম কুমার মণ্ডল, প্যানেল আইনজীবী অ্যাডভোকেট খায়রুল বদিউজ্জামান, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম গনি দুদু ও অ্যাডভোকেট শিহাব মাসুদ সাচ্চু। এছাড়া এনজিও প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুনিরুদ্দীন ও সাকিবুর রহমান বাবলা।
জেলা লিগ্যাল এইড অফিস সূত্রে জানা যায়, আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগোষ্ঠীর আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান অধিদপ্তর (লিগ্যাল এইড) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইনজীবী ও এনজিও প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প ব্যয়ে, দ্রুত ও সহজলভ্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সেমিনারে পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তিতে এডিআর পদ্ধতির কার্যকারিতা বৃদ্ধি, মামলাজট নিরসন এবং জনগণের জন্য সহজ ও দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

গাজীপুর মাদ্রাসায় অনলাইন জুয়া বিরোধী উদারতা’র সচেতনতামূলক কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
গাজীপুর মাদ্রাসায় অনলাইন জুয়া বিরোধী উদারতা’র সচেতনতামূলক কার্যক্রম

তরুণ প্রজন্মকে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা এবং নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন উদারতা যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আশাশুনির গাজীপুর কুড়িগ্রাম ইসলামিয়া সিদ্দিকিয়া আলিম মাদ্রাসায় এক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ দুপুর ১২ ঘটিকায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে অনলাইন জুয়ার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একইসঙ্গে প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার, নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উদারতা যুব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জুবায়ের আহম্মেদ-এর নির্দেশনায় এবং আল-আমিন ও আবু তাহের-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ কার্যক্রমে সমগ্র সেশন পরিচালনা করেন সংগঠনের দেলোয়ার হোসেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়া তরুণ সমাজের জন্য একটি বড় সামাজিক হুমকিতে পরিণত হয়েছে। দ্রুত অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে পড়ে অনেক শিক্ষার্থী ও যুবক এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

 

উদারতা যুব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জুবায়ের আহম্মেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনা দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। অনলাইন জুয়ার মতো ক্ষতিকর আসক্তি থেকে দূরে থেকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” প্রধান সমন্বয়ক (সাংগঠনিক) আবু তাহের বলেন, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজন সময়ের দাবি। সেশন পরিচালনাকালে দেলোয়ার হোসেন তুলে ধরেন, “ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের জন্য আশীর্বাদ, তবে এর অপব্যবহার ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। তাই প্রযুক্তিকে ইতিবাচক কাজে ব্যবহার করে দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনের দিকে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।” আলোচনা শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিষয়ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কুইজে বিজয়ীদের উপজেলা বন বিভাগের সহযোগিতায় বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং উদারতা যুব ফাউন্ডেশনের মহাইমিনুল, সুমাইয়া, সুমন জান্নাতি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। উদারতা যুব ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণদের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ডিজিটাল সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের সাড়ে ৫ কিঃ মিঃ সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের সাড়ে ৫ কিঃ মিঃ সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক কেশবপুরÑবেতগ্রাম সড়কের ভালুকঘর থেকে চিংড়া বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘ দিন বেহাল অবস্থায় জরাজীর্ন হয়ে পড়েছে।

আসন্ন বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ায় ব্যাস্ত এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় হাজারো খানা-খন্দে পরিনত হয়ে লাখো মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে সড়কটি একেবারে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। জনগুরুত্বপুর্ণ এই সড়কটির বেহালদশা নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাশিনতায় অবহেলিত রয়ে গেছে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

 

ইতিমধ্যে এই সড়কটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে চরম ভোগান্তির আর এক নাম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। সড়কটি দিয়ে শুধুু কেশবপুর উপজেলার মানুষ নয়; পার্শবর্তী মনিরামপুর ও সাতক্ষীরা জেলার তালা-কলারোয়া উপজেলার অসংখ্য মানুষ চলাচল করে থাকে। ভালুকঘর থেকে চিংড়া বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিঃ মিঃ এর মধ্যে প্রায় ৫ কিঃ মিঃ সড়কই ভেঙ্গেচুরে ছোট-ছোট গর্তে পরিণত হয়েছে। ভুক্তভোগী মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন আর কত খারাপ হলে হবে সংস্কার?

সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ী, ঝিকরা, চিংড়া, বিষ্ণুপুর, ফতেপুর, গোবিন্দপুর, মেহেরপুর, কাস্তা, বারুইহাটী, বুড়িহাটি, শ্রীরামপুর, সরাপপুর, বরণডালী, শাহপুর, মির্জানগর, হিজলতলা, পাত্রপাড়া, শিকারপুর, ভালুকঘর, চালিতাবাড়িয়া, শ্রীরামপুর, দত্তনগর, সরসকাটী, জাহানপুর, রঘুরামপুর, বাঁশবাড়ীয়া, গোপসেনা সহ পার্শবর্তী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া ও তালা উপজেলার র্শাশা জয়নগর ধানদিয়া চকজয়নগর বাটরা সিংহলাল সেনেরগাতী গ্রামের লক্ষ লক্ষ মানুষের চলাচল এই জরাজীর্ণ অবহেলিত সড়কটি দিয়ে। এই অবহেলিত জনপদের লক্ষ-লক্ষ মানুষের একটাই প্রাণের দাবী, মানুষের পদভারে ছিন্ন-ভিন্ন সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করা হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার আওয়ালুর রহমান বলেন, কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কটি জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে সম্প্রতি দেড় কিঃমিঃ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। বাকী সাড়ে ৫ কিঃ মিঃ সড়ক নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় অতিদ্রুত সংস্কার করা হবে।